সৈয়দ শামসুল হকের শেষ ইচ্ছা
ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক দেশের প্রতি মমতা ও ভালোবাসার টানেই দেশে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালেও থেমে নেই তাঁর সৃজনশীল লেখালেখির কাজ।
ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক দেশের প্রতি মমতা ও ভালোবাসার টানেই দেশে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালেও থেমে নেই তাঁর সৃজনশীল লেখালেখির কাজ।
দেশে প্রথমবারের মতো খামার পর্যায়ে লালন পালন চলছে মাংসের গরুর জাত ‘ব্রাহমা’। ওই গরুর ওজন হবে ২৫ থেকে ৩০ মণ, যা প্রচলিত গরুর চেয়ে ২০ মণ বেশি।
মাংসের গরুর এক বিস্ময়কর জাত বেলজিয়ান ব্লু। উন্নত বিশ্বে গরুর ওই জাতটির
রংপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র আরকে রোডের পরিচিতি এখন অভিজাত এলাকা হিসেবে। সেখানেই ব্যাংকার উসমান আলীর চারতলা ভবনের ছাদে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট ছাদকৃষি। ছাদের আয়তন এক হাজার ৯শ ফিট। সেখানে গত তিন বছর ধরে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন গাছ। ফুল-ফলের গাছপালা শোভিত সেই ছাদ কৃষির উদ্যোক্তা গৃহকর্তী আলেয়া খাতুন।
চার ফসলি শস্যাবর্তন অনুসরণ করায় উত্তরাঞ্চলের উঁচু এলাকাগুলোর কৃষিচিত্র
অনেক আগে থেকেই মানুষ ঘরের বারান্দা বা পাকা ভবনের ছাদে বাগান করে আসছে। একসময় এই বাগান করার বিষয়টি ছিল এক ধরণের সৌখিন ও সৃজনশীলতার অংশ। সময়ের বিবর্তনে আজ সবুজের সঙ্গে থাকার বিষয়টি যেন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। কারণ, মানুষ বাড়ছে, বাড়ছে নগরায়ন। তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সবুজ গাছ-গাছালির বিস্তার ঘটাতে
কৃষির বাজারজাতকরণ
টেলিভিশনের মাধ্যমে তখন আমি কৃষকদের নতুন নতুন কথা শোনাচ্ছি। আমি তাদের বোঝাতাম, বাপ-দাদার আমলের প্র্যাকটিস ছেড়ে বেরিয়ে এসো। যে ধান চাষ করছো তা দিয়ে তোমার পরিবারের খাদ্যের চাহিদা মেটে না। সন্তান বাড়ছে, আর অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে কৃষি জমির পরিমাণ কমছে। জমির আইল বাড়ছে, বাড়ছে ফ্র্যাগমেন্টেশন অব ল
উন্নয়ন সাংবাদিকতা
খুব বেশি দিনের ছাদকৃষি নয়। গত তিন চার বছর আগে থেকে একটু একটু করে এই ছাদের ওপর স্থায়ী এক কৃষির অবকাঠামো গড়ে তুলছেন লিয়াকত আলী। সেখানেই রোপন করেছেন বিভিন্ন ফলের গাছ। এর ভেতরেই আবাদ করছেন বিভিন্ন সবজি ফসলও।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গমে ব্লাস্ট ছত্রাকের আক্রমণ খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে। ইতোমধ্যে এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে।
দেশে সামগ্রিকভাবে আবাদি জমি কমছে, তাগিদ এসেছে ঊর্ধ্বমুখী কর্মতৎপরতার।
মাছ উৎপাদনে পৃথিবীর চার নম্বর আসনটি বাংলাদেশের। এ অর্জনের প্রমাণ দেয় ময়মনসিংহের গত বিশ বছরের মাছ চাষ বিপ্লব। এখানে অসংখ্য চাষী তৈরি হলেও মাছ বাজারজাত করার প্রশ্নে ক’দিন আগেও বাজার আর পাইকারদের মুখাপেক্ষী ছিলেন চাষীরা।