বন্ধ দোকানের সামনে একজোড়া ধনেশ পাখি
করোনাভাইরাসের কারণে সব কিছুই বন্ধ। বন্ধ পাড়া-মহল্লার দোকানও। সেই দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছে একজোড়া ধনেশ পাখি। ভারতের শিলিগুড়িতে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। শাটার বন্ধ দোকানের সামনে মনের আনন্দে বসে আছে পাখি দুটি।
করোনাভাইরাসের কারণে সব কিছুই বন্ধ। বন্ধ পাড়া-মহল্লার দোকানও। সেই দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছে একজোড়া ধনেশ পাখি। ভারতের শিলিগুড়িতে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। শাটার বন্ধ দোকানের সামনে মনের আনন্দে বসে আছে পাখি দুটি।
মধ্য আফ্রিকায় দ্বিতীয়বারের মতো হানা দিয়েছে পঙ্গপাল। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পুরো বিশ্ব যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন শস্য সাবাড় করে দেওয়া পঙ্গপাল বাংলাদেশে এগিয়ে আসছে, দানা বেঁধেছে এমন শংকা। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে এবারের এই শংকার উৎপত্তি। দু’দিনে সেখানে কয়েক দফা ঘুরে এসেছেন বিজ্ঞানী ও বিশেষ
লকডাউনের এক মাস পার হলেও পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা এখনও লোকসান দিয়েই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হলেও খামারে এর দাম অর্ধেক। খামারে প্রতি কেজি মুরগি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খামারের চেয়ে দ্বিগুণ দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ঢাকায়।
করোনার প্রভাবে গাজীপুরে পোল্ট্রি শিল্পে চরম সংকট তৈরি হয়েছে। উৎপাদিত ডিম ও মাংসের উৎপাদন খরচ না ওঠায় প্রায় মাসখানেক ধরে লোকসান গুনছেন খামারিরা। কয়েক দিনেই ক্ষুদ্র খামারিরা সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। এমনকি তারা পাশে পাচ্ছেন না কাউকে। গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় এমন হাহাকারের চিত্র দেখা গেছে।
ইংরেজিতে বলা হয় 'মাদার নেচার', যা সহজ বাংলায় 'প্রকৃতি মা'। মা যেমন সন্তানকে সব বিপদ থেকে আগলে রাখার চেষ্টা করেন; তেমনি প্রকৃতিও তার সন্তানের জন্য প্রকৃতির মধ্যেই সমাধান রেখে দিয়েছে। সেটি বোঝা যায় একটি প্রবাদ বাক্যে, 'খাদ্যই ওষুধ আবার ওষুধই খাদ্য'। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ডা. মো. ইব্রাহিম খলিল-
ব্রয়লার মুরগি নিয়ে বিপদে পড়েছেন পোল্টি ফার্মের মালিকরা। মুরগি বিক্রি করার সময় হয়েছে কিন্তু পাইকার বা ক্রেতা পাচ্ছেন না তারা। আগে ছোট খামারিরা খামার থেকে খুচরা কিছু মুরগি বিক্রি করতেন। এখন খুচরা ক্রেতাও নেই। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি ও গুজবের কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলছেন খামারিরা।
সফল কৃষক ও ভাল উৎপাদনকারীদের জন্য সিআইপির মতো এআইপি (এগ্রিকালচারাল ইম্পর্ট্যান্ট পারসন) পুরস্কার আসছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।
প্রখর রোদে মাঠে কাজ করছিলেন কৃষক। তাদের মাথায় নেই মাথাল। শুধু তাই নয়, অনেক কৃষক কীটনাশক ছিটানোর সময় মাস্ক ব্যবহার করেন না। এমন কৃষক দেখলেই তাদের কাছে ছুটে যান। তাদের মাথায় মাথা
দেশে কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমশক্তির সংখ্যা ২ কোটি ৫৬ লাখ। এর মধ্যে নারী ১ কোটি ৫ লাখেরও বেশি। তারপরও রাষ্ট্রীয়ভাবে নারীদের “কৃষক” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভায় সাপ্তাহিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়
কৃষিতে কর্মরত নারীদের কৃষক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে, গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করতে হবে তাদের প্রত্যক্ষ অবদানকে। একইসঙ্গে কৃষকদের সহায়তার যেসব সরকারি কার্যক্রম রয়েছে তা
সিআইপির (CIP) আদলে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নীতিমালা ২০১৯ (এআইপি নীতিমালা ২০১৯) অনুযায়ী প্রথমবারের মতো এআইপি (Agricultural Important Person) নির্বাচন করা হবে। তাই এআইপি ২
দু'হাজার চার সালে বিবিসি বাংলা একটি 'শ্রোতা জরিপ'-এর আয়োজন করে। বিষয়টি ছিলো - সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি কে? তিরিশ দিনের ওপর চালানো জরিপে শ্রোতাদের ভোটে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ২০জনে