সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

মুরগি ৪৪ টাকা, ডিম ৫ আর বাচ্চা শূন্য

কিছুদিন আগেও খামারের একেকটা ডিম ৮ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। তা অর্ধেক নেমে একেকটা ৪ থেকে ৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। এখন তা পানির দরে, কেজিপ্রতি ৪৪ থ

কিছুদিন আগেও খামারের একেকটা ডিম ৮ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। তা অর্ধেক নেমে একেকটা ৪ থেকে ৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। এখন তা পানির দরে, কেজিপ্রতি ৪৪ থেকে ৫৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। করোনার প্রভাবে ক্রেতা কমে যাওয়ায় ডিম আর মুরগির ব্যবসায় এমন মন্দা লেগেছ বলে জানিয়েছেন খামারিরা।

গাজীপুরের শ্রীপুরের খামারি খন্দকার মো. মহসিন বলেন, তাঁর খামারে উৎপাদিত ডিম প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে সোয়া ৪ থেকে সোয়া ৫ টাকা দরে।

টাঙ্গাইলের সখীপুরের কালিদাস গ্রামের তরুণ খামারি সাইফুল ইসলাম এক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ৪৪ থেকে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, ‘মুরগি কেউ নিতেই চায় না। যার কাছ থেকে যা পাই, সেই দামে বিক্রি করি।’

দেশের করোনাভাইরাস ঠেকাতে সাধারণ ছুটি শুরু হওয়ার পর যেসব অভ্যন্তরীণ বাজারমুখী খাত ব্যাপক ক্ষতির মুখে, এর মধ্যে পোলট্রি খামারিরা অন্যতম। খামারে মুরগি ডিম পাড়ছে, বিক্রি হচ্ছে না। আলাদা করে রাখা ব্রয়লার মুরগির ওজন বাড়ছে, কিন্তু কেনার লোক কম।

সব মিলিয়ে বড় সংকটে পড়েছেন খামার মালিকেরা। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি খামারি। সাইফুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহে তার ৬ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।

খামারের মালিকদের দাবি, একটি ডিম উৎপাদনে খরচ ৬ টাকার মতো। এখন ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি উৎপাদন খরচ ৯০ টাকার কিছু বেশি। মালিকেরা বলছেন, দাম যখন বেড়ে যায়, তখন চাইলেই উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়তি টাকা আয় করা যায় না। আবার যখন কমে যায়, তখন চাইলেও তাৎক্ষণিক উৎপাদন কমিয়ে ফেলা যায় না। ফলে লোকসান অবধারিত।

ঢাকার মানুষ কি খুব কম দামে ডিম-মুরগি কিনতে পারছে? গতকাল সোমবার ও আজ মঙ্গলবার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির বাদামি ডিম প্রতি ডজন (১২টি) ৮৫ থেকে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অবশ্য পাড়া-মহল্লার কোনো কোনো দোকানে দাম ডজনপ্রতি ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১২৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

ব্রয়লার মুরগির দাম বেশ কয়েক মাস ধরেই কম। ছুটি শুরুর আগে মানুষ যখন আতঙ্কে কেনাকাটা করছিল, তখন ডিমের ডজনপ্রতি দাম ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় ওঠে।

বাংলাদেশ পোলট্রি খামার জাতীয় পরিষদ প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুরগি ও ডিমের দাম সংগ্রহ করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। গতকালের প্রতিবেদনে দেখা যায়, খামার পর্যায়ে সাদা ডিমের প্রতিটির দাম খামারিরা ৪ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত পেয়েছেন। আর বাদামি ডিমের দাম মিলেছে ৫ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত। একইভাবে ব্রয়লার মুরগি বিভিন্ন জেলায় ৬০ টাকা, ৮০ টাকা ও ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

খন্দকার মো. মহসিন পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক নেই। বাজারে চাহিদা নেই। চালকেরা গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামছেন না। সব মিলিয়ে একেক জায়গায় একেক দাম। খামারিরা ভালো দাম পাচ্ছে না। কিন্তু বাজারে ক্রেতারাও এর সুফল ততটা পাচ্ছে না।

প্রথম আলোসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা গড়বে পার্টনার প্রকল্প, ৬০ শতাংশই নারী

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার প্রকল্পে ৬৪ জেলার ২০৮ উপজেলায় ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির কাজ চলছে; এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬,৮৭৫ জন, প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র কিনতে মিলবে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি।

বাসস১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

বাঁশখালী-আনোয়ারা-পটিয়ায় মাঠে নামার অপেক্ষায় ৮ হাজার লবণচাষি, আমদানিতে দামের শঙ্কা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ১০ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আট হাজার চাষি; আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী সপ্তাহেই মাঠে নামবেন তাঁরা, তবে আমদানির সিদ্ধান্তে ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তা।

আমার দেশ১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ঠাকুরগাঁওয়ের হিমাগারে ৩২২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, মৌসুমের বাইরে যাবে জাতীয় গ্রিডে

ঠাকুরগাঁও সদরের লক্ষী কোল্ডস্টোরেজে নিজস্ব অর্থায়নে এক কোটি ২৫ লাখ টাকায় ৩২২ কিলোওয়াটের সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে; এতে হিমাগারের নিজের বিদ্যুতের চাহিদা মিটবে, আর মৌসুমের বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে।

জাগো নিউজ ২৪১০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)