সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস কিমি/ঘ

কফি-কাজু বাদাম দিয়ে পার্বত্য অঞ্চল চিনবে মানুষ: বীর বাহাদুর

সিলেটকে এখন মানুষ যেমন চায়ের নগরী হিসেবে চেনে, একদিন সবাই পার্বত্য অঞ্চলকে কফি ও কাজু বাদামের অঞ্চল হিসেবে চিনবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং।

ফসল

সিলেটকে এখন মানুষ যেমন চায়ের নগরী হিসেবে চেনে, একদিন সবাই পার্বত্য অঞ্চলকে কফি ও কাজু বাদামের অঞ্চল হিসেবে চিনবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং।

রোববার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বীর বাহাদুর উশৈ সিং বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে কফি ও কাজু বাদামের চাষ ভালো হয়। দারিদ্র্য কমিয়ে আনতে কফি ও কাজু বাদাম চাষে জোর দিচ্ছি। এখন সিলেটকে মানুষ যেমন চায়ের নগরী হিসেবে চেনে, তেমনি একদিন পার্বত্য অঞ্চলকে সবাই কফি ও কাজু বাদামের অঞ্চল হিসেবে চিনবে। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি শতভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে সে কথা বলবো না। শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছেঅ মাঝেমধ্যে সংঘর্ষ হয়, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমাধানে সক্ষম।

নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের ৬ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করতে চাওয়ায় বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বীর বাহাদুর উশৈ সিং বলেন, নির্বাচনের বিষয় নির্বাচন কমিশন দেখবে। তারা স্বাধীন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন নির্বাচন হবে অবাধ ও নিরপেক্ষ।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর্যবেক্ষণকে স্বাগত জানাই। নির্বাচন কমিশন অনুমতি দিলে অবশ্যই সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে তাদের জন্য। চাইলে আপনারও (সাংবাদিক) গিয়ে পার্বত্য অঞ্চল ঘুরে আসতে পারেন। গেলেই দেখতে পারবেন পার্বত্য অঞ্চলের কী উন্নয়ন হয়েছে।

এর আগে আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন উন্নয়নচিত্র তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি খাগড়াছড়ি, বান্দরান ও রাঙামাটি জেলা। কিন্তু ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি শাসন-শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তর অবহেলা এ অঞ্চলের অফুরান সম্ভাবনাকে সংকুচিত করেছে।

ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও আর্থ-সামাজিক সূচকে এতকাল এ অঞ্চল ছিল অবহেলিত ও পশ্চাদপদতায় নিমজ্জিত। এমনি প্রেক্ষাপটের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অদম্য সাহসী কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ, সুদূরপ্রসারী ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সই হয়। যার শ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিরাজমান দুই যুগের সংঘাতের অবসান ঘটে, বলেন বীর বাহাদুর।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তিচুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই বৃহত্তর পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থা ও সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামকরণে একটি বিশেষায়িত মন্ত্রণালয় স্থাপন করা হয়। শান্তিচুক্তির ৭২ ধারার মধ্যে এরই মধ্যে ৬৫টি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাকি ৭টি ধারার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মিশ্র ফলের চাষ হচ্ছে। আমরা গরিব মানুষদের বিনামূল্যে সোলার প্যানেল দিচ্ছি। সেই সোনার প্যানেল দিয়ে বাতি জ্বলছে, ফ্যান চলছে। পার্বত্য জেলার বান্দরবান পৌরসভা ও লামা পৌরসভার জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে পানি ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য মাস্টার প্রেইন নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে।

এমএএস/কেএসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

বন্যার ধকল পেরিয়ে চট্টগ্রামে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টরে আমন, লক্ষ্যের প্রায় শতভাগ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে চট্টগ্রামে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর লক্ষ্যের বিপরীতে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টরে আমন রোপণ শেষ; কক্সবাজারে ৯৯ শতাংশ, ফেনীতে ৬৬ হাজার ৮৩৭ হেক্টর, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর লক্ষ্য ছাড়িয়ে; অনুকূল বৃষ্টি, সময়মতো চারা ও বন্যা-পরবর্তী সরকারি সহায়তাকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন কর্মক

বাসস২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আবাদি জমির মাত্র ১২ শতাংশে বিশ্বের অর্ধেক ক্ষুদ্র কৃষকই ২০৫০-এ বাড়তি ১৫০ কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারেন: নতুন বই

‘হোল আর্থ ফার্মিং’ বইয়ে হাইতির স্মলহোল্ডার ফার্মার্স অ্যালায়েন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিউ লক (Hugh Locke) যুক্তি দিয়েছেন, গ্লোবাল সাউথের ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ক্ষুদ্র খামারের প্রায় ২৪ কোটিকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে নিলে ২০৫০ সালের বাড়তি খাদ্যচাহিদার পুরোটা মেটানো যাবে, মাটি ফিরবে, আর বছরে ০.৭২ গিগ

ডাউন টু আর্থ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

রেকর্ড শক্তিশালী এল নিনো আসছে, তবু অস্ট্রেলিয়ায় খরা অনিবার্য নয়: আবহাওয়া ব্যুরো

মডেল বলছে চলতি এল নিনো ১৯৮২–৮৩-কে ছাড়িয়ে যেতে পারে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রির বেশি ওপরে উঠতে পারে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অব মিটিওরোলজির ব্যাখ্যা, আপাতত নিরপেক্ষ ভারত মহাসাগর দ্বিমেরু, উষ্ণ সাগর ও দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নও বসন্ত-গ্রীষ্ম গড়ে দেবে; জলাধা

Beef Central২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()