সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

দুর্ভিক্ষ আর মহামারিতে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন খলিফা ওমর (রা.)

হিজরি ১৮ সনে হিজাজের দুর্ভিক্ষ "আম আর-রামাদাহ" ও শামের আমওয়াস মহামারি সামলাতে খলিফা ওমর (রা.) কোষাগার খুলে দেন, প্রদেশ থেকে খাদ্য আনান, জাকাত আদায় স্থগিত করেন এবং মহামারি অঞ্চলে প্রবেশ না করার সিদ্ধান্ত নেন।

হিজরি ১৮ সনের দিকে মুসলিম সাম্রাজ্য পরপর দুটি বড় দুর্যোগে পড়েছিল: হিজাজে দুর্ভিক্ষ "আম আর-রামাদাহ" এবং শাম অঞ্চলে আমওয়াস মহামারি। খলিফা ওমর (রা.) সেগুলো কীভাবে সামলেছিলেন, প্রথম আলোর ধর্ম পাতায় ইতিহাসের সূত্র ধরে তা তুলে ধরা হয়েছে।

হিজরি ১৭ সনের শেষ থেকে ১৮ সনের শুরু পর্যন্ত প্রায় নয় মাস হিজাজে বৃষ্টি হয়নি। খেতের ফসল শুকিয়ে যায়, গবাদিপশু মারা যায়, মদিনা ও আশপাশে ক্ষুধা ছড়িয়ে পড়ে। মাটি শুকিয়ে ছাইয়ের মতো হয়ে যাওয়ায় বছরটিকে বলা হয় "ভস্মের বছর" (ইবনে সাদ, আত-তাবাকাতুল কুবরা)।

সংকট শুরু হতেই খলিফা মদিনার বাইতুল মাল থেকে খাদ্যশস্য ও অর্থ বিলিয়ে দেন, একসময় কোষাগার শূন্য হয়ে যায়। এরপর তিনি ইরাকের গভর্নর আবু মুসা আশআরি (রা.) এবং ফিলিস্তিন ও মিসরের দায়িত্বে থাকা আমর ইবনুল আসকে (রা.) চিঠি লিখে সাহায্য চান। প্রদেশগুলো থেকে খাদ্যবোঝাই উটের কাফেলা আসে; আমর ইবনুল আস লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে জেদ্দা বন্দরে খাদ্যের জাহাজ পাঠান। প্রতিটি অনাহারী পরিবার যেন সমানভাবে খাবার পায়, সে জন্য তদারকি কমিটিও গঠন করা হয়।

দুর্ভিক্ষের সময় তিনি জাকাত ও কর আদায় স্থগিত রাখেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তা আদায়ের ব্যবস্থা করেন। ক্ষুধার তাড়নায় জীবন বাঁচাতে কেউ চুরি করলে তার হাত কাটা হবে না, এমন নীতিও ঘোষণা করেন। নিজে ঘি, দুধ ও গোশত খাওয়া ছেড়ে দেন; দিনের পর দিন সিরকা ও জয়তুনের তেল দিয়ে শুকনো রুটি খেতেন। নয় মাস পর বৃষ্টি নামলে দুর্ভিক্ষের অবসান হয়।

এর পরপরই শামে আমওয়াস মহামারি ছড়ায়, আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ ও মুআজ ইবনে জাবালসহ (রা.) বহু সাহাবি মারা যান। সিরিয়ার পথে "সারগ" নামের জায়গায় পৌঁছে খলিফা পরামর্শ সভা ডাকেন; অধিকাংশের মত ছিল মহামারি অঞ্চলে না ঢোকা। আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) তখন নবীজির (সা.) হাদিস শোনান: কোথাও মহামারির খবর শুনলে সেখানে প্রবেশ করবে না, আর নিজের এলাকায় দেখা দিলে পালিয়ে বের হবে না (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৭২৯)। খলিফা মদিনায় ফিরে যান।

মহামারি শেষে তিনি নিজে শাম সফরে গিয়ে প্রশাসন পুনর্গঠন করেন, শূন্য পদে নতুন গভর্নর নিয়োগ দেন এবং মৃতদের রেখে যাওয়া সম্পদ বণ্টনের ব্যবস্থা করেন। লেখায় এসব সিদ্ধান্তকে দূরদর্শী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জনকল্যাণমূলক শাসনের দৃষ্টান্ত বলা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

ইসলাম

সম্পর্কিত খবর

ইসলাম

ওমরাহ ও ভিজিট ভিসায় মদিনায় গেলে মসজিদে নববিতে বিনা খরচে কোরআন শিক্ষা

ওমরাহ বা যেকোনো ভিজিট ভিসায় মদিনায় যাওয়া বিদেশি দর্শনার্থীরা এখন মসজিদে নববিতে বিনা ফিতে কোরআন ক্লাসে অংশ নিতে পারছেন; মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করেছে ছয় সপ্তাহের আরবি ভাষা কোর্স।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ইসলাম

সংস্কার শেষে খুলল আলেপ্পোর ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদ

সিরিয়ার আলেপ্পোর ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদ সংস্কার শেষে ৮ অক্টোবর আবার খুলে দেওয়া হয়েছে; ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে কাজ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

বার্তা২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ইসলাম

মসজিদে মোবাইল, হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক: কী বলছেন আলেম

মুফতি আব্দুল কাইয়ুম বলছেন, মসজিদের আদব রেখে একান্ত প্রয়োজনে ফোন ব্যবহার করা যায়, তবে বিনোদন, অপ্রয়োজনীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আর মুসল্লিদের বিঘ্ন ঘটানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

ইত্তেফাক১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)