সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৮%বাতাস ৯ কিমি/ঘ

সেচের পানি নেই, লিটারে ২ টাকা খরচে ঝিরি থেকে পানি আনছেন রোয়াংছড়ির ফলচাষিরা

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে প্রায় ১০০ একরের মিশ্র ফলবাগানে সেচের ব্যবস্থা নেই; দেড় কিলোমিটার দূরের ঝিরি থেকে শ্রমিক দিয়ে পানি আনতে লিটারে প্রায় ২ টাকা খরচ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ সৌরচালিত সেচ পাম্পের পরিকল্পনা করছে।

সেচের পানি নেই, লিটারে ২ টাকা খরচে ঝিরি থেকে পানি আনছেন রোয়াংছড়ির ফলচাষিরা
ফল

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার পাহাড়ি পাড়াগুলোতে আম, লিচু, কাজুবাদাম, কফি, লটকন, কুলসহ নানা ফলের বাগান গড়ে উঠেছে, কিন্তু সেচের ব্যবস্থা নেই। দূরের ঝিরি থেকে পানি বয়ে আনতে চাষিদের লিটারে প্রায় ২ টাকা খরচ হচ্ছে, তাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে লাভ কমে যাচ্ছে।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরের বেংছড়ি পাড়া, খাব্রে পাড়া, অংজাই পাড়া, লুংলাই পাড়া, বিক্রমণী পাড়া ও মুনথার পাড়ার প্রায় ৯২টি পরিবার এই সংকটে আছে। এসব এলাকায় প্রায় ১০০ একর জমিতে মিশ্র ফলবাগান; আম্রপালি, কিউজাই, মিয়াজাকি, সূর্যডিম জাতের আমের পাশাপাশি আছে লিচু, কাজুবাদাম, কফি, লটকন ও কুল। কোনো কোনো পরিবারের বাগান পাঁচ থেকে ১৫ একর।

বছরের পর বছর সঞ্চয় আর ঋণের টাকায় গড়া এসব বাগানই তাঁদের প্রধান জীবিকা। সেচের একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের একটি ঝিরি। পাহাড়ি পথে শ্রমিক দিয়ে পানি আনার খরচ ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের পক্ষে টানা কঠিন, তাই প্রয়োজনের সময়ও গাছে যথেষ্ট পানি দেওয়া যায় না। এতে গাছের বৃদ্ধি, ফলন ও ফলের মান কমছে।

বেংছড়ি পাড়ার ফলচাষি উবায়ই মারমা বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে সারা দিন বাগানে কাজ করেন, কিন্তু ঝিরি থেকে পানি তোলা কষ্টের, শীতে সেই কষ্ট আরও বাড়ে, আর পানির অভাবে ফলন ভালো হয় না। আরেক চাষি অংশৈনু মারমার কথায়, "ঠিকমতো সেচের ব্যবস্থা হলে আমাদের উৎপাদন এখনকার চেয়ে তিন গুণ বাড়ত।"

সংকট কাটাতে কৃষি বিভাগ সৌরবিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প বসানোর পরিকল্পনা করছে। উপযুক্ত পানির উৎস, সেচ অবকাঠামো ও পানি বণ্টনের ব্যবস্থা করা গেলে দূর থেকে পানি বহনের খরচ ও শ্রম কমবে, বাড়তে পারে ফলন ও আয়।

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন জানান, নতুন অর্থবছরে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কয়েকটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে সৌরচালিত সেচ পাম্পের বিশেষ প্রস্তাবও আছে। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ও টেকসই সমাধানের চেষ্টা চলছে।

প্রতিবেদন: বান্দরবান সংবাদদাতা, কৃষি সময়।

ছবি: বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদ, Faisal Akram / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

সাতক্ষীরায় মাছের ঘেরের পাড়ে অসময়ের তরমুজ, আবাদ বেড়েছে ৬৫ হেক্টর

সাতক্ষীরার সাত উপজেলায় এ মৌসুমে প্রায় ১৪১ হেক্টরে অসময়ের তরমুজ হয়েছে, যা গতবারের চেয়ে প্রায় ৬৫ হেক্টর বেশি। লোনা পানির ঘেরের পরিত্যক্ত বাঁধে মাচায় ঝুলছে তরমুজ, করলা, বরবটি ও শসা।

কৃষি সময়২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

নেসারাবাদের ভাসমান নার্সারি হাটে প্রতি হাটে এক কোটি টাকার বেশি চারা বিক্রি

পিরোজপুরের নেসারাবাদে ৩৮ গ্রামের প্রায় ৫০০ হেক্টরে নার্সারি; মাহমুদকাঠির শীতলা খালে সপ্তাহে দুই দিন নৌকায় বসে হাট, প্রতি হাটে পাঁচ থেকে সাত লাখ চারা বিক্রি।

দিনাজপুর টিভি২৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

দেবীগঞ্জের দেবদারুতলায় জলপাইয়ের হাট: দিনে ১৪০-২০০ টন, বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অক্টোবর থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলা মৌসুমি জলপাইয়ের হাটে কাজ পাচ্ছেন দুই শতাধিক শ্রমিক; হিমাগার না থাকায় দ্রুত ট্রাকে পাঠাতে হয় ফল।

দিনাজপুর টিভি২৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)