আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার (ASF) ব্রিটেনে এলে শূকর খাত ও সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, আর এখনো এমন বড় ঝুঁকি আছে যা সাড়া দেওয়ার গতি কমিয়ে দিতে পারে। লেভি বোর্ড এএইচডিবি (AHDB) ২০২৬ সালের মার্চে শূকরের মাংসের সরবরাহ ব্যবস্থার নানা পক্ষকে নিয়ে যে চারটি কর্মশালা করেছিল, তার প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনের সতর্কতা, প্রাদুর্ভাবের সময় দেরি, অনিশ্চয়তা বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অসম প্রয়োগ বিভ্রান্তি, ব্যাঘাত ও প্রাণিকল্যাণের ক্ষতি বাড়াতে পারে এবং দেশে ও বিদেশে আস্থা নষ্ট করতে পারে। অংশগ্রহণকারীরা স্পষ্ট, সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সহজলভ্য নির্দেশনা এবং সমন্বিত যোগাযোগ চেয়েছেন।
উচ্চ ঝুঁকির অনেক ক্ষেত্র চিহ্নিত হয়েছে: অবৈধ আমদানি, বুনো শূকর ব্যবস্থাপনা, ছোট ও সহজে নাগাল না পাওয়া পালনকারীদের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ ও পশুচিকিৎসা সক্ষমতার ঘাটতি এবং পরিবহন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সীমাবদ্ধতা। সংক্রমণের সূত্র খোঁজা, দর্শনার্থীর নথি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য চলাচলও প্রাদুর্ভাবের সময় সিদ্ধান্ত ধীর করতে পারে।
কর্মশালায় এমন প্রশ্নও উঠেছে, যার স্পষ্ট উত্তর এখনো নেই। একসঙ্গে একাধিক রোগের প্রাদুর্ভাব হলে নজরদারির সক্ষমতা কতটুকু, শোধিত পণ্য ভোক্তা ও খুচরা বিক্রেতারা নেবেন কি না, এবং বুনো শূকরে রোগ ছড়ালে পুনরুদ্ধারে কতটা সময় লাগবে। এসব নিয়ে আরও আলোচনা, মডেলিং ও মহড়া দরকার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শিল্পের মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য ও আর্থিক সক্ষমতাসহ সার্বিক সুস্থতায় সহায়তার গুরুত্বও জোরালোভাবে উঠে এসেছে।
কয়েকটি অগ্রাধিকারের কাজ শুরু হয়েছে, যেমন নতুন অর্থনৈতিক প্রভাব মূল্যায়ন, ছোট ও দুর্লভ জাতের পালনকারীদের জন্য যোগাযোগ কার্যক্রম এবং প্রক্রিয়াজাতকারীদের জন্য একটি কর্মশালা। আগামী বসন্তে অংশীদারেরা আবার বসে অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। প্রতিবেদনের ভাষ্য, ব্রিটেনে রোগটি পৌঁছানোর আগেই এই গতি ধরে রাখা এড়ানো সম্ভব ক্ষতি কমানো ও দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিবেদক: অ্যালিস্টার ড্রাইভার, Pig World।
ছবি: Hugh Venables / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Pig World





মন্তব্য
(০)