দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও বতসোয়ানাকে একসঙ্গে ক্ষুরারোগের (ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ) বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষিমন্ত্রী উইলি আউকাম্প (Willie Aucamp)। ফ্রি স্টেট প্রদেশের বোথাভিলে এ সপ্তাহে এক জনসভায় তিনি জানান, তাঁর দপ্তর দুই দেশের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
আউকাম্প বলেন, একা একা এই রোগ মোকাবিলার চেষ্টা উল্টো ফল দেবে। চলতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকা এ পর্যন্ত নামিবিয়া, এসোয়াতিনি ও লেসোথোকে ৫০ হাজার ডোজ টিকা দিয়েছে।
বতসোয়ানা ও নামিবিয়া থেকে লাল মাংস আমদানি এখনো বন্ধ। দুই দেশের সীমান্ত রপ্তানির জন্য বন্ধ এবং গবাদিপশু চলাচলও স্থগিত। মন্ত্রী জানান, আমদানি আবার শুরু হওয়া মূলত জৈবনিরাপত্তা প্রটোকলে সমঝোতার ওপর নির্ভর করছে। বতসোয়ানার কাছে প্রটোকল পাঠিয়ে উত্তরের অপেক্ষা করছে দক্ষিণ আফ্রিকা, আর বতসোয়ানায় ক্ষুরারোগমুক্ত অঞ্চল আলাদা করে চিহ্নিত করা বাণিজ্য চালুর একটি উপায় হতে পারে।
দেশের ভেতরে অগ্রগতির কৃতিত্ব তিনি মূলত টিকা উৎপাদন ও বিতরণে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে দেন। কৃষি গবেষণা পরিষদ (এআরসি) মাসে ২০ হাজার ডোজ টিকা তৈরি করে, অথচ দেশের ১ কোটি ৫২ লাখ গবাদিপশুকে টিকা দিতে লাগবে কয়েক মিলিয়ন ডোজ।
এআরসি টিকা তৈরির মেধাস্বত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাকে স্বাগত জানিয়েছেন আউকাম্প। তিনি জানান, এ থেকে পাওয়া রয়্যালটি কেবল টিকা উৎপাদনেই খরচ হবে।
প্রাদুর্ভাবের পর সংগঠিত কৃষি সংগঠন ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যে বিরোধ দেখা দিয়েছে, তা কমানোর আহ্বানও জানান তিনি। তাঁর কথায়, এখন সময় খাতের সবাই একে অন্যের সঙ্গে কথা বলবেন, একে অন্যকে নিয়ে নয়।
ছবি: Justinjerez / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farmers Weekly South Africa





মন্তব্য
(০)