ফলআশ্বিনা আমের মণ ১৫ হাজার, তবুও লোকসানে চাষিরা
সম্প্রতি জিআই সনদ (ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি) প্রাপ্ত আশ্বিনা আম বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ হাজার টাকা মণ। এতেও উৎপাদন খরচ উঠছে না বলে দাবি চাষিদের।
ফলসম্প্রতি জিআই সনদ (ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি) প্রাপ্ত আশ্বিনা আম বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ হাজার টাকা মণ। এতেও উৎপাদন খরচ উঠছে না বলে দাবি চাষিদের।
ফল>> চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে জিআই ট্যাগ নেই>> একই দামে বিক্রি হচ্ছে এ জেলার আম
ফলজার্মানির অত্যাধুনিক পদ্ধতির হিমাগার স্থাপন করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। এতে কাঁচা আম সংরক্ষণ করা যাবে ২০-২৫ দিন পর্যন্ত। এরইমধ্যে এখানে আম রেখে লাভবান হয়েছেন হিমাগার কর্তৃপক্ষ। সাধারণ আম চাষিদের জন্যও এই সুবিধা রাখা হয়েছে।
ফলআমের বাণিজ্যিক রাজধানী নওগাঁর সাপাহারে কয়েক সপ্তাহ আগেও দাম তুলনামূলক কম ছিল। তবে মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এখন বাজার ঊর্ধ্বমুখী।
ফলবরাবরই লিচুর জন্য বিখ্যাত দিনাজপুর। সেই লিচুর জেলায় বৈরী আবহাওয়াতেও এবার আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু গৌড়মতি আমের দাম একটু বেশি হওয়ায় স্থানীয়ভাবে এর চাহিদা কম। অপরদিকে বিদেশেও রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি না হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় আমচাষিরা।
ফল'গাছ লাগিয়ে যত্ন করি সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই এক আম গাছের দাম চাওয়া হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা।
ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জে চাষিদের জিম্মি করে ৫২-৫৪ কেজিতে মণ ধরে আম কিনছেন আড়তদাররা। সে হিসাবে এ জেলার উৎপাদিত আমের ৫ ভাগের একভাগ আম ফ্রি দিতে হচ্ছে চাষিদের। আর এই একভাগ আমের আনুমানিক মূল্য ৫০০ কোটি টাকা।
ফলএ বছর এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় এক হাজার টন বেশি। গত বছর মোট এক হাজার ৭৫৭ টন আম রপ্তানি হয়েছিল।
ফলসম্প্রতি জিআই সনদ (ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি) পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম। তবে চলতি বছরই আশ্বিনা আম বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠছে না চাষিদের। এতে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আম্রপালিসহ বিভিন্ন নাবি জাতের আমের দাপটে দরপতন হয়েছে আশ্বিনার।
ফলমধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে দেড়মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। এখন মিলছে শুধু আম-কাঁঠাল। কাঁঠালও একেবারে শেষ দিকে। বাজারে মিলছেও কম। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে এখনো আমের সরবরাহ ভালো। আম্রপালি ও বারি জাতের কল্যাণে এখনো
ফলআমের জন্য বিখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এ জেলার সুস্বাদু আম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হয়েছে বহুবার। সবশেষ মঙ্গলবার (১ আগস্ট) বিকেলে এক মেট্রিক টন গৌরমতি আম সুইডেনে রপ্তানির জন্য পাঠানো হয়েছে।
ফলআমের জেলা নওগাঁ। এরইমধ্যে সারাদেশে এ জেলার আমের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি বিদেশেও রয়েছে এ জেলার আমের চাহিদা। জেলার সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা বরেন্দ্রভূমি। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা। এঁটেল মাটি হওয়ায় এখানকার আম অত্যন্ত সুস্বাদু ও সুমিষ্ট।
ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জের সবচেয়ে বড় আম বাজার কানসাটে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৭ জাতের আম। প্রতি মণ আম বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায়। যা গত বছর ছিল প্রায় সাড়ে ৭ হাজার। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বারি-৭ জাতের আমের দাম সবচেয়ে বেশি।