২০২৫ সালে বেলজিয়ামের ফ্লেমিশ ও ব্রাসেলস-ক্যাপিটাল অঞ্চলে ১,০৯৬টি প্রতিষ্ঠান কৃষিকাজ শুরু করেছে, যা ২০২৪ সালের চেয়ে ৬২ শতাংশ বেশি। সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা স্ট্যাটিসটিকস ফ্ল্যান্ডার্স (Statistics Flanders) এ তথ্য দিয়েছে। তবে এই লাফের মানে নতুন খামারের জোয়ার নয়।
সংস্থাটি এই বৃদ্ধিকে আংশিকভাবে সক্রিয় কৃষকদের পেনশন শর্তের সঙ্গে যুক্ত করেছে, যা ২০২৫ সালে কার্যকর হয়। এর ফলে অনেক খামার পুরোপুরি হাতবদল হয়েছে বা নতুন, তরুণ ব্যবস্থাপক পেয়েছে। নতুন কোম্পানি নম্বর পেলেই খামারটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে নথিভুক্ত হয়।
নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোর ৪১ শতাংশ একক মালিকানা, ২৮ শতাংশ আইনি সত্তা এবং ৩১ শতাংশ ব্যক্তিদের অংশীদারি। ধরনের দিক থেকে ৩৫ শতাংশ বিশেষায়িত প্রাণিসম্পদ খামার, ৩৩ শতাংশ বিশেষায়িত আবাদি খামার, ১২ শতাংশ মিশ্র খামার এবং ১০ শতাংশ উদ্যানতাত্ত্বিক খামার। ১১ শতাংশের ধরন নির্ণয় করা যায়নি।
একই বছরে কার্যক্রম বন্ধ করেছে ১,১৪৫টি খামার। সংস্থাটি বলছে, এই সংখ্যাও আংশিকভাবে পেনশন নিয়মের ফল, কারণ হাতবদল হলে আগের নম্বরটি বন্ধ হিসেবে গণ্য হয়েছে। বন্ধ হওয়া খামারের ৮৭ শতাংশই একক মালিকানার।
২০১৪ ও ২০১৭ সাল বাদ দিলে ২০১০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত নতুন উদ্যোগের সংখ্যা কমছিল, এরপর থেকে বাড়ছে। অন্যদিকে খামার বন্ধের সংখ্যা ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত কমে ২০১৮ থেকে আবার বাড়ছে।
ছবি: Johan Allard / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 4.0)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)