সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস কিমি/ঘ

২৬ কোটির মিনি কোল্ড স্টোরেজ অকার্যকর: ডিএইর তদন্ত বলছে আর সম্প্রসারণ নয়

ডিএইর তদন্ত দল ২৬টি হিমাগার ঘুরে দেখেছে অধিকাংশ বন্ধ বা খুঁড়িয়ে চলছে, সৌরবিদ্যুতের বদলে গ্রিডে চলায় বিল বাড়ছে, আলুতে ১৫ দিনে অঙ্কুর; দুই প্রকল্পে ১৮০টির জায়গায় ১৫০টি হয়েছে, ৫০টি বিদ্যুৎ-সংযোগহীন; বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয় বলে সম্প্রসারণ না করার সুপারিশ।

শাকসবজি

কৃষকদের জন্য সরকারি খরচে বসানো ফার্মার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজগুলো কার্যকর হয়ে ওঠেনি—কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) এক তদন্ত প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। দেশ রূপান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক জানাচ্ছেন, উদ্যোক্তারা অতিরিক্ত ফসল সংরক্ষণ করে পরে ভালো দামে বিক্রি করবেন—এই ধারণায় তৈরি স্টোরেজগুলোর কোনোটি বন্ধ, কোনোটি চললেও কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না, আর দুই প্রকল্পের ২৬ কোটি টাকার খরচ প্রশ্নের মুখে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ বাগমারার উদ্যোক্তা কৃষক মো. আবুল কালাম আজাদের হিমাগারে ১০ কৃষকের দল সবজি রাখলেও তা দ্রুত রং হারাচ্ছে, কুঁচকে যাচ্ছে, আলুতে অঙ্কুর গজাচ্ছে; সোলার প্যানেল না থাকায় উচ্চ বিদ্যুৎ বিল দিয়েও মান ঠিক থাকছে না। মানিকগঞ্জের সিংগাইরের উদ্যোক্তা আতিকুর রহমানের কনটেইনার-স্টোরেজে পরিদর্শনে মিলেছে মাত্র ৫০ কেজি আলু, পেয়ারা ও ড্রাগন ফল—আলুতে ১৫ দিনে অঙ্কুর, পেয়ারা সাত দিনের বেশি রাখা যায় না।

তদন্ত দল সারা দেশে ২৬টি স্টোরেজ পরিদর্শন করে দেখেছে অনেকগুলো অকার্যকর, চালুগুলোও খুঁড়িয়ে চলছে এবং সৌরবিদ্যুতে চলার কথা থাকলেও বেশির ভাগ গ্রিড সংযোগে চলছে। সংরক্ষিত পণ্যের পরিমাণ, বাজারজাতকরণ সুবিধা ও পরিচালন ব্যয় পর্যালোচনায় বর্তমান ব্যবহারের মাত্রায় স্টোরেজ স্থাপন বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয়—তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে আর সম্প্রসারণ না করে অধিকতর গবেষণার পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুপারিশ করেছে দল।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের প্রায় ১২ কোটি টাকায় ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে চলতি জুন পর্যন্ত চলা প্রথম প্রকল্পে ১০০টি ছোট স্টোরেজ হলেও বিদ্যুৎ-সংযোগ না থাকায় ৫০টি এখনো সচল হয়নি; ২০২৫ সালের অক্টোবরে শুরু ১৪ কোটি টাকার দ্বিতীয় প্রকল্পে ৮০টির মধ্যে ৫০টির নির্মাণ শেষ। অর্থাৎ ১৮০টির জায়গায় ১৫০টি হয়েছে, যার বেশির ভাগ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারছে না; স্থান নির্ধারণ নিয়েও মাঠে কৃষকদের অসন্তোষ আছে।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ গত ১৫ জুন বলেছিলেন, এক-দুই বছরে ২০ কৃষকের কমিটি দিয়ে চালানো সম্পূর্ণ সৌরবিদ্যুৎচালিত ২ হাজার ছোট হিমাগার হবে, উপকৃত হবেন প্রায় ৪০ হাজার কৃষক; সেই লক্ষ্যে ‘সৌরশক্তিনির্ভর মিনি হিমাগার ও ফসল সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর ডিপিপিতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। দুই ছোট প্রকল্পের নেতিবাচক ফলাফলের পর বড় প্রকল্পটি আদৌ নেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেবে কৃষি মন্ত্রণালয়।

ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক মো. রওশন আলমের আহ্বায়কত্বে গঠিত সরেজমিন অনুসন্ধান ও প্রভাব মূল্যায়ন কমিটিতে ছিলেন ড. মো. শাখাওয়াত হোসেন শরীফ, ড. মো. মসিউর রহমান, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. আবু সাইয়েম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিটির এক কর্মকর্তা বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই মূল্যায়ন প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী নীতি গ্রহণে সহায়ক হবে।

সূত্র: দেশ রূপান্তর — প্রতিবেদন: নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশ রূপান্তরদা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

হঠাৎ পানি আর বৃষ্টিতে মুন্সীগঞ্জের ২০ কোটি টাকার সবজি চারার বাজারে ধস, পচছে চারা

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পঞ্চসারের ১০ হেক্টরে আগস্ট-ডিসেম্বরে ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়; জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা লাগাতে না পারায় ক্রেতা নেই, আর ভারী বৃষ্টিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা নষ্ট হচ্ছে—৩০-৩৫ বছরে এমন মন্দা দেখেননি চাষিরা।

কৃষি সময়২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

পদ্মার পানিতে রাজশাহীর তিন উপজেলায় ৩০৯ হেক্টরের ফসল প্লাবিত, চরের সবজি পচে গেছে

উজানের পানিতে পবা, বাঘা ও গোদাগাড়ীর চরে ৩০৯ দশমিক ৫৯ হেক্টর ফসলি জমি ডুবেছে—সবজি ৪৫, মাষকলাই ৮৫, হলুদ ১০২ হেক্টরসহ; কসবা ও আলিমগঞ্জের কৃষকদের পটোল, শসা, করলা ও আগাম কপি পচে গেছে, কৃষি বিভাগ বলছে আল উঁচু করে প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল রক্ষা করা গেছে।

প্রথম আলো২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

তিন মাসে ভারতে পেঁয়াজের খুচরা দাম ৮২ শতাংশ বেড়ে কেজি ৫৩.৭৮ রুপি, জোগানে ঘাটতি

সরকারি তথ্যে ১ জুনের ২৯.৫০ রুপি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরে গড় খুচরা দাম ৫৩.৭৮ রুপি, পাইকারি ২২.৬০ থেকে ৪৫.৬৮ রুপি; মহারাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজে ঘাটতি ও নতুন খরিফ ফসলে দেরি কারণ, বাফার স্টক থেকে ৩৫ রুপিতে বিক্রি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবছে সরকার।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()
২৬ কোটির মিনি কোল্ড স্টোরেজ অকার্যকর: ডিএইর তদন্ত বলছে আর সম্প্রসারণ নয় | দা এগ্রো নিউজ