সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

ডা. ওয়াদুদ মোস্তফার গাছ-গাছালির সংসার

অনেক আগে থেকেই মানুষ ঘরের বারান্দা বা পাকা ভবনের ছাদে বাগান করে আসছে। একসময় এই বাগান করার বিষয়টি ছিল এক ধরণের সৌখিন ও সৃজনশীলতার অংশ। সময়ের বিবর্তনে আজ সবুজের সঙ্গে থাকার বিষয়টি যেন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। কারণ, মানুষ বাড়ছে, বাড়ছে নগরায়ন। তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সবুজ গাছ-গাছালির বিস্তার ঘটাতে

অনেক আগে থেকেই মানুষ ঘরের বারান্দা বা পাকা ভবনের ছাদে বাগান করে আসছে। একসময় এই বাগান করার বিষয়টি ছিল এক ধরণের সৌখিন ও সৃজনশীলতার অংশ। সময়ের বিবর্তনে আজ সবুজের সঙ্গে থাকার বিষয়টি যেন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। কারণ, মানুষ বাড়ছে, বাড়ছে নগরায়ন। তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সবুজ গাছ-গাছালির বিস্তার ঘটাতে না পারলে প্রকৃতিকে বাসযোগ্য রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

রংপুরের ধাপ সাগরপাড়ায় পুরনো ছাদকৃষির উদ্যোক্তা ডা. প্রফেসর আব্দুল ওয়াদুদ মোস্তফা। সংস্কৃতি প্রাণ প্রকৃতিপ্রেমী এক মানুষ। তার বাসভবনের জৌলুস নেই। আসবাবপত্রের বৈভব নেই। কিন্তু আছে গাছপালার অদ্ভুত প্রাচুর্য। তার ছোট্ট ছাদটিতে গাছের সংখ্যা যা-ই থাক, এগুলোর সঙ্গে তার সম্পর্ক অতি নিবিড়।

পঁচিশ বছর আগে এই সংসারের গৃহিনী চলে যান পরপারে। তারপর ডা.ওয়াদুদ মোস্তফার সংসার এই গাছ-গাছালির সঙ্গে। কৃষির প্রতি তার উৎসাহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাংলাদেশ টেলিভিশন। সেসময় মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানে নানান কৃষি উদ্যোগ দেখে অনুপ্রাণিত হন তিনি।

প্রফেসর ওয়াদুদের হিসাবটি অন্যরকম। তিনি এই বাগান থেকে তেমন কিছু ফেরত চান না। তিনি মনে করেন, গাছ যা দেয় তা আমাদের বেঁচে থাকার সবচেয়ে দামী উপকরণ। কৃষি শুধু গ্রামের মানুষের কাজ নয়। কৃষির মধ্যেই রয়েছে প্রতিটি মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার রসদ।

প্রফেসর ওয়াদুদ এই বাসায় একাই থাকেন। গাছ-গাছালির সঙ্গে দুয়েকটি শিশুও লালন পালন করেন তিনি। ইতি নামের এই মেয়েটি তাদেরই একজন। ছাদর সঙ্গে সঙ্গে তার বাড়ির উঠোনে রয়েছে নানারকম গাছ। রয়েছে একটি কবুতরের খামারও। অবশ্য কৃষির সঙ্গে কবুতর পালনেও তিনি উদ্বুদ্ধ হন ১৯৯২ সালে। সেই প্রেরণাও এসেছিল বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষ থেকে।

আজকের দিনে বাড়ি সাজানোর জন্য অট্টালিকার নকশা, দামী আসবাব, নির্মাণ সামগ্রি আর রংকে প্রাধান্য দেয়, কিন্তু এর বাইরেও যে অদ্ভুত প্রাণবৈচিত্র সৃষ্টি করা যেতে পারে গাছ-গাছালির প্রাকৃতিক সমাবেশ গড়ে। প্রফেসর ওয়াদুদ মোস্তফা আজ থেকে বিশ একুশ বছর আগেই এই উপলব্ধি করেছিলেন।

তাই তিনি জীবনে নিঃসঙ্গ হননি বরং তার সময়টি তিনি রাঙিয়েছেন ফুল, ফল, সবুজ পাতা আর প্রাণবন্ত পরিবেশে বেড়ে ওঠা গাছ-পালাকে সঙ্গে নিয়ে।

শাইখ সিরাজকৃষি সাংবাদিক

ছাদকৃষি

সম্পর্কিত খবর

ছাদকৃষি

ছায়াতেও ফলে, বাঁচে ১০-১২ বছর: শফিক বিপ্লবের বন্য নয়ন মরিচের আট হাজার চারা

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বন থেকে সংগ্রহ করা এক জাতের বন্য মরিচের চারা ছাদবাগানি ও আঙিনার চাষিদের কাছে পাঠাচ্ছেন; তবে ফলন ও আয়ুর দাবি এখনো তাঁর নিজের পর্যবেক্ষণ।

জাগো নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

শীতের ছাদবাগান: কোন সবজি ও ফুল লাগাবেন, কেমন হবে টব আর মাটি

শীতের ছাদবাগানের প্রস্তুতি এখনই; ১২-১৫ ইঞ্চির টবে সবজি, ফুলের জন্য দোআঁশ মাটি, কম্পোস্ট ও কোকোপিটের মিশ্রণ, আর দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা রোদ।

এই সময়১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

রাজশাহীর ছাদে ১১০ প্রজাতির সাড়ে তিন হাজার গাছ, চারা বেচে বছরে ১২ লাখ টাকা

রাজশাহীর বিনোদপুরে নিজের ছাদবাগান থেকে চারা ও টব বিক্রি করে বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় করছেন শারমিন আক্তার। ছাদবাগান বিভাগে জাতীয় বৃক্ষরোপণ পুরস্কারে প্রথম হয়েছেন তিনি।

আমার দেশ২৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)