সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

ফ্রুট ব্যাগিংয়ে নাবি জাতের আমে মৃদুলের ডাবল বাজিমাত

গৌড়মতি, বারি-৪ প্রভৃতি নাবি জাতের আম চাষ করে সাফল্য পাচ্ছেন পাবনার ফলচাষিরা। এমনই একজন আমচাষি মৃদুল বিশ্বাস। তিনি ফ্রুটব্যাগ ব্যবহার করে নাবি জাতের আম চাষে এখন রীতিমতো লাখপতি। তার দেখাদেখি বহু তরুণ আগ্রহী হচ্ছেন নাবি জাতের আম চাষে।

ফল

গৌড়মতি, বারি-৪ প্রভৃতি নাবি জাতের আম চাষ করে সাফল্য পাচ্ছেন পাবনার ফলচাষিরা। এমনই একজন আমচাষি মৃদুল বিশ্বাস। তিনি ফ্রুটব্যাগ ব্যবহার করে নাবি জাতের আম চাষে এখন রীতিমতো লাখপতি। তার দেখাদেখি বহু তরুণ আগ্রহী হচ্ছেন নাবি জাতের আম চাষে।

কৃষি বিভাগ বলছে, চাষিরা নাবি জাতের আম চাষ করে অন্যান্য আমের চেয়ে একদিকে দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত বেশি লাভ পাচ্ছেন। অন্যদিকে ফ্রুট ব্যাগ ব্যবহার করায় ভোক্তারাও পাচ্ছেন বিষমুক্ত আম। তাই নাবি জাত সম্প্রসারণে আগামী বছর থেকে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া মহল্লার বাসিন্দা মৃদুল বিশ্বাস। তিনি শখের বসে আমচাষ শুরু করেন ৩-৪ বছর আগে। নাবি জাতের আম চাষ বেশ লাভজনক হলেও পোকা মাকড়ের আক্রমণে সমস্যায় পড়েন তিনি। তবে মাত্রাতিরিক্ত বিষ প্রয়োগ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় তিনি ফ্রুট ব্যাগিংয়ের দিকে ঝোঁকেন। গত বছর একশো গাছে ফ্রুট ব্যাগ ব্যবহার করে নাবি জাতের আম চাষে বেশ লাভবান হন তিনি। তাই এ বছর তিনি ৫ বিঘা আয়তনের আম বাগানে ৪ হাজার ফ্রুট ব্যাগ ব্যবহার করেছেন। এতে তিনি অন্তত ৫ লাখ টাকার আম বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

মৃদুল বিশ্বাস জানান, আমে বিষ দিলে তা স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি কখনো চাননি গ্রাহক তার কাছ থেকে বিষাক্ত আাম কিনুক। এজন্য তিনি ফ্রুট ব্যাগিংয়ের দিকে ঝোঁকেন।

কৃষি বিভাগ বলছে, এই ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে বালাইনাশক ব্যবহার ছাড়াই শতভাগ রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণমুক্ত আম পাওয়া সম্ভব। ফ্রুট ব্যাগিং করলে বালাইনাশকের ব্যবহার কমবে ৭০-৮০ ভাগ।

সরেজমিনে মৃদুল বিশ্বাসের বাগান ঘুরে দেখা যায়, ফ্রুট ব্যাগিংয়ের ব্যাপক কর্মযজ্ঞ সেখানে। এখন ব্যাগ ভর্তি রঙিন আম।

মদুল বিশ্বাস বলেন, ফ্রুট ব্যাগিংয়ের আম মিষ্টি কম, এমনটা কিন্তু না। বরং অন্য আমের তুলনায় বেশি মিষ্টি ফ্রুট ব্যাগিংয়ের আম।

নাবি জাতের সুবিধা সম্পর্কে মৃদুল বিশ্বাস জানান, মৌসুমে যে আম ৪০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হয় সেই আম শেষের দিকে অন্তত ১০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে পারবেন। ভোক্তারাও পাবেন বিষমুক্ত আম।

এই তরুণ চাষির সাফল্য দেখে এলাকার অন্য তরুণরাও উৎসাহিত হচ্ছেন। তারাও বাণিজ্যিকভাবে নাবি জাতের আম বাগান করতে চান। তার বাগানে কাজ করে কর্মসংস্থান হচ্ছে অনেকের।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন জানান, সুমিষ্ট আমকে বিষমুক্ত ও রপ্তানিযোগ্য করে গড়ে তুলতে চাষিরা ব্যবহার করছেন ফ্রুটব্যাগ। এতে বালাইনাশকের ব্যবহার কম করতে হয়। আর শতভাগ রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণমুক্ত আম পাওয়া যায়। এই পদ্ধতিতে ব্যাগের জন্য খরচ হলেও তা লাভজনক। আর নাবি জাতের আম হলে তার দাম বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

তিনি বলেন, চাষি মৃদুল বিশ্বাস এলাকায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আশা করি তিনি লাভবান হবেন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()