বিফ সেন্ট্রালে এক মতামত লেখায় জেমস নেসন (James Nason) বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার গরু শিল্প হয়তো তার জাতীয় প্রতিনিধি সংগঠনে যথেষ্ট অর্থ দিচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি এ সপ্তাহে সিডনিতে সুপারমার্কেট চেইন উলওয়ার্থসের বার্ষিক সাধারণ সভার ঘটনা তুলে ধরেছেন।
সেখানে পরিবেশবাদী কর্মীরা একের পর এক মাইক্রোফোনে গিয়ে গরুর মাংস শিল্পকে পরিবেশের জন্য ধ্বংসাত্মক বলে বর্ণনা করেন। মাংস উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত "অবৈধ বন উজাড়" নিয়ে কোম্পানির সভায় চাপ দেওয়ার প্রবণতা কয়েক বছর ধরে বাড়ছে। তবে সেদিন বলেছেন সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ডের খামারি ও ক্যাটল অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি চেয়ার অ্যাডাম কফিও। তিনি শিল্পের সঙ্গে কাজ করার জন্য উলওয়ার্থসকে ধন্যবাদ দেন এবং বন উজাড় আর খামারের জমি সচল রাখতে নিয়মিত গাছপালা ব্যবস্থাপনার পার্থক্য বুঝিয়ে বলেন। এ জন্য তাঁকে নিজের খামার ও পরিবার ছেড়ে সিডনি যেতে হয়েছে।
নেসন সংখ্যাগুলো পাশাপাশি রেখেছেন। দেশটির ঘাসনির্ভর গরু শিল্প বছরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি ডলারের উৎপাদন করে, অথচ ক্যাটল অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক বাজেট প্রায় ২৫ লাখ ডলার। গ্রিনপিস অস্ট্রেলিয়া প্যাসিফিক, অস্ট্রেলিয়ান কনজারভেশন ফাউন্ডেশন ও দ্য ওয়াইল্ডারনেস সোসাইটির বাজেট যথাক্রমে ৩ কোটি, ১ কোটি ৮০ লাখ ও ১ কোটি ১০ লাখ ডলার, আর খনিশিল্পের মিনারেলস কাউন্সিলের প্রায় ৩ কোটি ডলার। তিনি মানছেন, তুলনাটি হুবহু সমান নয়, তবে প্রশ্নটা ন্যায্য।
খামারিরা এরই মধ্যে প্রতিটি গরু বিক্রিতে ৫ ডলার লেভি দেন, যা মূলত বিপণন ও গবেষণায় যায়। কেউ কেউ বলেন, এটাই যথেষ্ট। নেসনের জবাব, বড় সম্মিলিত লেভি থাকলেই প্রতিনিধি সংগঠন যথেষ্ট অর্থ পায় না, আর চলমান লেভি পর্যালোচনাই বিষয়টি ভাবার সময়।
তিনি মনে করিয়ে দেন, ক্যাটলকানেক্ট সম্মেলনে ক্যাটল অস্ট্রেলিয়ার চেয়ার গ্যারি এডওয়ার্ডস বলেছিলেন, স্বেচ্ছাসেবাই এই শিল্প গড়েছে, কিন্তু এখন সেটাই দুর্বলতা। এডওয়ার্ডসের ভাষায়, "এই শিল্পে এখন আর শৌখিন কাজের সময় নেই।"
সবাই একমত নন। লেখার নিচে এক পাঠক মন্তব্য করেছেন, ক্যাটল অস্ট্রেলিয়া এমনিতেই মিট অ্যান্ড লাইভস্টক অস্ট্রেলিয়া থেকে অর্থ পায়, বাধ্যতামূলক লেভির ভাগ না চেয়ে খামারিদের নিজে থেকে অর্থ দিতে রাজি করানো উচিত।
ছবি: CSIRO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Beef Central





মন্তব্য
(০)