সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস কিমি/ঘ

শীত কমতেই দিনাজপুরে বোরো চারা রোপণের ধুম

দিনাজপুরে কমতে শুরু করেছে শীত। বাড়ছে তাপমাত্রা। আর শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে বোরো চারা রোপণে মাঠে নেমে পড়েছেন কৃষকরা। মাঠজুড়ে কাজ করছেন কৃষক ও কৃষি শ্রমিকরা। দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বোরো চারা উত্তোলন, রোপণ ও জমিতে হালচাষ দিতে দেখা যায় কৃষকদের।

ফসল

দিনাজপুরে কমতে শুরু করেছে শীত। বাড়ছে তাপমাত্রা। আর শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে বোরো চারা রোপণে মাঠে নেমে পড়েছেন কৃষকরা। মাঠজুড়ে কাজ করছেন কৃষক ও কৃষি শ্রমিকরা। দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বোরো চারা উত্তোলন, রোপণ ও জমিতে হালচাষ দিতে দেখা যায় কৃষকদের।

পৌষের শেষেই সাধারণত দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চলে বোরো চারা রোপণ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এবার অন্যান্যবারের চেয়ে শীত ও কুয়াশা বেশি। তাই জেলায় অনেক বোরো বীজতলা বিবর্ণ ও নষ্ট হয়ে যায়। যে কারণে ইচ্ছা থাকলেও বোরো চারা রোপণ করতে পারেননি কৃষকরা। কারণ শীত ও কুয়াশায় চারা বাড়ে কম। কিন্তু গত চারদিন ধরে একটু একটু করে শীত কমতে শুরু করেছে জেলায়। বাড়ছে তাপমাত্রা। আর তাই তাপমাত্রা একটু বাড়তেই কৃষকরা মাঠে নেমে পড়েছেন।

তবে জেলার দক্ষিণাঞ্চলে বোরো চারা রোপণ শুরু হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা এখনো মাঠে নামেননি।

রোববার (২২ জানুয়ারি) বিরামপুর উপজেলার আমবাড়ী বালুপাড়া, হুগলি পাড়া, চিরিরবন্দর উপজেলার পুনট্রি, মুছা শাহা ও আমতলি এলাকায় ব্যাপকভাবে বোরো চারা রোপণের দৃশ্য দেখা গেছে। বীজতলা থেকে চারা তোলা, বোরো চারা রোপণ ও হাল চাষ দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও শ্রমিকরা।

আরো পড়ুন- দিনাজপুরে ঘন কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো ধানের বীজতলা

বিরামপুর উপজেলার আমবাড়ী বালুপাড়া গ্রামের কৃষক আছিম উদ্দিন জানান, তিনি অন্যান্যবার এ সময় বোরো চারা রোপণ করে ফেলেন। কিন্তু এবার শীত বেশি হওয়ায় একটু দেরিতে চারা রোপণ শুরু করেছেন।

চিরিরবন্দর উপজেলার পুনট্রি এলাকার একরামুল হক জানান, তিনি সাত বিঘা জামতে বোরো ধান চাষ করবেন। শীত ও কুয়াশার কারণে এবার দেরিতে মাঠে নেমেছেন। তবে সার কীটনাশক সঠিক সময় সরবরাহ ও দাম কম পাওয়ায় তিনি এই সামান্য সময় পিছিয়ে যাওয়াকে সমস্যা মনে করছেন না।

কৃষি শ্রমিক আব্দুল মালেক বলেন, এবার এক সপ্তাহ বিলম্বে বোরো চারা রোপণ শুরু হয়েছে। এখন চারদিক থেকে জমির মালিকদের ডাক শুরু হয়েছে।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এবার ৯ হাজার ৪৩৭ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন- দিনাজপুরে শীতে বাধাগ্রস্ত বোরো আবাদ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নূরুজ্জামান বলেন, অতিমাত্রার শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে কৃষক একটু সময় নিয়ে মাঠে নেমেছে। তাপমাত্রা বাড়ছে। অল্প সময়ে বোরো চারা রোপণের মধ্য দিয়ে মাঠ ভরে যাবে। কৃষক আমন ধানের দাম পেয়েছে। বোরো চাষ লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। সার কীটনাশকের কোনো সংকট নেই।

আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবহাওয়া সহকারী মো. আসাদুজ্জামান জানান, দিনাজপুরে ১৯ তারিখ থেকে একটু একটু করে তাপমাত্রা বাড়ছে। শীত ও কুয়াশা কমছে।

এমদাদুল হক মিলন/এফএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

বন্যার ধকল পেরিয়ে চট্টগ্রামে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টরে আমন, লক্ষ্যের প্রায় শতভাগ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে চট্টগ্রামে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর লক্ষ্যের বিপরীতে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টরে আমন রোপণ শেষ; কক্সবাজারে ৯৯ শতাংশ, ফেনীতে ৬৬ হাজার ৮৩৭ হেক্টর, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর লক্ষ্য ছাড়িয়ে; অনুকূল বৃষ্টি, সময়মতো চারা ও বন্যা-পরবর্তী সরকারি সহায়তাকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন কর্মক

বাসস২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আবাদি জমির মাত্র ১২ শতাংশে বিশ্বের অর্ধেক ক্ষুদ্র কৃষকই ২০৫০-এ বাড়তি ১৫০ কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারেন: নতুন বই

‘হোল আর্থ ফার্মিং’ বইয়ে হাইতির স্মলহোল্ডার ফার্মার্স অ্যালায়েন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিউ লক (Hugh Locke) যুক্তি দিয়েছেন, গ্লোবাল সাউথের ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ক্ষুদ্র খামারের প্রায় ২৪ কোটিকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে নিলে ২০৫০ সালের বাড়তি খাদ্যচাহিদার পুরোটা মেটানো যাবে, মাটি ফিরবে, আর বছরে ০.৭২ গিগ

ডাউন টু আর্থ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

রেকর্ড শক্তিশালী এল নিনো আসছে, তবু অস্ট্রেলিয়ায় খরা অনিবার্য নয়: আবহাওয়া ব্যুরো

মডেল বলছে চলতি এল নিনো ১৯৮২–৮৩-কে ছাড়িয়ে যেতে পারে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রির বেশি ওপরে উঠতে পারে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অব মিটিওরোলজির ব্যাখ্যা, আপাতত নিরপেক্ষ ভারত মহাসাগর দ্বিমেরু, উষ্ণ সাগর ও দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নও বসন্ত-গ্রীষ্ম গড়ে দেবে; জলাধা

Beef Central২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()