যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আচ্ছাদন ফসল জরিপ তার ১৪ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম ড্রোন ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন করেছে, আর দেখা গেছে কৃষকেরা ড্রোনকে মূল্য দেন মূলত সময়মতো বীজ ফেলতে পারার জন্য, জানিয়েছে প্রিসিশন ফার্মিং ডিলার। মূল ফসল কাটার পর বা ফাঁকে মাটি ঢেকে রাখতে যে ফসল বোনা হয়, তাকেই আচ্ছাদন ফসল বলে। জরিপটি চালায় কনজারভেশন টেকনোলজি ইনফরমেশন সেন্টার, ইউএসডিএর টেকসই কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা কর্মসূচি এবং আমেরিকান সিড ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন।
উত্তর দেওয়া ৪৫৯ জন আচ্ছাদন ফসল ব্যবহারকারীর মধ্যে ১৩ জন (২.৮ শতাংশ) নিজের ড্রোনে এবং ৬২ জন (১৩.৫ শতাংশ) ভাড়া করা ড্রোন চালক দিয়ে বীজ বুনেছেন। ড্রোন ব্যবহারকারীদের অর্ধেক তাঁদের আচ্ছাদন ফসলের জমির ১ থেকে ২৪ শতাংশে ড্রোন ব্যবহার করেছেন, আর ১২ জন পুরো জমিই ড্রোনে বুনেছেন।
কারণ জানতে চাইলে ৫৪ শতাংশ বলেন, ড্রোনে কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে বোনা সহজ; ৪০ শতাংশের কিছু বেশি নতুন পদ্ধতি পরখ করতে চেয়েছেন; ৩৬.৫ শতাংশ ছোট, অনিয়মিত বা গাছঘেরা জমিতে সহজে পৌঁছানোর কথা বলেছেন; ৩৫ শতাংশের মতে দাঁড়ানো ফসলের মধ্যে বীজ ছিটানো সহজ। প্রায় ৩০ শতাংশ বলেছেন মাটির যন্ত্রের জন্য বেশি ভেজা মাঠেও বোনা যায়, ১৪.৯ শতাংশ বীজ ভালো জায়গায় পড়ার এবং ১০.৮ শতাংশ কম খরচের কথা বলেছেন।
সুবিধা হিসেবে সবচেয়ে বেশি, ৭৫.৪ শতাংশ, বেছে নিয়েছেন সময়মতো বপন; তারপর মাটির সংকোচন কমা (৩০ শতাংশের কিছু বেশি) এবং অন্যান্য আকাশপথ পদ্ধতির চেয়ে ভালো বীজ স্থাপন (২৬ শতাংশ)। প্রায় ২৩ শতাংশ ভালো চারা গজানো ও কম শ্রমের কথা বলেছেন।
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ চারা ঠিকমতো না গজানো, বলেছেন ৪৭.১ শতাংশ; তারপর ওজনসীমার কারণে ধীরগতি (৩৫.৩ শতাংশ), খরচ (২২.১ শতাংশ), চালকের জন্য অপেক্ষা ও বীজ সমানভাবে না ছড়ানো (প্রতিটি ১৯.১ শতাংশ) এবং মিশ্র বীজ সমানভাবে না ছড়ানো (১৪.৭ শতাংশ)। কয়েকজন লিখেছেন, ড্রোন গাছের সারি ও বিদ্যুতের লাইনের কাছে বুনতে পারে না, আর বীজ ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সার দেওয়া যায় না। প্রতিবেদনটি লিখেছেন নোয়া নিউম্যান।
ছবি: Lander Legge, USDA NRCS (soybeans emerging through a rye cover crop) / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Precision Farming Dealer





মন্তব্য
(০)