সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৮ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বগুড়ায় এক বছরে ২ লাখ ৪৫ হাজার টন জৈব সার, বাজারমূল্য ১৭২ কোটি টাকা

কৃষি বিভাগের হিসাবে গত অর্থবছরে বগুড়ায় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬০৭ টন জৈব সার তৈরি হয়েছে, যার দাম প্রায় ১৭২ কোটি টাকা। গোবর, পাতা, খড় আর গৃহস্থালির বর্জ্যে তৈরি এই সার যাচ্ছে সারা দেশে, কাজ পেয়েছেন অন্তত ৭০০ মানুষ।

বগুড়ায় এক বছরে ২ লাখ ৪৫ হাজার টন জৈব সার, বাজারমূল্য ১৭২ কোটি টাকা
জৈব

বগুড়ায় জৈব সার উৎপাদন আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসাবে গত অর্থবছরে জেলায় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬০৭ টন জৈব সার তৈরি হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৭২ কোটি টাকা। গোবর, গাছের পাতা, খড়কুটো আর গৃহস্থালির বর্জ্য দিয়ে তৈরি এই সার স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের নানা প্রান্তে। এ খাতে সরাসরি কাজ পেয়েছেন অন্তত ৭০০ জন।

মোট উৎপাদনের মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় তৈরি হয়েছে ১৪ হাজার ৮৯ টন, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো করেছে ২৪ হাজার ১৩০ টন, আর বাকি ২ লাখ ৭ হাজার ৩৮৮ টন এসেছে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তার হাত থেকে।

শেরপুরের উদ্যোক্তা সুরাইয়া ফারহানা রেশমা প্রায় শূন্য থেকে এ কাজ শুরু করেছিলেন। এখন তাঁর সম্পদ ২ কোটি টাকার বেশি, প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন ১৫ জন। দেশের বিভিন্ন এলাকার অন্তত ৭০০ উদ্যোক্তা তাঁর কাছ থেকে জৈব সার তৈরির প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

বগুড়া সদরের বাঘোপাড়ার বিরতি খাতুন ও রাশেদুল ইসলাম রূপম দম্পতি আট বছর আগে পারিবারিক নার্সারির প্রয়োজনে মাত্র ৩০ হাজার টাকায় সার তৈরি শুরু করেন। এখন নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে মাসে অন্তত ৫ লাখ টাকার সার বিক্রি করেন, কাজ করেন আরও ২০ জন। বিরতি খাতুন জানান, নার্সারিতে রাসায়নিক সারে মাটির ক্ষতি দেখে তাঁরা জৈব সারের দিকে যান; সবজির খোসা, পাতা, খড় আর মুরগির বিষ্ঠা দিয়ে এখন ভার্মি কম্পোস্ট ও ট্রাইকো কম্পোস্ট, দুই ধরনের সার তৈরি করেন।

ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি জেলায় গড়ে উঠেছে বাণিজ্যিক খাতও। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক দশক ধরে বগুড়ায় জৈব সার তৈরি হচ্ছে, বাণিজ্যিক উৎপাদন বেশি সদর, শেরপুর, সারিয়াকান্দি, শিবগঞ্জ ও গাবতলীতে। জেলায় নিবন্ধিত সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সাতটি, আর ছোট-বড় প্রায় ১৫০ জন উদ্যোক্তা এ কাজে যুক্ত।

উদ্যোক্তারা যেমন লাভ করছেন, তেমনি স্থানীয় চাষিরাও এই সার ব্যবহার করে ফসল ও সবজির ভালো ফলন পাচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছেন কৃষি সময়ের বগুড়া সংবাদদাতা।

ছবি: তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

জৈব

সম্পর্কিত খবর

জৈব

দামুড়হুদার কৃষকদের জৈবসার বাড়াতে ও কীটনাশক কমাতে পরামর্শ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কৃষকদের পরামর্শ সভায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বললেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক মাটি, পানি ও উপকারী পোকার ক্ষতি করে; জৈবসার ও আইপিএম পদ্ধতিই নিরাপদ পথ।

বাংলা নিউজ ২৪৭ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পাঁচ নারী থেকে ১২০ পরিবার: ফুলবাড়িয়ার নাটুয়াপাড়া এখন কেঁচো সারের গ্রামজৈব

পাঁচ নারী থেকে ১২০ পরিবার: ফুলবাড়িয়ার নাটুয়াপাড়া এখন কেঁচো সারের গ্রাম

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার নাটুয়াপাড়ায় ১২০টি পরিবার মাসে ১০ থেকে ১২ টন কেঁচো সার উৎপাদন ও বিক্রি করছে। শুরুটা ২০১৬ সালে, পাঁচ নারীর তিন দিনের প্রশিক্ষণে।

কৃষি সময়৭ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ভুট্টার খড়ে লুকানো সার: হিসাব দিলেন ইলিনয়ের গবেষকেরাফসল

ভুট্টার খড়ে লুকানো সার: হিসাব দিলেন ইলিনয়ের গবেষকেরা

এক টন অবশিষ্টাংশে থাকে প্রায় ২০ পাউন্ড নাইট্রোজেন। একরে ২৩০ বুশেল ভুট্টা থেকে পাওয়া যায় সাড়ে পাঁচ টন, বলছেন ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক।

Farms.com৭ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)