শাকসবজিবিলের শাপলায় চলে উজিরপুরের বহু দরিদ্র পরিবারের সংসার
বিনা চাষে বিলে জন্মানো শাপলা ভোরে তুলে আঁটি বেঁধে হাটে বিক্রি করেন বরিশালের উজিরপুর ও আশপাশের বিলাঞ্চলের পরিবারগুলো; স্থানীয় হাটে আঁটি ৮ থেকে ১০ টাকা, দূরের বাজারে ১২ থেকে ১৫ টাকা।
শাকসবজিবিনা চাষে বিলে জন্মানো শাপলা ভোরে তুলে আঁটি বেঁধে হাটে বিক্রি করেন বরিশালের উজিরপুর ও আশপাশের বিলাঞ্চলের পরিবারগুলো; স্থানীয় হাটে আঁটি ৮ থেকে ১০ টাকা, দূরের বাজারে ১২ থেকে ১৫ টাকা।
কৃষি বিভাগের হিসাবে লক্ষ্মীপুরে এ মৌসুমে প্রায় ৭১০ কোটি টাকার সুপারি বিক্রি হবে; জেলার শতাধিক হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা, গাছ থেকে সুপারি পেড়ে শ্রমিকেরা দিনে আয় করছেন আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা।
মতামতরুরাল সলিউশনসের স্যালি অরমিস্টন ফার্মার্স উইকলিতে লিখেছেন, খামারের বহুমুখীকরণ এখন টিকে থাকার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল, তাই শুরু করতে হবে পরিবার কী চায় সেই প্রশ্ন দিয়ে।
মতামততুলসি, থানকুনি, অ্যালোভেরা, নিম, কালোজিরা, হলুদ ও আদার মতো ঔষধি উদ্ভিদ প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি চাষ করে কৃষক বাড়তি আয় করতে পারেন বলে মনে করেন লেখক মাহমুদা তাসমিহ; তবে প্রশিক্ষণ, সংরক্ষণ ও বাজার সংযোগ ছাড়া সম্ভাবনা কাজে লাগবে না।
মতামতবিশ্ব পর্যটন দিবসে কৃষি অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সচিব সিকদার আনোয়ার লিখেছেন, একই জমিতে ফসলের সঙ্গে পর্যটন যুক্ত করলে কৃষকের আয় বহুমুখী হবে; ইতালির উদাহরণ টেনে কৃষি-পর্যটন জোন ও জাতীয় কৌশলের প্রস্তাব।
মতামতশরিফুল ইসলাম রনি লিখেছেন, ইতালি, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো বাংলাদেশেও কৃষি পর্যটন একই জমি থেকে কৃষকের কয়েকটি আয়ের পথ খুলতে পারে, তবে শর্ত হলো কৃষি আগে, পর্যটন পরে।
এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের মঞ্চে ‘সুখের খামার এগ্রো লিমিটেড’ ১০০ কক্ষের রিসোর্ট, ৪০০ গরুর খামার ও ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎসহ প্রকল্পের নকশা দেখাল; ২১ দেশ ও ৪২ জেলার হাজারের বেশি মানুষ এর অংশীদার।
১৮ সেপ্টেম্বরের বিশ্ব বাঁশ দিবস মনে করিয়ে দেয়, দ্রুত বাড়া ও কার্বন শোষণকারী এই উদ্ভিদ কাঠের বিকল্প, গ্রামীণ কর্মসংস্থান, এমনকি সবজি ও শস্য হিসেবেও বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনা বহন করে।
গবেষণা সংস্থা ওপিনিয়নসের করা অ্যাগ্রিল্যান্ড-আইসিএমএসএ জরিপে ৯৪ শতাংশ কৃষক বলেছেন জনসাধারণ তাঁদের চ্যালেঞ্জ বোঝে না, ৮৮ শতাংশ মনে করেন পরিবেশ সমস্যার দায় তাঁদের ঘাড়ে চাপানো হয়; সবচেয়ে হতাশ দুগ্ধ খামারিরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী অর্থায়নের মাসিক প্রতিবেদন: ৩৯ হাজার কোটির লক্ষ্যের বিপরীতে বিতরণ ৪২,৮৩৪.১৬ কোটি টাকা (আগের বছরের চেয়ে ১৪.৭৬% বেশি); শস্য খাতে ৪৭.৩২%, গবাদিপশু-পোল্ট্রিতে ২৬.৩৮%, মৎস্যে ১৩.৩৩%; জুনে শীর্ষ ১০ এমএফআইয়ের ক্ষুদ্রঋণ ১৯,৮৬৩ কোটি।