যুক্তরাষ্ট্রে যেসব কৃষক নিজেদের আর্থিক অবস্থা মজবুত বলছেন, তাঁদের হার জানুয়ারির ৭৬ শতাংশ থেকে অক্টোবরে ৬২ শতাংশে নেমেছে। পারডু বিশ্ববিদ্যালয় ও সিএমই গ্রুপের এগ ইকোনমি ব্যারোমিটারের সর্বশেষ জরিপে এ তথ্য এসেছে।
আরেক প্রশ্নে ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, শীতের অর্থায়ন ও ২০২৭ সালের ফসল পরিকল্পনার মুখে তাঁদের চলতি মূলধনের অবস্থা আর শক্ত নেই।
পারডু সেন্টার ফর কমার্শিয়াল এগ্রিকালচারের পরিচালক মাইকেল ল্যাঞ্জমেয়ার (Michael Langemeier) বলেন, প্রায় নয় মাসে এটি বিশাল পতন। তাঁর ভাষায়, এটি টানা তৃতীয় বা চতুর্থ বছরের সংকীর্ণ মুনাফা, বিশেষ করে ফসল উৎপাদকদের জন্য।
মূল ব্যারোমিটার তিন পয়েন্ট বেড়ে ১২৬ হয়েছে, বর্তমান অবস্থার সূচক বেড়েছে ১৬ পয়েন্ট। ল্যাঞ্জমেয়ার বলেন, অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে সরকারি অর্থ আসায় এটি হয়েছে, তবে সেই অর্থ এসেছে ২০২৫ সালের ফসলে ভুট্টা ও সয়াবিনের দাম দুর্বল ছিল বলেই। খামার মূলধন বিনিয়োগ সূচক ৫৫ হলেও মাত্র ২০ শতাংশ বলেছেন, এখন বড় বিনিয়োগের ভালো সময়।
গত দুই মৌসুমে প্রাণিসম্পদ উৎপাদকেরা সাধারণত ভালো ছিলেন, ধাক্কা বেশি পড়ছে শস্য কৃষকদের ওপর। কম জমির মালিক তরুণ খামারিরা বিশেষ ঝুঁকিতে, কারণ তাঁদের সম্পদের তুলনায় দেনা বেশি।
জমিই এখন ভরসা। ল্যাঞ্জমেয়ারের মতে, জমির দাম স্থির থাকলে আর্থিক অবস্থা ১৯৮০-এর দশকের মতো দুর্বল হবে না, তবে দাম কমলে সংকট তৈরি হবে। চলতি মূলধন কম থাকলে মেয়াদি ঋণ পুনর্গঠন করা যায় কি না দেখার পরামর্শ দেন তিনি।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন মিশিগান এগ টুডের এরিক ফাইফার (Eric Pfeiffer)।
ছবি: Scott Bauer, USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Michigan Ag Today





মন্তব্য
(০)