বিশ্বের প্রধান রপ্তানিকারক সব অঞ্চলে দুধ উৎপাদন বাড়লেও দুগ্ধপণ্যের চাহিদা টিকে আছে, ২০২৬ সালের আর্থিক ফল প্রকাশের সময় বলেছেন নিউজিল্যান্ডের দুগ্ধ সমবায় ফন্টেরার প্রধান নির্বাহী রিচার্ড অ্যালেন। খবর ফার্মার্স উইকলি এনজেডের।
ফন্টেরার পরিচালন মুনাফা আগের বছরের ১৭০ কোটি থেকে বেড়ে ৩৪০ কোটি ডলার হয়েছে। বৈশ্বিক প্রোটিন চাহিদা, দাম ও পণ্য মিশ্রণের সুবাদে উপাদান ব্যবসা আয় করেছে ১২৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার, খাদ্যসেবা ব্যবসা ৫৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ভোক্তা পণ্য ব্যবসা বিক্রির পর ল্যাকটালিসের সঙ্গে সম্পর্ক গোছানোসহ সমবায়টি এখনো মানিয়ে নিচ্ছে।
২০২৬-২৭ মৌসুমে ফন্টেরা ১৬০ কোটি কেজি মিল্ক সলিডের সামান্য বেশি দুধ সংগ্রহ এবং কেজিপ্রতি ৯.৫০ ডলার খামারপর্যায়ের দুধের দাম (৮.৫০ থেকে ১০.৫০ ডলারের পরিসরে) পূর্বাভাস দিয়েছে; জৈব দুধের পূর্বাভাস ১৪.৩০ ডলার (১৩.৩০ থেকে ১৫.৩০ ডলার)।
অ্যালেন বলেন, ইউরোপের গরম ও শুষ্ক গ্রীষ্মে সেখানে দুধ কমতে শুরু করেছে, অথচ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে চাহিদা শক্ত, আর ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রোটিনের চাহিদা বাড়ছে। তাঁর ভাষায়, "প্রোটিনের বৈশ্বিক চাহিদা এখন আর সাময়িক ঝোঁক নয়, দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা।"
আরেকটি শক্তিশালী সরবরাহ মৌসুমের পরিকল্পনা করলেও এল নিনো নিয়ে সতর্ক সমবায়টি। চেয়ারম্যান পিটার ম্যাকব্রাইড বলেন, খামারে প্রচুর মজুত খাদ্য আছে এবং কৃষকেরা মানিয়ে নিতে পারদর্শী, তবে "এর তীব্রতা আর স্থায়িত্বই অজানা।"
ছবি: Ingolfson / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farmers Weekly NZ




মন্তব্য
(০)