সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ফ্ল্যাটে সাপের গোপন খামার, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে বেরিয়ে এল রহস্য

একটি ফ্ল্যাটে ৩০০টিরও বেশি অজগর সাপ (পাইথন) লালন-পালন করার অপরাধে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বিদ্যুতের অস্বাভাবিক ব্যবহার তদন্ত করতে গিয়েই তার এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সন্ধান পায় পুলিশ। এটি চীনের পূর্বাঞ্চলের ঘটনা।

একটি ফ্ল্যাটে ৩০০টিরও বেশি অজগর সাপ (পাইথন) লালন-পালন করার অপরাধে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বিদ্যুতের অস্বাভাবিক ব্যবহার তদন্ত করতে গিয়েই তার এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সন্ধান পায় পুলিশ। এটি চীনের পূর্বাঞ্চলের ঘটনা।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জুনের শেষ দিকে ঘটনাটিকে বিরল ও বিপন্ন বন্যপ্রাণীর জন্য 'গুরুতর ক্ষতিকর অপরাধ' হিসেবে উল্লেখ করে।

চীনের আইনে পাইথন 'গ্রেড-টু' সুরক্ষিত প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত। সরকারি অনুমতি ছাড়া এ ধরনের সাপ কেনাবেচা, প্রজনন বা পরিবহন নিষিদ্ধ।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের মার্চে। ঝেজিয়াং প্রদেশের তাইঝৌ শহরে এক বৃদ্ধ স্থানীয় একটি পাহাড়ের পাদদেশে বড় আকারের একটি সাপ দেখতে পান। তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালে তদন্ত শুরু হয়।

পুলিশের ধারণা, সাপটি কোনো খামার বা ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে পালিয়ে এসেছে। কারণ ওই অঞ্চলে এ ধরনের সাপ স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায় না এবং মার্চ মাসে সাধারণত সাপ বনে খুব বেশি সক্রিয়ও থাকে না।

তদন্তে এক পেশাদার সাপ পালকের সহায়তা নেয় পুলিশ। তিনি জানান, পাইথন বাঁচিয়ে রাখতে সব সময় ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও আর্দ্র পরিবেশ দরকার হয়। ফলে এমন কেউ থাকলে তার বিদ্যুৎ খরচও অস্বাভাবিকভাবে বেশি হওয়ার কথা।

এরপর আশপাশের বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য যাচাই করে পুলিশ গুয়ো নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে। অবিবাহিত ও বেকার গুয়ো একাই ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।

তদন্তকারীরা আরও জানতে পারেন, দি নামের আরেক ব্যক্তি নিয়মিত গুয়োর বাসায় যাতায়াত করতেন। তিনি প্রায়ই অনলাইনে কেনা সাদা ইঁদুরের পার্সেল সংগ্রহ করতেন। বিক্রেতারা পুলিশকে জানান, এসব ইঁদুর সাধারণত সরীসৃপ প্রাণীর খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুয়ো নিয়মিত সাপের ছবি পোস্ট করতেন এবং কখনো কখনো পাইথন বিক্রির ইঙ্গিতও দিতেন। তদন্তে এমন একটি লেনদেনের তথ্যও পাওয়া যায়, যেখানে দি দুটি পাইথন ১ হাজার ইউয়ানে (প্রায় ১৫০ মার্কিন ডলার) বিক্রি করেছিলেন।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ গুয়ো ও দিকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয়।

গুয়োর ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে পুলিশ হতবাক হয়ে যায়। সেখানে অসংখ্য প্লাস্টিকের বাক্স সারি করে রাখা ছিল এবং প্রতিটি বাক্সেই ছিল একটি করে পাইথন।

নিজের একটি শোবার ঘরে আসবাবপত্র রেখে বাকি দুটি শোবার ঘর ও বসার ঘর পুরোপুরি সাপ পালনের জন্য ব্যবহার করছিলেন গুয়ো।

অভিযানে মোট ৩০৯টি পাইথন উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো একটি স্থানীয় চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধভাবে সুরক্ষিত প্রাণী পালন ও বিক্রির অভিযোগে দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: দ্য সাউথ চায়না মর্নি পোস্ট

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

শীতের খাদ্যতালিকায় বেশি সয়াবিন মিল, গ্রীষ্মের গরমেও ওজন ধরে রেখেছে শূকর

সয় চেকঅফের অর্থায়নে বাণিজ্যিক খামারের পরীক্ষায় বেশি সয়াবিন মিলের খাবার পাওয়া শূকরের মাংসদেহ গরমের সময় আগের উচ্চ শক্তির খাবারের তুলনায় গড়ে সাড়ে ৫ পাউন্ড বেশি ভারী হয়েছে, খাদ্য খরচও কমেছে।

মিশিগান এজি টুডে২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগে বিশেষ বিসিএসের পক্ষে দুই বিশেষজ্ঞের যুক্তি

ইত্তেফাকে প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান ও ডা. আর এস মাহমুদ হাসান লিখেছেন, প্রতি উপজেলায় চারজন ভেটেরিনারি সার্জন ও প্রতি ইউনিয়নে একজন ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগের ঘোষণা কাজে লাগাতে তথ্যভিত্তিক জনবল পরিকল্পনা ও বিশেষ বিসিএস দরকার।

ইত্তেফাক১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

ওজন কমানোর ওষুধে বদলাচ্ছে মার্কিন বাজার, চাহিদা বাড়ছে মুরগি আর অল্প পরিমাণ ভালো গরুর মাংসে

কোব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ব্রায়ান আর্নেস্ট বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চার পরিবারের একটিতে জিএলপি-১ ওষুধ সেবনকারী আছেন; তাঁরা আমিষবহুল মুরগি আর ছোট পরিমাণের ভালো মানের গরুর মাংস বেশি কিনছেন।

মিশিগান এজি টুডে৩১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)