ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফএসএসএআই (ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া) এভারেস্ট ব্র্যান্ডের জিরার গুঁড়ার একটি নির্দিষ্ট ব্যাচ (নম্বর ইও৮০৬৬৮৭৬১) অবিলম্বে বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। গোয়ার একটি রিসোর্ট থেকে সংগ্রহ করা নমুনায় নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়। কলকাতার দৈনিক এই সময় খবরটি দিয়েছে।
প্যাকেটজাত গুঁড়া মসলায় ভেজাল বা ক্ষতিকর উপাদান সাধারণ চোখে ধরা কঠিন। এফএসএসএআইয়ের খাদ্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক সুবিধার জন্য গোটা জিরায় কয়লার গুঁড়া দিয়ে কালো করা ঘাসের বীজ আর সস্তা মৌরি মেশানো হয়। তবে এফএসএসএআই বলছে, ঘরে বসে কয়েকটি সহজ পরীক্ষায় গোটা জিরা ও গুঁড়ার আসল-নকল চেনা যায়।
সংস্থাটির 'ডিটেক্ট অ্যাডাল্টারেশন উইথ র্যাপিড টেস্ট' নির্দেশিকায় ঘরে করার মতো কয়েকটি পরীক্ষা আছে। প্রথমটি গোটা জিরার জন্য: অল্প জিরা দুই হাতের তালুর মাঝে রেখে কিছুক্ষণ ঘষুন। তালু কালো বা ছাই রঙের হয়ে গেলে বুঝতে হবে, কয়লার গুঁড়ায় রং করা ঘাসের বীজ মেশানো আছে; খাঁটি জিরা হাতে রং ছাড়ে না।
দ্বিতীয় পরীক্ষায় একটি কাচের প্লেটে কিছু গোটা জিরা ছড়িয়ে খুব কাছ থেকে দেখুন। আকারের তারতম্য আর মাঝখানের খাঁজ দেখে মেশানো সস্তা মৌরির দানা আলাদা করে চেনা যায়।
তৃতীয়টি গুঁড়ার জন্য: একটি কাচের গ্লাসে সামান্য জিরার গুঁড়া পানিতে গুলে কয়েক ফোঁটা টিংচার আয়োডিন দিন। মিশ্রণ গাঢ় নীল বা বেগুনি হয়ে গেলে বুঝতে হবে, তাতে স্টার্চ, ময়দা বা চকের গুঁড়া মেশানো আছে।
প্রতিবেদনটি এই সময়ের অঙ্কিতা দাশের।
ছবি: Chaitanya B D / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন); জিরা
সূত্র: এই সময়





মন্তব্য
(০)