পরীক্ষাগারের মতো পশুখাদ্য বিশ্লেষণ খামারেই আনার একটি যৌথ ব্যবস্থা দেখাতে যাচ্ছে ইউরোফিনস এগ্রো টেস্টিং (Eurofins Agro Testing) ও বিএএসএফের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ট্রিনামিক্স (trinamiX)। জার্মানির হ্যানোভারে ইউরোটিয়ার ২০২৬ মেলায় তারা এটি উপস্থাপন করবে। এতে ট্রিনামিক্সের বহনযোগ্য নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইউরোফিনসের ক্যালিব্রেশন মডেল।
প্রতিষ্ঠান দুটির যুক্তি পশুখাদ্যের মানের ওঠানামা নিয়ে। আবহাওয়া, ফসল কাটার সময় ও সাইলেজ তৈরির পদ্ধতিভেদে খাদ্যের মান বদলায়, আর এসব অল্প সময়ের পরিবর্তন প্রায়ই চোখে পড়ে না। তারা বলছে, বেশি বেশি মাপলে সিদ্ধান্ত ভালো হয়, পশুর খাদ্য তালিকাও আরও নির্ভুলভাবে ঠিক করা যায়।
ব্যবহারকারী মাঠে, সাইলোতে বা গোয়ালে দাঁড়িয়ে বহনযোগ্য ট্রিনামিক্স প্যাল টু (PAL Two) স্পেকট্রোমিটারে নমুনা পরীক্ষা করবেন। যন্ত্রটি নমুনার নিয়ার-ইনফ্রারেড বর্ণালি নিয়ে ক্লাউডে পাঠায়, সেখানে ইউরোফিনসের মডেলে বিশ্লেষণ হয়। কয়েক সেকেন্ডেই ফল আসে স্মার্টফোনে ও যন্ত্রের পর্দায়।
এতে জানা যায় শুষ্ক পদার্থ, অপরিশোধিত প্রোটিন, অপরিশোধিত আঁশ, শ্বেতসার, চিনি এবং বিভিন্ন দেশের মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী শক্তির মান। তাজা ঘাস, সাইলেজ, খড়, দানাশস্য, তেলবীজ, খৈল ও তৈরি পশুখাদ্যে এটি কাজ করে, গবাদিপশু ও ঘোড়া দুয়ের খাদ্যেই।
প্রতিষ্ঠান দুটির মতে, বিশেষ করে লাভবান হবেন পশুখাদ্য পরামর্শকেরা। তাঁরা খামারির সঙ্গে দাঁড়িয়েই মান যাচাই করে ফলের ভিত্তিতে পরামর্শ দিতে পারবেন। তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহক পোর্টালে জমা থাকে, সেখানে তুলনা ও নথিবদ্ধ করা যায়, প্রতিবেদন খামার ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থায়ও নেওয়া যায়।
এসব তথ্য প্রস্তুতকারকদের দেওয়া বিবরণ। ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর মেলার ২০ নম্বর হলের এ৬০ বুথে ব্যবস্থাটি দেখানো হবে।
ছবি: Mark Anderson / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার


মন্তব্য
(০)