সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৬%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

বাংলাদেশের খামারে দুধের কার্বন পদচিহ্ন আগের অনুমানের চেয়ে ২৭ শতাংশ কম: গবেষণা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি ফার্মের পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাট ও বাকৃবির গবেষকেরা দেখিয়েছেন, দেশের খামারে দুধের প্রকৃত কার্বন পদচিহ্ন আগের অনুমানের চেয়ে ২৭ শতাংশ কম।

লাইভস্টক

বাংলাদেশের ডেইরি খামারে উৎপাদিত দুধের কার্বন পদচিহ্ন বা কার্বন ফুটপ্রিন্ট আগের অনুমানের চেয়ে ২৭ শতাংশ কম বলে জানিয়েছে এক নতুন গবেষণা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাটের অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগ ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের যৌথ এই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল অব ডেইরি সায়েন্সে।

গবেষক দল ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি ফার্মে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে হিসাবটি করেছেন। মানসম্মত লাইফ সাইকেল অ্যাসেসমেন্ট নির্দেশিকা মেনে দুধ দেওয়া গাভির পাশাপাশি খামারের অন্য গবাদিপশুকেও হিসাবে ধরা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, খামারের মোট কার্বন নির্গমনের প্রায় ৪৮ শতাংশ আসে গরুর পরিপাক প্রক্রিয়া থেকে। এরপর পশুখাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত সার থেকে ২৪ শতাংশ, গোবর ব্যবস্থাপনা থেকে ২০ শতাংশ এবং খামার চালানোর শক্তি থেকে ৮ শতাংশ নির্গমন হয়।

পাঁচ বছরের গবেষণাকালে উন্নত ব্যবস্থাপনা ও সুষম খাদ্যের কারণে গরুর উৎপাদনশীলতা ৬৩ শতাংশ বেড়েছে, আর তাতে সময়ের সঙ্গে খামারের কার্বন নির্গমন ৩৭ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। প্রচলিত হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার খামারে কার্বন পদচিহ্ন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের চেয়ে অনেক বেশি দেখা যায়, কারণ সেখানে একটি গাভি দিনে ৩০ থেকে ৪০ লিটার দুধ দিলেও বাংলাদেশে দেয় ৪ থেকে ৮ লিটার।

বিজ্ঞানী ইলিয়াস উদ্দিন বলেন, খামারের উৎপাদনব্যবস্থার অংশ হওয়ায় দুধ না দেওয়া প্রাণীগুলোর হিসাবও বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর মতে, উন্নয়নশীল দেশে কেবল নির্গমন কমানোর কৌশলের চেয়ে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়ানোই মূল চাবিকাঠি।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে মাংস ও দুধের খামার আলাদা হলেও বাংলাদেশে গবাদিপশু দুই কাজেই পালিত হয়। তাই এখানে মোট নির্গমনের মাত্র ৫০ শতাংশ দুধ উৎপাদনের ভাগে পড়ে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে তা প্রায় ৯০ শতাংশ। গবেষকেরা মানুষের পুষ্টির জন্য উৎপাদিত ক্যালোরির একক ধরে কার্বনের তুলনা করার সুযোগও তৈরি করেছেন।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বাড়ায় দুধের কার্বন নিয়ে এমন নির্ভুল তথ্য খামারিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। খামারির জন্য বার্তাটি সরল: সুষম খাদ্য ও ভালো ব্যবস্থাপনায় গাভিপ্রতি দুধ বাড়লে লিটারপ্রতি নির্গমনও কমে।

প্রতিবেদন: জাহিদ হোসাইন খান, প্রথম আলো।

ছবি: Ibrahim Husain Meraj / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোদা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

আক্কেলপুরে হাঁসের পালক প্রক্রিয়াজাত করে চীন-ভিয়েতনামে রপ্তানি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ‘শারাবাংলা ডাউন প্রোডাক্টস’ সারা দেশ থেকে মাসে গড়ে ২২ টন হাঁসের পালক সংগ্রহ করে ডাউন ও ফেদার বানিয়ে চীন, ভিয়েতনাম ও তাইওয়ানে পাঠাচ্ছে।

কৃষি সময়২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

মিজ মাছিবাহিত শামোন্ডা ভাইরাস এবার জার্সি দ্বীপের গরুতে

গরুর জ্বর, ডায়রিয়া, দুধ কমে যাওয়া ও গর্ভপাত ঘটানো শ্মালেনবার্গ গোত্রের এই ভাইরাস জার্সিতে শনাক্তের কথা নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের প্রাণী ও উদ্ভিদ স্বাস্থ্য সংস্থা; উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে আরও ছড়ানোর আশঙ্কা।

Agriland২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

রাতের ক্যামেরা ও সেন্সর প্রযুক্তিতে শিয়ালের হামলা নজরে, ভেড়া বাঁচাতে নতুন উদ্ভাবন

দক্ষিণ আফ্রিকার স্টেলেনবশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মেগান লে রু-র তৈরি স্বয়ংক্রিয় সেন্সর ব্যবস্থা খামারে রাতের অন্ধকারে কালো-পিঠ শিয়ালের ভিডিও তুলে মানুষের সাহায্য ছাড়াই ইন্টারনেটে পাঠায়, যাতে মেরে ফেলার পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণে না আসা এই শিকারিকে বোঝা যায়।

ফুড ফর মজানসি২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)
বাংলাদেশের খামারে দুধের কার্বন পদচিহ্ন আগের অনুমানের চেয়ে ২৭ শতাংশ কম: গবেষণা | দা এগ্রো নিউজ