ফলআমচাষিদের আশীর্বাদ হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃষ্টি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দীর্ঘদিন পর বৃষ্টি হয়েছে। এতে আমচাষিদের মনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় শুরু হয় বৃষ্টি।
ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জে দীর্ঘদিন পর বৃষ্টি হয়েছে। এতে আমচাষিদের মনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় শুরু হয় বৃষ্টি।
ফলআরও চারটি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। পণ্য চারটি হলো- রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর, মৌলভীবাজারের আগর আতর ও মুক্তাগাছার মন্ডা। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয়
ফলরাজশাহীর বিভিন্ন অঞ্চলে আমগাছে দেখা দিয়েছে মুকুল। আগাম জাতের গাছগুলোতে মুকুল আসতে শুরু করেছে। আর সব গাছে মুকুল আসতে সময় লাগবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত। এখন পর্যন্ত তীব্র শীতে মুকুলের ক্ষতি না হলেও শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।
ফলফাল্গুন এখনো আসেনি। চলছে শীতের ভরা মৌসুম। অথচ এরমধ্যেই দিনাজপুরের কিছু আমগাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। বেশকিছু এলাকায় গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। মুকুলের পরিমাণ কম হলেও এর সৌরভ ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে।
ফলনওগাঁর সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোর মধ্যে একটি সাপাহার। তিন বছর আগেও এ উপজেলার পরিচিতি কেবল নওগাঁ ও আশপাশের দুই-একটি জেলার মানুষের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে সুখ্যাতি ছড়ানোয় এখন সেই পরিচিতির গন্ডি ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। সেটিকে আরও সম্প্রসারিত করতে সাপাহার উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে
ফলআমের জন্য সেরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এ জেলার আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববাজারে সুনাম কুড়িয়েছে বহুবার। তবে এসব কার্যক্রম শুধু আমের সিজনে দেখা যায়। কিন্তু এবার ঘটল ভিন্ন ঘটনা। মুকুল আসার আগেই নিরাপদ, রাসায়নিকমুক্ত ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে চাষিদের সঙ্গে চুক্তি করে বাগান লিজ নিচ্ছে মেসার্স ফার্মইমা
ফল# এফবিসিসিআই সভাপতি-চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শাকসবজিদেশের বাজারে দাম ক্রমেই বাড়তে থাকায় আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। প্রথম দিনে ১৯ হাজার ৪০০ টন আলু আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ফলকয়েক বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চোরাই পথে আসতো প্যাকলোবিউট্রাজল (কালটার)। প্যাকলোবিউট্রাজল উদ্ভিদের এক ধরনের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক রাসায়নিক। তবে বর্তমানে এটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এতে দেশের বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানিগুলো এটি উৎপাদন করে বিক্রি করছেন বাজারে। আর এতেই বেঁধেছে বিপত্তি।
ফলএখন আর আমের জন্য মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। অসময়ের কাটিমন আমে ছেয়ে গেছে দিনাজপুরের বাজার। যা এক সময় কল্পনাও করা যেত না। আর এ আম উৎপাদন হচ্ছে এ জেলাতেই।
ফলআব্দুল জব্বার পেশায় একজন কলেজশিক্ষক। তবে আমের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েক যুগ ধরে। গত ৫-৬ বছর থেকে আম ব্যবসায় লোকশান গুনছিলেন তিনি। তাই জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ফজলি আমের বাগান কেটে আনারসের চাষ শুরু করেছেন তিনি।
ফলচলতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৩৭৬ মেট্রিক টনের বেশি আম রপ্তানি হয়েছে। এতে করে লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখবে চাষিরা।
ফলগৌড়মতি, বারি-৪ প্রভৃতি নাবি জাতের আম চাষ করে সাফল্য পাচ্ছেন পাবনার ফলচাষিরা। এমনই একজন আমচাষি মৃদুল বিশ্বাস। তিনি ফ্রুটব্যাগ ব্যবহার করে নাবি জাতের আম চাষে এখন রীতিমতো লাখপতি। তার দেখাদেখি বহু তরুণ আগ্রহী হচ্ছেন নাবি জাতের আম চাষে।