সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মেঘলাআর্দ্রতা ৫৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সরকারি গাছের ফল কুড়ালেও হবে জরিমানা-কারাদণ্ড!

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত এক ভারতীয় নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার দাবি, দেশটিতে সরকারি জায়গায় থাকা গাছ থেকে পড়ে থাকা একটি আম কুড়িয়ে নিলেও গুনতে হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত এক ভারতীয় নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার দাবি, দেশটিতে সরকারি জায়গায় থাকা গাছ থেকে পড়ে থাকা একটি আম কুড়িয়ে নিলেও গুনতে হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

এক্সে (সাবেক টুইটার) করা পোস্টে প্রিয়াঙ্কা সিনহা জানান, সিঙ্গাপুরে কোনো সরকারি গাছের নিচে পড়ে থাকা আম তুললে সর্বোচ্চ ৫ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা।

তার এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে ভারতীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। কারণ, দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই রাস্তার পাশের ফলের গাছ থেকে মানুষ অবাধে ফল সংগ্রহ করে থাকে।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রিয়াঙ্কা সিনহা বলেন, সিঙ্গাপুরে সরকারি জায়গায় থাকা ফলগাছের ফল রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে অনুমতি ছাড়া কেউ সেই গাছ থেকে ফল তুলতে বা নিচে পড়ে থাকা ফল সংগ্রহ করতে পারেন না।

তার পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ ভারতের সঙ্গে তুলনা টেনে বলেন, ভারতীয় শহরগুলোতে এমন আইন কার্যকর করা প্রায় অসম্ভব। আবার অনেকে মন্তব্য করেন, সিঙ্গাপুরের কঠোর নাগরিক আইন ও শৃঙ্খলার সংস্কৃতির কারণেই দেশটি এত পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল।

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল পার্কস (এনপার্কস) বোর্ডের ওয়েবসাইটেও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সরকারি জমিতে থাকা গাছ ও সেই গাছের ফল রাষ্ট্রের মালিকানাধীন। এসব গাছের অধিকাংশই এনপার্কসের তত্ত্বাবধানে থাকে।

কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি জমিতে থাকা গাছ থেকে ফল তুলতে চান বা পড়ে থাকা ফল সংগ্রহ করতে চান, তাহলে তাকে আগে এনপার্কসের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া পাবলিক পার্ক থেকে ফল সংগ্রহ করলে 'পার্কস অ্যান্ড ট্রিজ অ্যাক্ট' অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

আর যদি কেউ 'নেচার রিজার্ভ' বা 'জাতীয় উদ্যান এলাকা' থেকে ফল সংগ্রহ করেন, তাহলে জরিমানার পরিমাণ বেড়ে ৫০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডও হতে পারে।

এই আইন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসও কম হয়নি। এক ব্যবহারকারী মজা করে লেখেন, যদি আমাদের পোষা প্রাণী ফল কুড়িয়ে আনে তাহলে কী হবে? এর জবাবে আরেকজন লেখেন, সিঙ্গাপুরে পোষা প্রাণীকেও মালিকের অংশ হিসেবেই ধরা হয়। তাই আপনার পোষা প্রাণী যদি সরকারি গাছের ফল সংগ্রহ করে, তাহলে আইনগতভাবে সেটি আপনার কাজ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

আরেকজন মন্তব্য করেন, ওহ মাই গড! আমার ভারতই সেরা। তবে অনেকে মনে করেন, জরিমানার অঙ্ক অতিরিক্ত হলেও সিঙ্গাপুরের কঠোর আইনই দেশটির জনপরিসরকে পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখতে সাহায্য করেছে।

বিশ্বজুড়ে সিঙ্গাপুর পরিচিত কঠোর নাগরিক আইনের জন্য। পরিচ্ছন্নতা, ভাঙচুর, ময়লা ফেলা কিংবা সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহারের মতো বিষয়ে দেশটিতে কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব কঠোর নিয়মের কারণেই সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ দেশে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

চায়ের জেলা মৌলভীবাজারে বাড়ছে লেবু চাষ, বছরে প্রায় ১১,৯২০ টন

জেলায় ১,২৪০ হেক্টরে লেবু চাষ হচ্ছে; শ্রীমঙ্গলে পাঁচ বছরে আবাদ বেড়েছে ১০০ হেক্টর, পাইকারি দর এখন প্রতি পিস ১৫-৩৫ টাকা, তবে রপ্তানি এখনো শুরু হয়নি।

কৃষি সময়২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

পাবনার গোয়ালঘরে রাসায়নিকে ২৪ ঘণ্টায় কলা পাকানো, ১২ হাজার কলা ধ্বংস

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মালিগাছার রাখালগাছিতে অপরিপক্ব কলায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর কারবার ধরে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে; একই দিনে ২৭ জেলায় ৭২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

বাংলা নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

স্ক্যাব রোগে কাশ্মীরের ভালো আপেল কম, উৎসবের চাহিদা মেটাতে পারছে না মান্ডি

চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্ক্যাব রোগ ছড়িয়ে পড়ায় এখন মান্ডিতে আসা কাশ্মীরি আপেলের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বি ও সি গ্রেডের, অথচ দিওয়ালির আগে এ গ্রেডের উপহার প্যাকের চাহিদা ভালো।

ইকোনমিক টাইমস১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)