সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৩°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

রোগ আগেভাগে চেনা, নতুন পশু ২৮ দিন আলাদা: গবাদিপশু পালনের জরুরি অভ্যাস

দক্ষিণ আফ্রিকার রেড মিট ইন্ডাস্ট্রি সার্ভিসেসের এক পরামর্শক জানালেন গরু সুস্থ রাখার প্রতিদিনের নিয়ম: রোগ আগে শনাক্ত করা, ভালো খাবার ও পরিষ্কার পানি, সময়মতো কৃমিনাশক ও টিকা, নতুন পশু আলাদা রাখা এবং প্রতিদিনের হিসাব লেখা।

রোগ আগেভাগে চেনা, নতুন পশু ২৮ দিন আলাদা: গবাদিপশু পালনের জরুরি অভ্যাস
লাইভস্টক

গবাদিপশুর সুস্থতা ওষুধের চেয়ে প্রতিদিনের যত্নের ওপর বেশি নির্ভর করে, বলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার রেড মিট ইন্ডাস্ট্রি সার্ভিসেসের (Red Meat Industry Services, আরএমআইএস) প্রাণিসম্পদ কারিগরি পরামর্শক গচিনিখায়া শান্তিবে (Gcinikhaya Xhantibe)। প্রাণিসম্পদ নিয়ে সাম্প্রতিক এক ওয়েবিনারে তিনি প্রত্যেক খামারির জন্য জরুরি কয়েকটি অভ্যাসের কথা বলেন: রোগ শনাক্ত ও প্রতিরোধ, পুষ্টি, টিকাদান, পরজীবী দমন এবং জৈব নিরাপত্তা।

প্রথম কাজ খামারে রোগ ঢুকতে না দেওয়া, আর অসুস্থ পশুকে এত আগে চেনা যাতে চিকিৎসা দেওয়া যায়। শান্তিবে বলেন, "আমরা ওষুধের দিকে বেশি নজর দিই, পুষ্টির কথা ভুলে যাই।" তাঁর মতে, পশুকে ভালো শারীরিক অবস্থায় রাখতে হবে, আর তার শুরু খাবার থেকে।

দ্রুত পরীক্ষার জন্য তিনি চোখের কথা বলেন। সুস্থ পশুর চোখ উজ্জ্বল ও সজাগ থাকে, পানি পড়ে না; পশুর শরীরে পানির ঘাটতি আছে কি না, তা-ও চোখে বোঝা যায়। খামারিদের পশুর বডি কন্ডিশন স্কোর, অর্থাৎ শরীরের গড়ন কতটা ভালো, তা-ও নিয়মিত দেখতে হবে। পশু খুব রোগা বা খুব মোটা হলে তার প্রজননক্ষমতায় প্রভাব পড়ে।

খাবারের মতোই জরুরি পানি। শান্তিবে বলেন, পশুকে যে পানি খেতে দেওয়া হচ্ছে, তা এমন হতে হবে যা খামারি নিজেও খেতে রাজি। পানি পরিষ্কার হলে পশু বেশি পানি খায়, আর বেশি পানি খেলে তার খাওয়ার রুচিও বাড়ে।

বাছুরের ক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শ, জন্মের তিন মাসে কৃমিনাশক দিতে হবে, ছয় মাসে টিকা। বছরের টিকাদান কর্মসূচি ঠিক করতে খামারিদের নিজ এলাকার সরকারি পশুচিকিৎসক বা প্রাণিস্বাস্থ্য কর্মীর কাছে যাওয়া উচিত, কারণ ওই এলাকায় কোন রোগ হয়, তা তাঁরাই সবচেয়ে ভালো জানেন।

জৈব নিরাপত্তাকে তিনি প্রথম প্রতিরক্ষা বলেন। খামারে নতুন আনা পশুকে ২৮ দিন আলাদা রাখতে হবে, এবং এ সময়ে অসুস্থতার কোনো লক্ষণ না দেখা দিলে তবেই পালের সঙ্গে মেশাতে হবে।

সবশেষে হিসাব রাখা। শান্তিবে খামারিদের প্রতিদিন পশুর জন্য যা যা করা হলো, সব লিখে রাখতে বলেন; দীর্ঘ মেয়াদে এই অভ্যাস কাজে দেয় বলে তাঁর মত।

মূল প্রতিবেদন: ওলওয়াম এমনিয়ান্দে, Food for Mzansi।

ছবি: Justinjerez / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: Food for Mzansi

ফুড ফর মজানসিসূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তিতে গরুর জাত উন্নয়ন, দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ খামারিদের পাশে বিশ্ববিদ্যালয়

কৃত্রিম প্রজনন, গরুর গরম আসা একসঙ্গে মেলানো আর প্রজননের হিসাব রাখার প্রযুক্তি দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটালের ৩৩ জন সাধারণ খামারির কাছে নিয়ে যাচ্ছে মাঙ্গোসুথু ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি; রয়্যাল শোর নতুন প্রযুক্তি কেন্দ্রে কাজটি তুলে ধরা হয়।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা১০ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

ক্ষুরারোগের মধ্যেও দশকের সেরা পশু প্রদর্শনী দক্ষিণ আফ্রিকার নাম্পো আলফায়

কড়া জৈব নিরাপত্তা ও টিকার শর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার নাম্পো আলফা মেলায় পশু ফিরেছে, দুই দিনে প্রায় ৫ হাজার দর্শনার্থী এসেছেন; ২০২৭ সালে আফ্রিকা লাইভস্টক কনফারেন্সের পরিকল্পনা করছেন আয়োজকেরা।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

ডিম উৎপাদন ১৫ বছরে চার গুণ, তবু শিশুর পাতে পৌঁছায়নি: হুমায়ুন কবিরের কলাম

বিশ্ব ডিম দিবসে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ কে এম হুমায়ুন কবির লিখেছেন, দেশে ডিম উৎপাদন ২০১০-১১ সালের ৬০৮ কোটি থেকে ২০২৪-২৫ সালে ২,৪৪১ কোটিতে উঠেছে, কিন্তু শিশুদের পুষ্টিতে সেই সাফল্য কাজে লাগাতে হবে।

প্রথম আলো১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)