সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৭ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

হাসপাতাল থাকলেই কি চিকিৎসা মেলে? ঢাকার স্বাস্থ্য নিয়ে তিন প্রশ্ন

ডেইলি স্টারের এক কলামে একেএম ইকবাল বাহার ও রায়হানুল জান্নাত লিখেছেন, ঢাকার স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রশ্ন শুধু হাসপাতালের সংখ্যা নয়, এটি পৌঁছানো, সামর্থ্য ও ন্যায্য বণ্টনের নগর পরিকল্পনার প্রশ্ন।

ঢাকায় হাসপাতালের সংখ্যা দিয়ে শহরের স্বাস্থ্যব্যবস্থা মাপা যায় না বলে মনে করেন একেএম ইকবাল বাহার ও রায়হানুল জান্নাত। দ্য ডেইলি স্টার বাংলায় প্রকাশিত কলামে তাঁরা তিনটি প্রশ্ন তুলেছেন: মুমূর্ষু রোগী কি সময়মতো পৌঁছাতে পারেন, চিকিৎসা কি সামর্থ্যের মধ্যে আছে, আর সেবা কি পুরো শহরে ন্যায্যভাবে বণ্টিত? মতামত লেখকদের নিজস্ব।

প্রথম প্রশ্নে তাঁরা ২০১৯ সালের একটি গবেষণার উল্লেখ করেছেন: যানজটের মধ্যে ঢাকার বস্তি এলাকার মাত্র ৬৩ শতাংশ মানুষ এক ঘণ্টায় অধিকাংশ জরুরি সেবার কাছে পৌঁছাতে পারেন, দগ্ধ রোগীর চিকিৎসায় এই হার ৩২ শতাংশ। তাঁদের ভাষায়, স্বাস্থ্যসেবার দূরত্ব সব সময় কিলোমিটারে মাপা যায় না।

দ্বিতীয় প্রশ্নে তাঁরা বলছেন, প্রধান বাধা অনেক সময় ভৌগোলিক নয়, আর্থিক। পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও ভর্তির খরচ অনেকের নাগালের বাইরে। অমর্ত্য সেনের ক্যাপাবিলিটি এপ্রোচ টেনে তাঁরা লিখেছেন, সেবা থাকলেই কল্যাণ হয় না, মানুষের সেই সেবা ব্যবহারের বাস্তব সক্ষমতা থাকতে হয়।

তৃতীয় প্রশ্ন ন্যায্য বণ্টনের। ২০১৫ সালের একটি গবেষণায় ছয়টি অনানুষ্ঠানিক বস্তিতে ১ হাজার ৪১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র মিলেছিল, যার ৮০ শতাংশের বেশি বেসরকারি, আর সাশ্রয়ী সরকারি তৃতীয় স্তরের হাসপাতালগুলোর বেশির ভাগ ছিল অন্তত তিন কিলোমিটার দূরে।

উদাহরণ হিসেবে তাঁরা ধানমন্ডির কথা বলেছেন। বহু হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এক এলাকায় থাকায় প্রতিদিন বিপুল মানুষ সেখানে যান, সড়কে চাপ পড়ে, ভোগেন এলাকাবাসী, রোগী এবং শহরের অন্য নাগরিকেরাও।

লেখকদের প্রস্তাব, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউএন-হ্যাবিট্যাটের কথামতো স্বাস্থ্যকে পরিবহন, ভূমি ব্যবহার ও নগর পরিচালনার সঙ্গে মিলিয়ে ভাবতে হবে, আর কোথায় নতুন হাসপাতাল দরকার তা তথ্য দেখে ঠিক করতে হবে। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের মতো দ্রুত বাড়তে থাকা শহরেও এটি প্রযোজ্য।

জাতীয় পর্যায়েও একই সমস্যা দেখছেন তাঁরা: ২০২৪ সালের একটি গবেষণায় দেশের ৩৫টি তৃতীয় স্তরের হাসপাতালের ১৬টি ঢাকা জেলায়, যেখানে এমন হাসপাতালের মোট শয্যার প্রায় ৪১ শতাংশ। একেএম ইকবাল বাহার গাজীপুরের কেপিজে নার্সিং কলেজের সহকারী অধ্যাপক, রায়হানুল জান্নাত নগর পরিকল্পনাবিদ।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টারসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

চিকিৎসায় দালাল চক্র বিচ্ছিন্ন অনিয়ম নয়, কাঠামোগত সমস্যা: লিখলেন ডা. করিম রেজা

ডেইলি বাংলাদেশে চিকিৎসক ও সমাজকর্মী এম আর করিম রেজা লিখেছেন, হাসপাতাল থেকে গ্রাম পর্যন্ত কমিশনের জালে রোগীই ভুক্তভোগী। তাঁর দাবি সরকারি সক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগ। মতামত লেখকের নিজের।

ডেইলি বাংলাদেশ৭ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

৮৫ বছরের জীবনে ১৭ বার ঘর ভেঙেছে জয়নাল আবেদীনের: তিস্তাপাড়ের কথা লিখলেন তুহিন ওয়াদুদ

কুড়িগ্রামের তিস্তা ও ধরলাপাড়ের ভাঙনের শিকার মানুষদের কথা প্রথম আলোতে লিখেছেন অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ। তাঁর মতে, সরকার চাইলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব। মতামত লেখকের নিজের।

প্রথম আলো৭ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: খাদ্য শিল্প এত ভালো ধাক্কা সামলাচ্ছে যে ঝুঁকির দাম ধরছে না কেউ

ফিউচার ফুড মুভমেন্টের এক গোলটেবিলের কথা লিখেছেন লুইসা বারউড-টেলর। জলবায়ু ও প্রকৃতির ঝুঁকিতে পরিচালনা পর্ষদ নড়ছে না, অথচ সমাধানের অর্থায়ন কমে গেছে।

এজিফান্ডনিউজ৭ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)