সেপ্টেম্বরে ব্রাজিল ২,৬৮৬ টন তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ডিম রপ্তানি করেছে, যা ২০২৫ সালের একই মাসের ২,০৭৬ টনের চেয়ে ২৯.৪ শতাংশ বেশি। তথ্যটি দিয়েছে দেশটির প্রাণিজ আমিষ উৎপাদকদের সংগঠন ব্রাজিলিয়ান অ্যানিমেল প্রোটিন অ্যাসোসিয়েশন (এবিপিএ)। আয় ৬ শতাংশ বেড়ে ৫৫ লাখ ৩৬ হাজার ডলার থেকে ৫৮ লাখ ৬৬ হাজার ডলারে উঠেছে।
বছরের হিসাব অবশ্য উল্টো। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ২২,৬৬৯ টন, আগের বছরের ৩৪,৩৭৮ টনের চেয়ে ৩৪.১ শতাংশ কম। আয় ৩৮.৪ শতাংশ কমে ৮ কোটি ৮ লাখ ৩২ হাজার ডলার থেকে ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬৯ হাজার ডলারে নেমেছে।
এবিপিএ বলছে, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল কেনাকাটার কারণে এই তুলনা বিকৃত দেখাচ্ছে; তখন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জায় সেখানে সরবরাহ কমে গিয়েছিল। গত বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল থেকে ১৯,৫১৫ টন ডিম কিনেছিল, এ বছর একই সময়ে কিনেছে মাত্র ১৬৮ টন। দুই বছরেই যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিলে ব্রাজিলের রপ্তানি ১৪,৮৬৩ টন থেকে ২২,৫০১ টনে, অর্থাৎ ৫১.৪ শতাংশ বেড়েছে।
সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি ডিম গেছে চিলিতে, ১,২০৪ টন, যা আগের বছরের ৪০০ টনের চেয়ে ২০১.৩ শতাংশ বেশি। এরপর জাপান নিয়েছে ৩৫১ টন (৬৯২ টন থেকে ৪৯.৩ শতাংশ কম), ইকুয়েডর ৩০০ টন, মেক্সিকো ২৪৪ টন (২.৬ শতাংশ কম) এবং সিয়েরা লিওন ১৩৫ টন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইকুয়েডর ও সিয়েরা লিওনে কোনো চালান যায়নি।
এবিপিএর প্রেসিডেন্ট রিকার্দো সান্তিন বলেন, সেপ্টেম্বরের প্রবৃদ্ধি এবং চিলি ও ইকুয়েডরের মতো বাজারে বিক্রি বাড়া দেখায় যে ব্রাজিলের ডিমের গন্তব্য বৈচিত্র্যময় হচ্ছে। তাঁর মতে, মোট হিসাবের পতনের মূল কারণ ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যতিক্রমী কেনাকাটা।
এই পরিসংখ্যান দেখায়, একটি বড় উৎপাদক দেশে রোগের প্রাদুর্ভাব কত দ্রুত অন্যদের বাণিজ্য বদলে দিতে পারে: গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি ব্রাজিলের ডিম টেনে নিয়েছিল, আর এ বছর ব্রাজিল লাতিন আমেরিকা, এশিয়া ও আফ্রিকায় বিক্রি ছড়িয়ে দিচ্ছে।
দ্য পোলট্রি সাইটের পক্ষে তথ্যগুলো জানিয়েছেন মেলানি এপ।
ছবি: Edward Betts / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)