সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৮ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

প্রথমবার বোরো চাষে উপকূল ও লবণাক্ত এলাকায় রেকর্ড ফলন

বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের চরগাছিয়া গ্রামের একটি মাঠে ২০০ বিঘা জমি প্রথমবারের মতো বোরো চাষের আওতায় এসেছে। যেখানে আগের বছরগুলোতে এ সময়ে পতিত থাকতো। এ বছর মাঠজুড়ে চাষ করা হয়েছে ব্রিধান ৬৭, ৭৪, ৮৯, ৯২, ৯৯ ও বঙ্গবন্ধু ধান ১০০। নমুনা শস্য কর্তনে রেকর্ড ফলন পাওয়া গেছে।

বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের চরগাছিয়া গ্রামের একটি মাঠে ২০০ বিঘা জমি প্রথমবারের মতো বোরো চাষের আওতায় এসেছে। যেখানে আগের বছরগুলোতে এ সময়ে পতিত থাকতো। এ বছর মাঠজুড়ে চাষ করা হয়েছে ব্রিধান ৬৭, ৭৪, ৮৯, ৯২, ৯৯ ও বঙ্গবন্ধু ধান ১০০। নমুনা শস্য কর্তনে রেকর্ড ফলন পাওয়া গেছে।

প্রতি বিঘাতে ব্রিধান ৮৯ হয়েছে ৩৭ মণ, ব্রি৬৭ হয়েছে ২৮ মণ, ব্রি৭৪ পাওয়া গেছে ২৮ মন, ব্রি৯৯ হয়েছে ২৮ মণ ও ব্রি৯২ হয়েছে ৩৩ মণ।

বুধবার (৩ মে) দুপুরে নমুনা শস্য কর্তনে এ রেকর্ড ফলন পাওয়া গেছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে এবং উপকূলীয় শস্য নিবিড়িকরণ কর্মসূচির আওতায় এ ২০০ বিঘা (২৭ হেক্টর) জমিতে ব্রি ধান৬৭, ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮৯, ব্রি ধান৯২, ব্রি ধান৯৭ ও ব্রি ধান৯৯ জাতের ধান চাষ করা হয়। ৩০০ জন কৃষককে বীজ, সেচ, সারসহ সব উপকরণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। খাল থেকে পানি এনে সেচ সুবিধা দেওয়া হয়৷ প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হয়।

নমুনা কর্তন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশালের অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ওসমান, ব্রি বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের কাজী শিরিন আখতার জাহান, বরগুনার উপপরিচালক সৈয়দ জোবায়দুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ব্রির মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর বলেন, ধানের অবিশ্বাস্য ফলন হয়েছে। দেশের আর কোথাও বিঘাতে ৩৬ মণ ফলন পাইনি। অথচ উপকূলীয় এলাকার এ রকম জমি পতিত থাকে, যা আমাদের জন্য বিরাট ক্ষতির।

তিনি বলেন, এ বছর সম্ভাবনাময় ৫-৬টা জাত চাষ করেছি। যেগুলোর ফলন তুলনামূলক বেশি পাওয়া যাবে, আগামী বছর সেটির চাষ করা হবে।

এত ফলন পাওয়ায় কৃষকেরা খুবই খুশি। তারা জানান, সামনের দিনগুলোতে ধান চাষ চালু রাখবেন। পানির সমস্যার কথা তুলে তারা আরও জানান, পানি পেলে এক ইঞ্চি জমিও পতিত রাখবেন না তারা।

দেশের প্রায় ২৫ শতাংশ এলাকা হচ্ছে উপকূলীয় এলাকা। বরিশাল অঞ্চলে বিশেষত বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলায় শুকনো মৌসুমে অনেক জমি পতিত থাকে। লবণাক্ততার কারণে বেশিরভাগ এলাকায় সারাবছরে একটি ফসল হয়। আমন ধান তোলার পর বছরের বাকি সময়টা মাঠের পর মাঠ জমি অলস পড়ে থাকে।

এছাড়া লবণ পানির ভয়াবহতার কারণে প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে উপকূলীয় এলাকায় ৫ লাখেরও হেক্টর জমি অনাবাদি থেকে যায়। এর একটি কারণ হচ্ছে সেচ সুবিধার অভাব। যদিও এ অঞ্চলে বড় বড় নদী যেমন তেতুলিয়া, বলেশ্বর, বিষখালী, পায়রা, কীর্তনখোলাসহ বিভিন্ন নদীতে মিষ্টি পানির অনেক প্রাপ্যতা রয়েছে।

সেজন্য সেচ সুবিধা কাজে লাগিয়ে পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে উপকূলীয় শস্য নিবিড়িকরণ নামে একটি কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে বোরো ২০২২-২৩ মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে প্রায় ৩৫০০ বিঘা (৪৭০ হেক্টর) জমিতে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল যেমন ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮৯ ও ব্রি ধান৯২ এবং লবণসহনশীল জাত যেমন ব্রি ধান৬৭, ব্রি ধান৯৭ ও ব্রি ধান৯৯ জাতের ব্লক প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে এ বছর বরগুনা সদর উপজেলায় ৩০০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় ৫০০ হেক্টর বেশি।

এনএইচ/এমআইএইচএস/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

উদ্বৃত্ত আলু থেকে স্টার্চ: উত্তরাঞ্চলে হবে ৮ থেকে ১০টি কারখানাএগ্রোবিজ

উদ্বৃত্ত আলু থেকে স্টার্চ: উত্তরাঞ্চলে হবে ৮ থেকে ১০টি কারখানা

উদ্বৃত্ত আলুর বিকল্প বাজার তৈরি ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে উত্তরাঞ্চলে শিগগিরই ৮ থেকে ১০টি স্টার্চ কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। উৎপাদিত স্টার্চ রপ্তানিরও পরিকল্পনা আছে।

এগ্রিকেয়ার২৪৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
দুই বছর বন্যা নেই, বকশীগঞ্জের চরে বাড়ছে মরিচের আবাদফসল

দুই বছর বন্যা নেই, বকশীগঞ্জের চরে বাড়ছে মরিচের আবাদ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মরিচ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ২৮০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ হেক্টর করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রায় ৬ হাজার টন মরিচ উৎপাদনের আশা কৃষি বিভাগের, তবে অতিবৃষ্টির শঙ্কায় কৃষক।

এগ্রিকেয়ার২৪৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

চাল রাখার জায়গা নেই, আমন কেনা নিয়ে সংশয়

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত ধারণক্ষমতার প্রায় ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে, আসছে আমদানির চালও। ৮ নভেম্বর এফপিএমসির সভায় আমন মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও দাম ঠিক হবে।

জাগো নিউজ ২৪৮ নভেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)