এগ্রোবিজঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ফলন কমলেও সাতক্ষীরায় কুল থেকে আয় ৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা
২০১৯-২০ মৌসুমে সাতক্ষীরায় ৬৫৪ হেক্টরে কুলের আবাদ বাড়লেও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে মুকুল ঝরে ফলন কমে যায়; জেলায় ৬ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন কুল থেকে আয় হয় ৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
১৪৬টি প্রতিবেদন
এগ্রোবিজ২০১৯-২০ মৌসুমে সাতক্ষীরায় ৬৫৪ হেক্টরে কুলের আবাদ বাড়লেও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে মুকুল ঝরে ফলন কমে যায়; জেলায় ৬ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন কুল থেকে আয় হয় ৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
সারা দেশের প্রকৃতি এখন ছেয়ে আছে আম ও লিচুর মুকুলে। ফাল্গুনী হাওয়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে আমের মুকুল। গাছের শাখে শাখে আগুনরঙা ফুল। চারিদিকে স্বর্ণালী শোভা। যেমন তার সৌন্দর্য, তেমনি তার
গাছের পাতা বিক্রি করেন কৃষক জয়নুদ্দিন খাঁ। এই পাতা বিক্রির টাকায় সংসারে সচ্ছলতা এসেছে। মাত্র ৪০ হাজার টাকা ব্যয় করে বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকার পাতা বিক্রি করেন তিনি। এই পাতা অন্য
ফলের গুরুত্ব বিবেচনায় ও জনগণের টেকসই নিরাপত্তার লক্ষ্যে একশত ৬১ কোটি ব্যয়ে বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি গত মঙ
ফুল চাষের জন্য সরকার বড় পরিসরে গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ হিসেবে ‘যশোর জেলার ঝিকরগাছায় ফুল গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়। ২৩০ কোটি ৮০
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ফাজিলহাটী ইউনিয়নের গাছপাড়া কামারনওগাঁ বিল। বছর খানেক আগে ৩৫ হাজার টাকায় এক হাজার জিনডিং ও খাকী ক্যাম্পবেল প্রজাতির হাঁসের বাচ্চা কিনে এ বিলের পানিতে
ছয় ঋতুর দেশ হিসাবে পরিচিত আমাদের এই বাংলাদেশ। ঋতু বৈচিত্রের কারনে এ দেশের মাটিতে ফলে নানা রকম ফল ও সবজি। আর আমাদের দেশের কৃষির মৌসুম তিনটি- খরিফ-১, খরিফ-২ ও রবি।
পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে বরফাচ্ছাদিত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সম্প্রতি অঞ্চলটির একেবারে উত্তর প্রান্তে সেমোর
ফুল২০২০ সালের শীতে চাঁদপুরের পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজের ক্যাম্পাস ভরে উঠেছিল ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গোলাপ, জবাসহ কয়েকশ ফুলগাছে, যা গড়ে উঠেছিল অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদারের উদ্যোগে।
ফুল২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাগো নিউজ জানায়, বিদেশি ফুল হলেও জারবেরা দেশের প্রথম সারির ১০টি ফুলের একটি; প্রতিটি ফুলের দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা, আর একজন চাষি মাসে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।
মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি তৈরি এখন আর কল্পকাহিনী নয়, বরং তা সময়ের ব্যাপার। অন্য একটি গ্রহে বসবাসের জন্য পৃথিবীর অনেক আরাম-আয়েশকেই ভুলে যেতে হবে বাসিন্দাদের। যেমন, পৃথিবীর মতো বায়ুমণ
মঙ্গল নিয়ে জ্যোতির্জীববিজ্ঞানীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। কারণ গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর তুলনামূলক মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত মঙ্গলে কোনো জীবনের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়
অনেকেই ভুলে গিয়েছেন তাঁদের গ্রামের আগের নাম কী ছিল? এমনও হয় নাকি? আলবাৎ হয়। বাংলাদেশের সাভারের তেতুল ঝোড়া ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামের নাম এখন সবাই বেমালুম ভুলেই গিয়েছে। এখন সেই