প্রাণিসম্পদ খাতের টিকার চাহিদা পুরোপুরি দেশীয় উৎপাদনে মেটাতে বিজ্ঞানী ও গবেষকদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তাঁর মতে, উৎপাদন শতভাগে তোলা গেলে দেশের অর্থ সাশ্রয় হবে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) সম্মেলনকক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো এবং গবেষণার ফল উৎপাদন ও মাঠপর্যায়ে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের চাহিদা মেটানোর পর প্রাণিসম্পদজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো সরকারের লক্ষ্য। রপ্তানি শুরু হয়েছে, এর অংশ হিসেবে নাইজেরিয়ায় হ্যাচিং ডিম রপ্তানি করা হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা এবং প্রাণী ও মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল পুষ্টিচাহিদা পূরণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবসম্মত গবেষণা প্রকল্প নেওয়ার আহ্বান জানান। কৃষিজমি নষ্ট না করে বিকল্প জমি ও সম্পদ কাজে লাগিয়ে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন বাড়ানোর কথাও বলেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী বিএলআরআইয়ের ক্যাটল ও ভেড়া গবেষণা খামার এবং সাভারের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শন করেন।
খামারিদের জন্য দেশে টিকা উৎপাদনের অর্থ আমদানির ওপর কম নির্ভরতা; তবে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে কোন টিকা, কবে নাগাদ বা কত খরচে, তার সময়সূচি দেওয়া হয়নি।
ছবি: গরুকে টিকা দিচ্ছে একটি পশুচিকিৎসক দল, Spc. Landon Stephenson, U.S. Army / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: কৃষি সংবাদ





মন্তব্য
(০)