সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

মাছ না পেয়ে ঋণের ফাঁদে বাগেরহাটের উপকূলের জেলে ও ট্রলারমালিক

সাগরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না মেলায় শরণখোলাসহ বাগেরহাট উপকূলের জেলে, ট্রলারমালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকার দেনায় পড়েছেন; ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় চাপ আরও বেড়েছে।

মাছ না পেয়ে ঋণের ফাঁদে বাগেরহাটের উপকূলের জেলে ও ট্রলারমালিক
মৎস্য

সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে একের পর এক লোকসানে বাগেরহাটের শরণখোলাসহ উপকূলের হাজারো জেলে, ট্রলারমালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ী এখন ঋণের বোঝায় জর্জরিত। কেউ দেনা শোধে জাল-ট্রলার বিক্রি করেছেন, কেউ পেশা ছেড়েছেন, কেউ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী সোহাগ বয়াতীর একসময় নিজের জাল ও ট্রলার ছিল। লোকসানে প্রায় ২০ লাখ টাকার দেনায় পড়ে সেগুলো বিক্রি করে এখন তিনি অন্যের ট্রলারে শ্রমিক হিসেবে সাগরে যান; মাথায় এখনো পাঁচ লাখ টাকার ঋণ। আরেক ব্যবসায়ী সোহরাব তালুকদারের ট্রলারে একসময় ৮ থেকে ১০ জন জেলের কাজ হতো। প্রায় ১৫ লাখ টাকার দেনা শোধে কম দামে জাল-ট্রলার বেচে তিনিও এখন শ্রমিক, বাকি আছে সাত লাখ টাকার ঋণ।

মোরেলগঞ্জের খাউলিয়া গ্রামের জেলে সজিব হাওলাদার ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার তুষখালী গ্রামের আলামীন শিকদার জানান, তাঁরা ভাগে মাছ ধরেন; মাছ না পড়লে ধারদেনায় সংসার চলে। এবারের খারাপ মৌসুমে প্রত্যেকে এক থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। শরণখোলার রাজেশ্বর গ্রামের জামাল তালুকদার ও তাফালবাড়ীর ওমর ফারুকের ঋণ এক লাখ করে, তালতলীর রফিকুল খানের দুই লাখ টাকা।

ট্রলারমালিকেরা বলছেন, প্রতি ট্রিপে একটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে জ্বালানি, খাবার ও বরফে তিন থেকে চার লাখ টাকা লাগে। ট্রলারমালিক হালিম বয়াতী জানান, নিষেধাজ্ঞার আগের শেষ ট্রিপে খরচ হয়েছিল তিন লাখ টাকা, মাছ বিক্রি হয়েছে সাড়ে চার লাখে। ১৮ জন জেলের প্রত্যেকে ভাগে পেয়েছেন তিন হাজার ২০০ টাকা, মালিক হিসেবে তাঁর লাভ হয়নি এক টাকাও। লোকসান সামলাতে আড়তদার ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আবার ট্রলার পাঠাতে হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সাগরে ইলিশ কম পাওয়ার বড় কারণ নিষিদ্ধ ট্রলিং ও চিংড়ি জালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার। বারবার মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, ঘন ঘন দুর্যোগ এবং বনদস্যু ও জলদস্যুর উৎপাতও মাছ ধরাকে অনিরাপদ করেছে। এখন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সাগর ও নদীতে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলায় ঋণ শোধের পথও বন্ধ।

শরণখোলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিবন্ধিত প্রত্যেক জেলে ২৫ কেজি করে চাল পাবেন। তবে সহজ শর্তে ঋণ ও বিকল্প কর্মসংস্থানের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।

প্রতিবেদন: বাগেরহাট সংবাদদাতা, কৃষি সময়

ছবি: Shafiul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

সুন্দরবনের কাঁকড়ায় প্লাস্টিক কণা, পশুর নদের মাছে মাত্রাতিরিক্ত সিসা ও ক্যাডমিয়াম

দুটি গবেষণায় সুন্দরবনের নদীর পানি ও পলিতে মাত্রাতিরিক্ত প্লাস্টিক কণা, শিলা কাঁকড়ার ফুলকা ও অন্ত্রে প্লাস্টিক এবং পশুর নদের পারশে, দাঁতিনা ও বাটা মাছে সহনীয় মাত্রার কয়েক গুণ সিসা, নিকেল ও ক্যাডমিয়াম পাওয়া গেছে।

সমকাল১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

নিষেধাজ্ঞার ৯ দিনে রাজবাড়ীর পদ্মায় ৩১ অভিযান, তবু থামছে না ইলিশ শিকার

মা ইলিশ সংরক্ষণের প্রথম ৯ দিনে রাজবাড়ীর পদ্মায় ৩১টি অভিযানে ২ লাখ ৮৮ হাজার মিটার জাল জব্দ ও ২১ জেলে আটক হলেও প্রকাশ্যে মাছ ধরা ও তীরে বিক্রি চলছে; মৎস্য বিভাগ বলছে, সার্বক্ষণিক পাহারার সক্ষমতা নেই।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

জলবায়ু-সহনশীল মাছ চাষে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার ডাক কুমিল্লার কর্মশালায়

কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও শিশুকের তিন দিনের কর্মশালায় আট দেশের প্রায় ৫০ প্রতিনিধি বন্যা, খরা ও লবণাক্ততার ঝুঁকিতে থাকা মৎস্য খাতে প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আহ্বান জানিয়েছেন।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)