সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পেয়ারা-বরই-আনারস- ছফেদা কিনতেও হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা

রমজানের শুরু থেকেই ঝিনাইদহের বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে বিদেশি ফলের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়লেও দেশি ফলের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষ করে পেয়ারা, বরই ও আনারসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন।

রমজানের শুরু থেকেই ঝিনাইদহের বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে বিদেশি ফলের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়লেও দেশি ফলের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষ করে পেয়ারা, বরই ও আনারসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন।

শহরের পায়রা চত্বরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি পিস আনারস ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের এক সপ্তাহ আগে ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পেয়ারা এখন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। একইভাবে ৫০-৬০ টাকার বরই ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ৯০-১০০ টাকা দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ড্রাগন ফলের দাম কেজিপ্রতি ১০০-১২০ টাকা বেড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বিদেশি ফলের মধ্যে প্রতি কেজি অস্ট্রেলিয়ান আপেল ৪২০ টাকা, মাল্টা ৩৫০ টাকা এবং আঙুর ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেদানা বা আনারের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০০ টাকা বেড়ে ৫৬০ থেকে ৫৮০ টাকায় ঠেকেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, রোজা শুরুর সপ্তাহখানেক আগেও ফলের পাইকারি দাম কম ছিল। ফলের আমদানি ও জোগান স্বাভাবিক থাকলেও আড়তগুলো থেকে আমদানিনির্ভর বিদেশি ফলের দাম বাড়ানো হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা সামান্য লাভ রেখে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ পর্যন্ত আপেল ৩৭০/৩৮০ টাকা, মালটা ৩০০/৩২০ টাকা, বেদানা/আনার ৪৮০/৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া রমজানের এক সপ্তাহ আগেও দেশে উৎপাদিত পেয়ারা প্রতি কেজি ৬০/৭০ টাকা, বরই ৫০/৬০ টাকা, তরমুজ ৬০/৭০ টাকা, ড্র্রাগন ফল ২০০/২৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু রোজা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এসব ফলের দাম কেজিতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা বেড়েছে।

ফল ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম বলেন, খুচরা ফল বিক্রেতাদের তো কিছু করার নেই। আমরা আড়ৎ থেকে ফল কিনে এনে সামান্য লাভ রেখে বিক্রি করি। বিদেশি ফলে অনেক বেশি লাভ হয় না। দেশী ফলের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ কম। সব মিলিয়ে ব্যবসা করাও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

শরীফ হোসেন নামে আরেক এক ফল বিক্রেতা বলেন, খেজুর, আপেল, কমলা, মালটা, তরমুজের দাম কিছুটা বেড়েছে। রোজার মাসে এসব ফলের চাহিদা বেড়ে যায়। সাপ্লাই কম হওয়ায় দাম বাড়াটা স্বাভাবিক। তবে অন্য বারের চেয়ে এবার রমজানে ফলের দাম ক্রেতাদের নাগালেই রয়েছে। ফল কাঁচামাল হওয়ায় পরিবহন ও লোড আন লোডের সময় অনেক ফল নষ্ট হয়ে যায়। সবকিছু পরিমার্জন করে ব্যবসা করতে হয়।

নাজনীন নাহার রিক্তা নামে এক ক্রেতা বলেন, রমজান মাসে অধিকাংশ দেশে ফলমূল ও নিত্যপণ্যের দাম কমানো হয়। আমাদের দেশে রমজান মাস আসলে ব্যবসায়ীরা সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দেন। ফলের যে পরিমাণ দাম বেড়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশী ফল পেয়ারা অন্য সময় ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি থাকে। কিন্তু রোজা আসার সঙ্গে সঙ্গে পেয়ারার দাম ১০০ পার হয়ে গেছে।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নিশাত মেহের বলেন, বাজার মনিটরিং ও আইন লঙ্ঘনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের জরিমানাও করা হয়েছে। ভোক্তাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছেন। রমজানে নিত্যপণ্য ও ফলমূলের দাম মানুষের নাগালে রাখতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন।

এম শাহজাহান/কেএইচকে/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

চায়ের জেলা মৌলভীবাজারে বাড়ছে লেবু চাষ, বছরে প্রায় ১১,৯২০ টন

জেলায় ১,২৪০ হেক্টরে লেবু চাষ হচ্ছে; শ্রীমঙ্গলে পাঁচ বছরে আবাদ বেড়েছে ১০০ হেক্টর, পাইকারি দর এখন প্রতি পিস ১৫-৩৫ টাকা, তবে রপ্তানি এখনো শুরু হয়নি।

কৃষি সময়২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

পাবনার গোয়ালঘরে রাসায়নিকে ২৪ ঘণ্টায় কলা পাকানো, ১২ হাজার কলা ধ্বংস

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মালিগাছার রাখালগাছিতে অপরিপক্ব কলায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর কারবার ধরে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে; একই দিনে ২৭ জেলায় ৭২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

বাংলা নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

স্ক্যাব রোগে কাশ্মীরের ভালো আপেল কম, উৎসবের চাহিদা মেটাতে পারছে না মান্ডি

চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্ক্যাব রোগ ছড়িয়ে পড়ায় এখন মান্ডিতে আসা কাশ্মীরি আপেলের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বি ও সি গ্রেডের, অথচ দিওয়ালির আগে এ গ্রেডের উপহার প্যাকের চাহিদা ভালো।

ইকোনমিক টাইমস১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)