ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫-এর (VB-G RAM G) আওতায় ২২টি কাজ চিহ্নিত করেছে। এসব কাজে পশুখাদ্যের নিরাপত্তা, সমষ্টিগত চারণভূমি ও প্রাণিসম্পদ অবকাঠামো জোরদার করা যাবে।
গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগ এবং প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ বিভাগ যৌথভাবে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে এই নির্দেশনা পাঠিয়েছে। লক্ষ্য পশুখাদ্যের সংকট কমানো এবং প্রাণিসম্পদনির্ভর জীবিকা, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক ও ভূমিহীন পরিবারের আয়ের পথ শক্ত করা।
আইনটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই কার্যকর হয়েছে। এতে গ্রামীণ পরিবারপ্রতি ১২৫ দিনের মজুরিভিত্তিক কাজের নিশ্চয়তা আছে। অনুমোদিত ৩৭৫টি কাজ থেকে বাছাই করা ২২টির মধ্যে আছে পরিবার ও সমষ্টির জন্য পশুখাদ্য চাষ, চারণভূমি ও সিলভিপাসচার, ফডার ব্যাংক, মজুত ও সাইলেজ ইউনিট, গরু, ছাগল, শূকর ও হাঁস-মুরগির শেড, সমষ্টিগত দুধ সংগ্রহকেন্দ্র, পশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র, পানির চৌবাচ্চা এবং অ্যাজোলা ট্যাংক।
স্থানীয় চাহিদা, অনুমোদিত পরিকল্পনা ও নির্দেশিকা অনুযায়ী যৌক্তিক হলে রাজ্যগুলোকে এই খাতে ব্যয় ধাপে ধাপে কর্মসূচির মোট ব্যয়ের অন্তত ৫ শতাংশে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যেসব গ্রাম পঞ্চায়েতে ৩০ শতাংশের বেশি মানুষ প্রাণিসম্পদের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়া যেতে পারে।
পরিকল্পনার নেতৃত্বে থাকবে পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠান, আর কাজগুলো গ্রাম পঞ্চায়েতের পরিকল্পনায় যুক্ত হয়ে গ্রামসভায় অনুমোদন পাবে। আইসিএআর-ইন্ডিয়ান গ্রাসল্যান্ড অ্যান্ড ফডার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রাজ্যভিত্তিক পশুখাদ্য পরিকল্পনা জেলা ও ব্লক পর্যায়ে দিকনির্দেশনা দিতে পারে। নির্দেশনায় বহুবর্ষজীবী ঘাস, উপযুক্ত জাত এবং ফসল ও প্রাণিসম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থায় উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
বাধ্যতামূলক সামাজিক নিরীক্ষা, সাপ্তাহিক প্রকাশ্য তথ্য, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং উপকরণ খাতে জেলা পর্যায়ে ৪০ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমার মতো আইনের সুরক্ষাগুলোর কথাও নির্দেশনায় আবার বলা হয়েছে।
ছবি: Salil Kumar Mukherjee / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)