কিছুটা স্বস্তিতে দুগ্ধ খামারিরা
পবিত্র রমজান মাসে দুগ্ধ খামারিরা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। কারণ রমজান মাস উপলক্ষে অনেক গ্রাহকই দুধ কিনছেন। ফলে কয়েকদিন আগেও যে দুধ ১০-১৫ লিটার বিক্রি করেছেন, সেই দুধ এখন ৪০ থে
পবিত্র রমজান মাসে দুগ্ধ খামারিরা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। কারণ রমজান মাস উপলক্ষে অনেক গ্রাহকই দুধ কিনছেন। ফলে কয়েকদিন আগেও যে দুধ ১০-১৫ লিটার বিক্রি করেছেন, সেই দুধ এখন ৪০ থে
লকডাউনের এক মাস পার হলেও পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা এখনও লোকসান দিয়েই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হলেও খামারে এর দাম অর্ধেক। খামারে প্রতি কেজি মুরগি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খামারের চেয়ে দ্বিগুণ দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ঢাকায়।
করোনার প্রভাবে গাজীপুরে পোল্ট্রি শিল্পে চরম সংকট তৈরি হয়েছে। উৎপাদিত ডিম ও মাংসের উৎপাদন খরচ না ওঠায় প্রায় মাসখানেক ধরে লোকসান গুনছেন খামারিরা। কয়েক দিনেই ক্ষুদ্র খামারিরা সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। এমনকি তারা পাশে পাচ্ছেন না কাউকে। গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় এমন হাহাকারের চিত্র দেখা গেছে।
ইংরেজিতে বলা হয় 'মাদার নেচার', যা সহজ বাংলায় 'প্রকৃতি মা'। মা যেমন সন্তানকে সব বিপদ থেকে আগলে রাখার চেষ্টা করেন; তেমনি প্রকৃতিও তার সন্তানের জন্য প্রকৃতির মধ্যেই সমাধান রেখে দিয়েছে। সেটি বোঝা যায় একটি প্রবাদ বাক্যে, 'খাদ্যই ওষুধ আবার ওষুধই খাদ্য'। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ডা. মো. ইব্রাহিম খলিল-
কিছুদিন আগেও খামারের একেকটা ডিম ৮ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। তা অর্ধেক নেমে একেকটা ৪ থেকে ৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। এখন তা পানির দরে, কেজিপ্রতি ৪৪ থ
ব্রয়লার মুরগি নিয়ে বিপদে পড়েছেন পোল্টি ফার্মের মালিকরা। মুরগি বিক্রি করার সময় হয়েছে কিন্তু পাইকার বা ক্রেতা পাচ্ছেন না তারা। আগে ছোট খামারিরা খামার থেকে খুচরা কিছু মুরগি বিক্রি করতেন। এখন খুচরা ক্রেতাও নেই। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি ও গুজবের কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলছেন খামারিরা।
আমাদের গৃহপালিত বা খামারের গবাদি পশুর মাঝে মাঝে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি দেখা দেয়। এতে গবাদি পশুর উৎপাদন কমে যায়। এসব বিষয়ে সবারই প্রাথমিক জ্ঞান থাকা আবশ্যক। আসুন জেনে নেই গবাদি পশুর
গাভীর দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগতমান জাতের ওপর নির্ভর করে। দেশীয় জাতের গাভীর দুধে মাখনের পরিমাণ বেশি থাকে কিন্তু এরা দুধ উৎপাদন করে কম। বিদেশি জাতের গাভী দেশীয় জাতের গাভী থেকে বে
হাঁসকে প্রধানত মুক্ত অবস্থায়, আধাছাড়া অবস্থায় এবং ফার্মে আবদ্ধ অবস্থায় পালন করা যায়। গ্রামাঞ্চলে প্রধানত মুক্ত অবস্থায় হাঁস পালন করা হয়। মূলত পুরুষ হাঁসের চেয়ে ডিম পাড়া হা
সবুজ-শ্যামল এ দেশে পাখির অভাব নেই। তবে আলাদাভাবে মনোযোগ আকর্ষণ করে রঙিন মাছরাঙা। গ্রামাঞ্চলে সচরাচর দেখা মেলে এই শিকারি পাখির। বর্ণিল সাজে সজ্জিত এই পাখি নিয়ে লিখেছেন মনোনেশ দাস
চিকিৎসকরা গরু বা খাসির মাংস থেকে দূরে থাকতে বলেন। ফলে বাধ্য হয়ে ঝুঁকতে হয় মুরগির দিকে। কিন্তু প্রতিদিন এতো মুরগি পাওয়াও মুশকিল। তাই কৃত্রিম উপায়ে প্রজনন বাড়িয়ে বাজারে বিক্রি
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ফাজিলহাটী ইউনিয়নের গাছপাড়া কামারনওগাঁ বিল। এ বিলের পানিকে পুঁজি করে কামারনওগাঁ গ্রামের আমিনুর রহমান গড়ে তুলেছেন একটি ভ্রাম্যমাণ হাঁসের খামার। বছর খা
ঢাকার রপ্তানিকারকরা এই মুহূর্তে কাঁকড়া কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। একই সাথে তাদের কাছে পাওনা টাকাও দিতে চাইছেন না। এতে উভয় দিক থেকেই বিপদে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা