ফলসাতক্ষীরায় রাসায়নিক দিয়ে পাকানো ৭ হাজার কেজি আম বিনষ্ট
সাতক্ষীরায় পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে রাসায়নিক স্প্রে করে পাকানো অপরিপক্ক সাত হাজার কেজি আম বিনষ্ট করেছে প্রশাসন।
ফলসাতক্ষীরায় পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে রাসায়নিক স্প্রে করে পাকানো অপরিপক্ক সাত হাজার কেজি আম বিনষ্ট করেছে প্রশাসন।
ফলকাঁচা আমের জুস থেকে শুরু করে ভর্তা, আচার সবারই কমবেশি প্রিয়। সারাবছর তো কাঁচা আম পাওয়া যায় না। তাই বছরের এ সময় এলেই আমের আচার তৈরির হিরিক পড়ে যায়। তবে সারা বছর আচার সংরক্ষণ করে রাখা ততটাও সহজ নয়।
ফলপ্রচণ্ড দাবদাহে জনজীবন এখন অতীষ্ট। এ সময় সুস্থ থাকাটাই যেন বড় চ্যালেঞ্জের। এই গরম কী খেলে শরীর ঠান্ডা থাকবে, এখন তা নিয়ে প্রশ্ন সবার মনে। এখন যেহেতু আমের মৌসুম, তাই পেট ঠান্ডা রাখতে খেতে পারেন কাঁচা আমের টক। কাঁচা আমের সব পদই দুর্দান্ত মুখরোচক। গরমে কাঁচা আম খাওয়ার বেশ কিছু উপকারিতা আছে।
ফলবর্তমানে কাঁচা আমের আচার বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়। বোতলে করে কাঁচা আমের আচার বিক্রি করা হয়। এতে অবশ্য শরীরের উপকার কিছু হয় না।
ফলগরমকাল অনেকেরই পছন্দের ঋতু, শুধু আমের কারণে। কারণ গরমেই দেখা মেলে রসালো এই ফলের। আম খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন।
ফলতীব্র খরায় পুড়ছে রাজশাহী অঞ্চল। আমের শহরে দিনের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। এতে বোঁটার রস শুকিয়ে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। পানি সেচ ও নানা পদ্ধতি অবলম্বন করেও গুটি ঝরে পড়া ঠেকানো যাচ্ছে না। ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমচাষিরা। আম উৎপাদনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
ফলআমের জন্য সারাবিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তবে এ বছর গাছে মুকুল এসেছিল কম। সেই অল্প মুকুল নিয়েও চাষিদের মনে টিমটিম করে জ্বলছিল কিছুটা আশার আলো। কিন্তু সম্প্রতি চৈত্রের বৃষ্টিতে ঝরে গেছে এসব আমের মুকুল। ফলে পর্যাপ্ত গুটি আসেনি গাছে। আর কিছু গাছে এসেছে কচিপাতা।
ফল* কম দামের ইফতারিতে আগ্রহ বেশি* বছরজুড়েই ফলের জোগান এখন* রোজায় বিক্রি বেড়েছে ৪০ শতাংশ* বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের সুফল
শাকসবজিবাংলাদেশ থেকে আম, কাঁঠাল, আলু, চামড়াজাত ও পাটজাত পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী চীন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ তথ্য জানিয়েছেন।
ফলআম গাছে প্রতি মুকুলে ১-৬ হাজারটি পর্যন্ত পুরুষ ও স্ত্রী ফুল থাকে। তার মধ্যে প্রাথমিকভাবে প্রতি থোকায় জাতভেদে ১-৩০টি গুটি ধরতে দেখা যায়। গুটি আসার ২৫-৫০ দিনের মধ্যে প্রতি থোকায় মাত্র এক-দুটি গুটি থাকে। বাকি গুটি প্রাকৃতিক বা অভ্যন্তরীণ কারণে ঝরে যায়। তবে কোনো কোনো মুকুলে ৪-৫টি আম ধরতে দেখা যায়। এ ক্ষ
ফলচাঁপাইনবাগঞ্জে চৈত্রের প্রথম সপ্তাহে সারাদিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। এ বৃষ্টিতে আমের মুকুলের হালকা ক্ষতি হলেও গুটির উপকার হয়েছে বেশ। তবে আমচাষিরা এখনো আশা-নিরাশায় রয়েছেন। এই বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছেন নাকি উপকার বুঝে উঠতে পারছেন না তারা।
ফলরাজশাহীতে গাছে গাছে দুলছে আমের মুকুল। কিছু গাছে এরই মাঝে আসতে শুরু করেছে গুটি। এবার রাজশাহীর ৮৫ ভাগ গাছে মুকুল আসছে।
ফলসুস্বাদু আমের নাম শুনলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কথা মনে পড়ে প্রথমেই। আর এ জেলার অর্থনীতিও টিকে আছে আমের উপর নির্ভর করেই। তবে এবছর চাষিদের মনে ফলন নিয়ে হতাশা দেখা দিয়েছে।