‘জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতি ২০২০’ খসড়া অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভায় সাপ্তাহিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভায় সাপ্তাহিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়
কৃষক ও উদ্যোক্তাদের চাহিদার ভিত্তিতে প্রযুক্তি ও তথ্য সেবা দেওয়ার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঘাত সহনশীল, পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ, টেকসই ও পুষ্টিসমৃদ্ধ লাভজনক ফসল উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য মন্ত্রিসভা “জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতি ২০২০” এর খসড়া অনুমোদন করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভায় সাপ্তাহিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “এই নীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সব শ্রেণীর কৃষক ও উদ্যোক্তাদের চাহিদার ভিত্তিতে প্রযুক্তি ও তথ্য সেবাপ্রদানের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঘাত সহনশীল, পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ, টেকসই ও পুষ্টিসমৃদ্ধ লাভজনক ফসল উৎপাদন নিশ্চিত করা।”
কৃষি শিক্ষা, গবেষণা, বিপণন ও সম্প্রসারণ সেবার সাথে সম্পৃক্ত অংশীজনসহ কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তাদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে চাহিদা ভিত্তিক গবেষণার বিষয়বস্তু নির্ধারণ এবং গবেষণালদ্ধ ফলাফল মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে “জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতি ২০২০” প্রণীত হয়েছে।
কৃষির সাথে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং সহযোগিতার মাধ্যমে নীতিটি বাস্তবায়ন করা গেলে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সম্প্রসারণ সেবা দেওয়ার মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে বলে জানান সচিব।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দেশে প্রথম কৃষিনীতি গ্রহণ করা হয়েছিল ১৯৯৬ সালে।
তিনি জানান, ফসল উৎপাদনের সর্বোচ্চ ফল পেতে সমবায় ভিত্তিক চাষ ও বিপণন ব্যবস্থার একটি ধারা নতুন নীতিটিতে যুক্ত করতে পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
এবিষয়ে উদাহরণ দিয়ে সচিব জানান, যদি অনেক ব্যক্তির মালিকানায় থাকা ১০০ একর জমিতে সমন্বিতভাবে একই সফল বুনন, সংগ্রহ ও বিপণন করা হয় তাহলে দ্বিগুণের বেশি মুনাফা হবে। এবিষয়ে একটি পাইলট প্রকল্প বিষয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া, মন্ত্রিসভা “সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল ২০২০২” এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, বিলটি দেশের অন্যান্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিলের মতোই।
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা হবে ২০। যারফলে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বাদে মোট সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪৩।



