সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°মেঘলাআর্দ্রতা ৮৬%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

আইওটি সেন্সরে চলা কম খরচের পেঁয়াজ সংরক্ষণ যন্ত্র উদ্ভাবন বাকৃবির গবেষকদের

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি আইওটি-নির্ভর সংরক্ষণ ব্যবস্থা সেন্সরে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও পচনের গ্যাস মেপে নিজে থেকে ফ্যান চালায়। ৮০ দিনের পরীক্ষায় বাজারজাতযোগ্য পেঁয়াজ ৬৮.২২ থেকে বেড়ে ৭৬.৮১ শতাংশ হয়েছে।

আইওটি সেন্সরে চলা কম খরচের পেঁয়াজ সংরক্ষণ যন্ত্র উদ্ভাবন বাকৃবির গবেষকদের
এগ্রোটেক

পেঁয়াজ মজুত রাখলে পচন, অঙ্কুর গজানো আর ওজন কমে যাওয়ায় কৃষকের লোকসান হয়। এই সমস্যা কমাতে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্বয়ংক্রিয় পেঁয়াজ সংরক্ষণ ব্যবস্থা তৈরি ও পরীক্ষা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। প্রায় ৫০০ কেজি ধারণক্ষমতার ব্যবস্থাটি তৈরি ও বসাতে আনুমানিক ২৫ হাজার টাকা লাগতে পারে, আর এটি ৭-৮ বছর ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

ব্যবস্থাটিতে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মাপার সেন্সর আছে, আর একটি গ্যাস সেন্সর পচনের সঙ্গে সম্পর্কিত গ্যাস শনাক্ত করে। একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনমতো ফ্যান চালু বা বন্ধ করে সংরক্ষণ কক্ষের বায়ু চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষকেরা স্পষ্ট করেছেন, এটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা নয়; সেন্সরের তথ্যে বায়ু চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে পরিবেশ উন্নত করার প্রযুক্তি।

গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বাকৃবির কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী। বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে করা গবেষণাটির ফল জার্নাল অব ফুড প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

অধ্যাপক রোস্তম আলী জানান, প্রায় ৮০ দিনের পরীক্ষায় নতুন ব্যবস্থায় মোট ওজন কমেছে ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ, আর বাজারজাতযোগ্য পেঁয়াজ প্রচলিত পদ্ধতির ৬৮ দশমিক ২২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৬ দশমিক ৮১ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ১০০ কেজিতে প্রায় ৮ দশমিক ৫৯ কেজি বেশি পেঁয়াজ বিক্রির উপযোগী ছিল; ৫০০ কেজিতে যা প্রায় ৪৩ কেজি। সংরক্ষণ কক্ষের তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৮১ থেকে ২৮ দশমিক ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৪ দশমিক ৩২ থেকে ৮২ দশমিক ৬০ শতাংশ। গ্যাস সেন্সর পচন শনাক্তে গড়ে প্রায় ৮৫ শতাংশ কার্যকারিতা দেখিয়েছে বলে গবেষণাপত্রে উল্লেখ আছে।

কৃষকের জন্য এর মানে, মৌসুমে দাম পড়ে গেলে পেঁয়াজ কম ক্ষতিতে ধরে রাখার একটি সস্তা উপায়। তবে গবেষক বলেছেন, প্রকৃত লাভ নির্ভর করবে পেঁয়াজের দাম ও সংরক্ষণব্যবস্থার ওপর। যন্ত্রটি প্রয়োজনে ১,০০০ কেজি ধারণক্ষমতার করেও বানানো যায়।

মাঠে নেওয়ার আগে কার্যকারিতা আরও উন্নত করা এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে বড় পরিসরে পরীক্ষা দরকার বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক রোস্তম আলী। পেঁয়াজের পাশাপাশি আলু ও রসুনে এর কার্যকারিতা যাচাই চলছে, আর যন্ত্রটি পুরোপুরি সৌরবিদ্যুতে চালানোর কাজও চলছে। আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা পেলে এক থেকে দুই বছরের মধ্যে মাঠপর্যায়ের উপযোগী মডেল তৈরি সম্ভব বলে তিনি জানান।

ছবি: বাংলাদেশে পেঁয়াজ উৎপাদন, Shmunmun / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: এগ্রি বার্তা

এগ্রি বার্তাসূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

মিরপুরে কৃষি কর্মকর্তাদের হাতে স্মার্ট সয়েল সেন্সর, কৃষক পাবেন বাংলায় সারের পরামর্শ

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১৫টি আইওটি-নির্ভর স্মার্ট সয়েল সেন্সর দেওয়া হয়েছে। যন্ত্রটি মাটির ১০টি বৈশিষ্ট্য মেপে কৃষককে কোন সার কতটুকু দিতে হবে, তা বাংলায় প্রিন্ট করে দেবে।

বার্তা২৪৩০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

জাবপোকা ও সাদা মাছি দমনে পেপটাইড প্রযুক্তির জৈব কীটনাশক, যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধনের আবেদন

ক্ষুদ্র পেপটাইড দিয়ে তৈরি প্রথম জৈব কীটনাশক যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধনের জন্য জমা দিয়েছে সোলাস্টা বায়ো। কোম্পানিটির দাবি, এটি মৌমাছি ও উপকারী পোকার ক্ষতি না করে জাবপোকা ও সাদা মাছি দমন করে।

অ্যাগ্রিবিজনেস গ্লোবাল৩০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্যাটেলাইট তথ্যে প্রতিটি খেতের আলাদা শস্যবিমা

যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ সেজ কাউন্টির গড়ের বদলে প্রতিটি খেতের ঝুঁকি হিসাব করে শস্যবিমার দাম ঠিক করতে চায়। এওন ও অ্যাগ্রিক্যাপের সঙ্গে ২০২৭ সালে ১৫টি অঙ্গরাজ্যের ভুট্টা ও সয়াবিন চাষিদের এই বিমা দেবে তারা।

AgNavigator৩০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)