ফলঝড়ের দিনে আম কুড়ানোর সুখ
মামুনূর রহমান হৃদয়
ফলমামুনূর রহমান হৃদয়
ফলরাজশাহীতে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আম, ধান, ভুট্টাসহ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বুধবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জেলার অন্তত চারটি উপজেলায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
ফলকাঁচা আমের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। পাকা আম স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় ডায়াবেটিসের রোগীসহ অনেকের ক্ষেত্রে খাওয়া নিষেধ। তবে কাঁচা আমের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যাধি থেকেও মুক্তি দেয়।
ফলচলছে আমের মৌসুম। এই মৌসুমে আম সংরক্ষণে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি খুবই উপকারী। ফ্রুট ব্যাগিং করা হলে আমে ছত্রাক ও পোকামাকড় আক্রমণ করতে পারে না। পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষায় কীটনাশকেরও প্রয়োজন হয় না। গুণগতমান ভালো থাকে এবং স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। চাষিরাও বাড়তি খরচ থেকে বেঁচে যান।
ফলবরেন্দ্র জেলা নওগাঁয় টানা দুই সপ্তাহ ধরে তাপদাহ বিরাজ করছে। ফলে প্রচন্ড গরম ও অনাবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আকাশে মেঘের কোনো ছিটেফোটা দেখা মিলছে না। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। প্রচন্ড রোদের কারণে মাটির রস শুকিয়ে গেছে। বাগানে সেচ দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা না থাকায় গাছ থেকে ঝরে পড়ছ
ফলভৌগলিক ও আবহাওয়াজনিত কারণে বাংলাদেশে আম মৌসুমের শুরুতে সাতক্ষীরার আম পরিপক্ক হয়। আগাম প্রাপ্তি ও স্বাদের কারণে দেশের বাজারে সাতক্ষীরার আমের প্রচুর চাহিদাও রয়েছে। গেলো কয়েক বছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানিও হচ্ছে সাতক্ষীরার কয়েকটি বাগানের আম।
ফলসাতক্ষীরায় ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে পাকানো বিভিন্ন প্রজাতির আট হাজার কেজি আম জব্দ করেছেন র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের সদস্যরা। রাসায়নিক দ্রব্য (কার্বাইড) মেশানো এসব আম ঢাকায় পাঠানো হচ্ছিল।
ফলসেমাই ছাড়া ঈদ যেন পূর্ণতা পায় না। ঈদে সেমাইয়ের বাহারি পদ না হলে কী চলে। এবারের ঈদে চাইলে তৈরি করতে পারেন ম্যাঙ্গো লাচ্ছা সেমাই।
ফলসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে রাসায়নিক ব্যবহার করে পাকানো আড়াই টন গোবিন্দভোগ আম জব্দ করা হয়েছে। পরে সেগুলো পিকআপের চাকায় পিষে নষ্ট করা হয়।
ফলঅচিরেই বিশ্ববাজারে দেশের আম রপ্তানির পথ সুগম হবে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।
ফলআম গ্রীষ্মকালের একটি জনপ্রিয় ফল। বেশিরভাগ মানুষই আম খাওয়ার সময় এর খোসা ফেলে দেন। তবে আমের খোসার আছে আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা, যা প্রায়শই এড়িয়ে যান সবাই।
ফলনওগাঁয় এবার আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে। মুকুল থেকে এখন গুটি বেরোচ্ছে। কিন্তু এখনো বাগান কিনতে আসেননি ব্যাপারীরা। দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বাগান চাষিরা। তাই গুটি রক্ষায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। প্রতিনিয়ত কীটনাশক ও পানি স্প্রে করছেন তারা।
ফলচলছে চৈত্র মাস। এরইমধ্যে গাছে গাছে আসতে শুরু করেছে আমের গুটি। তবে গত বছরের তুলনায় ফজলি ও আশ্বিনা আমের গাছে মুকুল বেশি এলেও তেমন গুটি নেই। এতে আমের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা।