ছাদ-কৃষি উপকরণের খামার গড়েছেন শিক্ষিত যুবক
ছাদ-কৃষি সহায়ক উপকরণ তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন চুয়াডাঙ্গার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আলিমুজ্জামান মিল্টন। নিজের গড়ে তোলা কৃষি খামারে তিনি সমাবেশ ঘটিয়েছেন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও কৌশলের।
ছাদ-কৃষি সহায়ক উপকরণ তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন চুয়াডাঙ্গার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আলিমুজ্জামান মিল্টন। নিজের গড়ে তোলা কৃষি খামারে তিনি সমাবেশ ঘটিয়েছেন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও কৌশলের।
ত্রিশ বিঘা পাহাড়ি জমিতে লাউ চাষ করে সাফল্যের নজির গড়েছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হাতিবেড় গ্রামের শিক্ষিত তরুণ বাবুল। পতিত জমি লিজ নিয়ে তার গড়া লাউবাগান এলাকার অন্যান্যদের কাছে এক অনুকরণীয় উদাহরণ।
রাজধানীর রামপুরা উলন রোডে সমৃদ্ধ ছাদ-কৃষি গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মুশহেদা খানম রেনু। সবজি ও ফুল-ফলের পাশাপাশি দেশি বিদেশি গাছের চারাও তৈরি করছেন তিনি। ব্যবহার করছেন নানা কারিগরী কৌশল ও প্রযুক্তি।
টাঙ্গাইলে অমৌসুমী আনারস ও তার সঙ্গে সাথী ফসল আবাদে ঝুঁকেছেন কৃষক। ফসল বৈচিত্র্য আনতে এটি যেমন কৃষকের উদ্ভাবনী সাফল্য, একই সঙ্গে নেতিবাচক দিক হচ্ছে দ্রুত ফসল ফলাতে তারা সহায়তা নিচ্ছেন নানা অপকৌশলের।
দেশের অনেক স্থানের মতো মেহেরপুরেও গড়ে উঠেছে মিষ্টি মালটার বাগান। প্রবাস ফেরত যুবক ইসমাইল হোসেন ২০ শতক জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তিন বছরেই গড়েছেন সাফল্যের নজির।
যশোরে মাত্র সাড়ে নয়’শ বর্গফুটের ছাদে শতাধিক গাছ-গাছালির পসরা সাজিয়েছেন ফারহানা ইয়াসমিন নামের এক গৃহিনী। তার ছাদকৃষি এখন প্রেরণা হয়ে উঠেছে স্থানীয় নারীদের।
শীতের আগাম সবজির মধ্যে কৃষকের কাছে এখন সবচেয়ে লাভজনক সীম। বিস্তীর্ণ ক্ষেতজুড়ে সীম আবাদ করে বিঘাপ্রতি ৪০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লাভ তুলছেন একেকজন কৃষক। গত কয়েক বছরে তাদের আর্থসামাজিক অবস্থা পাল্টে গেলেও তেমন সচেতনতা আসেনি কীটনাশকের আগ্রাসন থেকে বাঁচার ক্ষেত্রে।
রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায় রয়েছে ফলে ফসলে পূর্ণ দুই দশকের এক সফল ছাদ-কৃষি। সময়ের ব্যবধানে এক প্রজন্মের পর আরেক প্রজন্ম হাতে নিয়েছেন এই উদ্যোগ। সেখানে থেকেই মিটছে পারিবারিক পুষ্টি ও মানসিক চাহিদার অনেকটা।
বিঘায় ৮০ হাজার টাকা লাভের আরেক ফসল অমৌসুমী তরমুজ বা বেবি তরমুজ। অল্প জমিতে নিবিড় পরিচর্যায় ওই তরমুজের আবাদ ইতোমধ্যে ভাগ্য পাল্টে দিয়েছে চুয়াডাঙ্গার অনেক কৃষকের মাচায় শসা কিংবা লাউয়ের চেয়েও ঘনত্বে ঝুলে আছে অসংখ্য সুমিষ্ট, রসালো ফল তরমুজ। গত চার বছর এই এলাকার কৃষকের কাছে অমৌসুমী এই তরমুজ পাচ্ছ
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে ফুলের চাষ। বছরের বড় একটি অংশ জুড়ে ফুল তুলে বাজারে পাঠানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন সবধরণের কৃষক। আর সেকারণে পাল্টে যাচ্ছে কৃষকের আর্থসামাজিক চিত্র।
যশোর শহরের আর এন রোডের তিন-তলা ভবনের ছাদে আট বছরে অনন্য কৃষি সাফল্যের নজির গড়েছেন ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান। ছাদ থেকেই মেটাচ্ছেন তিনি পারিবারিক ফল ও সবজি চাহিদার বড় অংশটি। মিটছে কৃষিকাজের যুক্ত থাকার সাধও।
শীতের আগাম সবজি আবাদ করে ব্যাপক লাভবান দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষক। বিঘা প্রতি গড়ে ২০ থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ থাকছে তাদের। কমে এসেছে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্মও।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শীতের আগমন বার্তা জানান দিচ্ছে গাছিদের খেজুর গাছ কাটার ব্যস্ততা। খেজুর গাছের বাগানে ও মাঠে চলছে রস পাতার চূড়ান্ত প্রস্তুতি। কয়েকদিনেই নামবে শীত, সে সঙ্গে নামবে রসগুড়ের আমেজ।