২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ বড় পণ্যশ্রেণিতে উৎপাদনমূল্যের সিংহভাগ এসেছে বড় আকারের পারিবারিক খামার থেকে—বলছে ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস। তবে সব শ্রেণিতে নয়, আর ব্যতিক্রমগুলোই বলে দিচ্ছে আসল কথাটা।
তাদের সবচেয়ে শক্ত অবস্থান দুগ্ধে, যেখানে উৎপাদনমূল্যের ৭৩ শতাংশই তাদের। উদ্যানফসলের ৫৮ শতাংশ, তুলার ৫২ শতাংশ, গরুর মাংসের ৫২ শতাংশ এবং নগদ দানাদার শস্য ও সয়াবিনের ৫১ শতাংশ মূল্যও এসেছে এসব খামার থেকে। ইআরএস এর কারণ হিসেবে দেখাচ্ছে মাত্রাগত সুবিধাকে, যা উচ্চমূল্যের, বেশি জমির বা বেশি পুঁজির খাতে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।
যেখানে আকারের গুরুত্ব কম, সেখানে ছোট পারিবারিক খামার জায়গা ধরে রেখেছে। খড়ের উৎপাদনমূল্যের ৫১ শতাংশ এবং পোলট্রি ও ডিমের ৩৫ শতাংশ এসেছে তাদের কাছ থেকে—যেসব খাতে কম জমি বা চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন বেশি প্রচলিত।
মাঝারি পারিবারিক খামারের অবস্থান দুইয়ের মাঝখানে; বিভিন্ন পণ্যশ্রেণিতে উৎপাদনমূল্যের ৬ থেকে ৩২ শতাংশ এসেছে তাদের কাছ থেকে। সবচেয়ে শক্ত অবস্থান শূকরে, ৩২ শতাংশ; এরপর পোলট্রি ও ডিম, ২৭ শতাংশ; এবং নগদ দানাদার শস্য ও সয়াবিন, ২৫ শতাংশ।
অ-পারিবারিক খামারের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি উদ্যানফসলে, যেখানে উৎপাদনমূল্যের ৩০ শতাংশ তাদের—সব পণ্যশ্রেণির মধ্যে এই দলটির সর্বোচ্চ হিস্যা।
বছরের ব্যবধানে হিস্যা বদলেছেও। ২০২৩ সালের তুলনায় বড় পারিবারিক খামার পোলট্রি ও ডিম উৎপাদনে অংশ বাড়িয়েছে, তবে তুলায় জায়গা হারিয়েছে—যেখানে এগিয়েছে মাঝারি খামার। অ-পারিবারিক খামার গরু ও শূকর উৎপাদনে নিজেদের হিস্যা কমিয়েছে।
খামার কেন্দ্রীভবন নিয়ে যেখানেই বিতর্ক হয়, সেখানেই এই চিত্রটি প্রাসঙ্গিক: বিশ্বের সবচেয়ে কেন্দ্রীভূত বড় কৃষিতেও উৎপাদনের একক এখনো পারিবারিক খামারই। বদলেছে পারিবারিক খামারের আকার, মালিকানার ধরন নয়। চার্টটি এসেছে ইআরএসের ‘আমেরিকাজ ফার্মস অ্যান্ড র্যাঞ্চেস অ্যাট আ গ্লান্স’ প্রতিবেদন থেকে, যা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ করেছেন ক্যাথরিন লেসি ও ক্যাথরিন লিম।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)