সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°মেঘলাআর্দ্রতা ৯৪%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

এক ফসলে দানা ও গোখাদ্য: সৌদি আরবের জন্য জোয়ার-বাজরার পাঁচ সম্ভাবনাময় লাইন

ইক্রিস্যাট, এফএও ও সৌদি আরবের সৌদি রিফ কর্মসূচি জাজান ও আবহায় ২৭টি জোয়ার ও ১৫টি বাজরার লাইন পরীক্ষা করে পাঁচটি দ্বৈত-উদ্দেশ্যের লাইন বেছে নিয়েছে। সেরা জোয়ারের লাইন তুলনামূলক সেরা জাতের চেয়ে ৯.৩ শতাংশ বেশি দানা ও ৪১.৩ শতাংশ বেশি সবুজ জৈববস্তু দিয়েছে।

এক ফসলে দানা ও গোখাদ্য: সৌদি আরবের জন্য জোয়ার-বাজরার পাঁচ সম্ভাবনাময় লাইন
ফসল

সৌদি আরবের শুষ্ক ও পানির টানের এলাকায় একই ফসল থেকে মানুষের খাবারের দানা আর গবাদিপশুর সবুজ খাদ্য দুটোই পাওয়া যেতে পারে, এমন পাঁচটি জোয়ার ও বাজরার লাইন খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। ফ্রন্টিয়ার্স ইন প্ল্যান্ট সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাটি আন্তর্জাতিক অর্ধশুষ্ক অঞ্চলের ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ইক্রিস্যাট), জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং সৌদি আরবের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের টেকসই কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির (সৌদি রিফ) যৌথ কাজ। ২৯ অক্টোবর ইক্রিস্যাট এ তথ্য জানায়।

গবেষক দল নিচু ও উঁচু ভূমির ভিন্ন পরিবেশে ২৭টি জোয়ার ও ১৫টি বাজরার লাইন পরীক্ষা করেছে। জাজান কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং আবহার বীজ বর্ধন কেন্দ্রে চারটি স্থান-মৌসুমে চলা এই পরীক্ষায় খোঁজা হয়েছে এমন লাইন, যা ভালো দানার ফলনের সঙ্গে বেশি সবুজ জৈববস্তুও দেয়।

দুই দিকেই ভালো করেছে জোয়ারের তিনটি লাইন। এর সেরাটি তুলনার জন্য রাখা সেরা জাতের চেয়ে দানায় ৯.৩ শতাংশ এবং সবুজ জৈববস্তুতে ৪১.৩ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে। বাজরার দুটি লাইনও দানা ও গোখাদ্যের ভালো সমন্বয় দেখিয়েছে; সেরা বাজরার লাইন দানায় তুলনামূলক সেরা জাতের চেয়ে ৩৩.৯ শতাংশ বেশি ফলন দিলেও এর সবুজ জৈববস্তু ছিল ৩৭.১ শতাংশ কম।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও ইক্রিস্যাটের জোয়ার প্রজননের প্রধান বিজ্ঞানী ড. এফ্রেম হাবিয়ারিমানা এবং বাজরা প্রজননের প্রধান বিজ্ঞানী ড. এস কে গুপ্তার মতে, বাছাই করা লাইনগুলো সৌদি আরবের চাষের পরিবেশ উপযোগী দ্বৈত-উদ্দেশ্যের ফসল নিয়ে আরও পরীক্ষার ভিত্তি। ইক্রিস্যাটের ত্বরান্বিত ফসল উন্নয়ন কর্মসূচির বৈশ্বিক পরিচালক ড. রমন বাবু বলেন, দানা ও গোখাদ্য একসঙ্গে দেওয়ায় এসব ফসল জমির উৎপাদনমূল্য বাড়াতে এবং স্থানীয় পশুখাদ্যের জোগান দিতে পারে।

গবেষকদের মতে, পরের ধাপে কৃষকের ব্যবস্থাপনায় মাঠ পরীক্ষা, গোখাদ্যের মান ও পানির উৎপাদনশীলতা যাচাই, বীজ বর্ধন এবং জাতীয় নিবন্ধনের কাজ হওয়া উচিত। ফলন, খাদ্যমান ও ব্যবহারযোগ্যতা যাচাইয়ে কৃষক ও পশুপালকেরা মূল ভূমিকা রাখবেন। ইক্রিস্যাটের মহাপরিচালক ড. হিমাংশু পাঠক এবং সৌদি আরবে এফএওর কর্মসূচির প্রধান কারিগরি উপদেষ্টা ড. কাকলি ঘোষ স্থানীয় পরিবেশ অনুযায়ী গবেষণার গুরুত্বের কথা বলেন।

লাইনগুলো পরীক্ষায় টিকে গেলে জাজান, আসির উচ্চভূমি ও একই ধরনের শুষ্ক এলাকার কৃষকেরা দেশেই আরও বেশি দানা ও গোখাদ্য ফলাতে পারবেন, আর ফসল ও পশুপালন মিলিয়ে চলা খামারগুলো হবে আরও সহনশীল।

ছবি: দানা পুষ্ট হওয়ার শুরুর পর্যায়ে বাজরা, টিফটন, জর্জিয়া / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: ইক্রিস্যাট

ইক্রিস্যাটসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

মিরপুরে কৃষি কর্মকর্তাদের হাতে স্মার্ট সয়েল সেন্সর, কৃষক পাবেন বাংলায় সারের পরামর্শ

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১৫টি আইওটি-নির্ভর স্মার্ট সয়েল সেন্সর দেওয়া হয়েছে। যন্ত্রটি মাটির ১০টি বৈশিষ্ট্য মেপে কৃষককে কোন সার কতটুকু দিতে হবে, তা বাংলায় প্রিন্ট করে দেবে।

বার্তা২৪৩০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: শক্তিশালী এল নিনোর আঘাত পড়বে ভারতের গ্রামের কুয়া, গমখেত আর খেতমজুরের ওপর

ডাউন টু আর্থে এক লেখায় রঞ্জন পান্ডা বলছেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত এল নিনো প্রায় নিশ্চিতভাবে থাকবে বলে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানাচ্ছে; তাই ভারতের খামার, গ্রামের পানির উৎস আর খেতমজুরদের এখনই প্রস্তুত করতে হবে।

ডাউন টু আর্থ৩০ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্যাটেলাইট তথ্যে প্রতিটি খেতের আলাদা শস্যবিমা

যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ সেজ কাউন্টির গড়ের বদলে প্রতিটি খেতের ঝুঁকি হিসাব করে শস্যবিমার দাম ঠিক করতে চায়। এওন ও অ্যাগ্রিক্যাপের সঙ্গে ২০২৭ সালে ১৫টি অঙ্গরাজ্যের ভুট্টা ও সয়াবিন চাষিদের এই বিমা দেবে তারা।

AgNavigator৩০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)