বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) এ পর্যন্ত অগ্রগতি, অর্জন ও সামনের পরিকল্পনা নিয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরে একটি কর্মশালা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে ষষ্ঠ গ্রেড ও তার ওপরের বিজ্ঞানীদের জন্য ‘আধুনিক অফিস ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রকিউরমেন্ট’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণও শুরু হয়।
ব্রি আয়োজিত এই কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সেলিম খান। সভাপতিত্ব করেন ব্রির মহাপরিচালক ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি কৃষিবিজ্ঞানীদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ‘নেপথ্য কারিগর’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার মেধাবী কৃষিবিজ্ঞানীদের যথাযথ মূল্যায়ন করবে।”
সচিব আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ধান গবেষণার বিজ্ঞানীরা নিরলস কাজ করছেন, আর তাঁদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের ফলে দেশের ধান উৎপাদন এগিয়ে যাচ্ছে।
কর্মশালায় ব্রির সাম্প্রতিক কাজের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়—ধান গবেষণা, নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ধানের উৎপাদন বাড়ানো এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকের কাছে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার অগ্রগতি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় কয়েকটি বিষয়ে জোর দেওয়া হয়: ধানের উৎপাদন আরও বাড়ানো, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, কৃষকের জন্য আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা।
দেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধানের জাত ও চাষপ্রযুক্তি উদ্ভাবনের জাতীয় প্রতিষ্ঠান ব্রি; এর গবেষণার দিকনির্দেশনা সরাসরি কৃষকের মাঠের ফলন ও খরচের সঙ্গে যুক্ত। প্রতিবেদনটি এগ্রিকেয়ার২৪-এর নিজস্ব প্রতিবেদকের।
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪





মন্তব্য
(০)