আমরাই বোধহয় হাতি দেখা শেষ প্রজন্ম
কেফায়েত শাকিল
কেফায়েত শাকিল
প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুরো বিশ্ব। দীর্ঘ দুই মাসের বেশি সময় ধরে কাবা শরিফ চত্বরে তাওয়াফও বন্ধ রয়েছে। নীরব নিস্তব্ধ কাবা শরিফের মাতআফে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যেই পাখির ঝাঁক নেমে পড়েছে। যেন তারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ইবাদতে মশগুল।
মাত্র দু-দিন আগেই ভারতের কেরালায় এক অন্তঃসত্ত্বা হাতির মর্মান্তিক মৃত্যু দেখে কেঁদেছেন বহু মানুষ। বারুদ ভরা আনারস খাইয়ে নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এর সত্যতা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। তবে ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত, হাতিটির এমন করুণ মৃত্যুর জন্য যে মানুষই দায়ী, তা নিয়ে অন্তত সন্দ
করোনাভাইরাসের কারণে সব কিছুই বন্ধ। বন্ধ পাড়া-মহল্লার দোকানও। সেই দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছে একজোড়া ধনেশ পাখি। ভারতের শিলিগুড়িতে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। শাটার বন্ধ দোকানের সামনে মনের আনন্দে বসে আছে পাখি দুটি।
ইংরেজিতে বলা হয় 'মাদার নেচার', যা সহজ বাংলায় 'প্রকৃতি মা'। মা যেমন সন্তানকে সব বিপদ থেকে আগলে রাখার চেষ্টা করেন; তেমনি প্রকৃতিও তার সন্তানের জন্য প্রকৃতির মধ্যেই সমাধান রেখে দিয়েছে। সেটি বোঝা যায় একটি প্রবাদ বাক্যে, 'খাদ্যই ওষুধ আবার ওষুধই খাদ্য'। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ডা. মো. ইব্রাহিম খলিল-
জানা যায়, প্রতিদিন একটি ইঁদুর ২৭ গ্রাম খাবার খায়। এছাড়া, প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খাবার নষ্ট করে।
প্যাঙ্গোলিন নামে একটি প্রাণী যা চোরাই পথে চীনে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করা হয় - তার দেহে এমন একটি ভাইরাস পাওয়া গেছে যা কোভিড নাইনটিনের সাথে 'ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।'
সাদা রঙের এই বিরল প্রজাতির জিরাফ কয়েকদিন আগেও সংখ্যায় তিনটি ছিল। এদের মধ্যে দুটিকে শিকারিরা মেরে ফেলেছে। মা জিরাফ ও তার শাবককে কেনিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর গারিসায় মৃত অবস্থায় পা
বর্তমানে ডেঙ্গুজ্বর মহামারি আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। হিমশিম খাচ্ছে দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। আতঙ্কে দিন-রাত পার করছে সর্বস্তরের জনগণ। এমন মুহূর্তে ডেঙ্গুজ্বরের ভ
ইটভাটার মালিকরা তাদের প্রয়োজনে মাটি কেটে নিয়ে ফসলি জমিকে পুকুরে পরিণত করছে
কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ধানের যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় প্রতি বিঘা জমি ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদের চুক্তিনামা করে ফসলি জমিতে পুকুর তৈরি করা হচ্ছে
জয়পুরহাট সদর উপজেলার চকবরকত ইউনিয়নের ভারত সীমান্ত ঘেঁষা কমরপুর হাজীপাড়া গ্রামে ঢুকেপড়া গেছো মেছো বিড়ালটি উদ্ধার করে একটি জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছে বন বিভাগ।
সতর্কবার্তা: এই প্রতিবেদনের কিছু ছবি অনেকের জন্য পীড়াদায়ক হতে পারে।