সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৬%বাতাস ২ কিমি/ঘ

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪ সালে দুগ্ধ উৎপাদনমূল্যের ৭৩ শতাংশ বড় পারিবারিক খামারের

ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস ২০২৬ সালের জুলাইয়ে জানায়, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দুগ্ধ, উদ্যানফসল, তুলা, গরুর মাংস ও দানাদার শস্যে উৎপাদনমূল্যের অর্ধেকের বেশি এসেছে বড় পারিবারিক খামার থেকে; তবে খড়ে এগিয়ে ছিল ছোট পারিবারিক খামার।

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪ সালে দুগ্ধ উৎপাদনমূল্যের ৭৩ শতাংশ বড় পারিবারিক খামারের
এগ্রোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গবেষণা শাখা ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ইআরএস) ২০২৬ সালের ৭ জুলাই প্রকাশিত এক চার্টে জানায়, ২০২৪ সালে দেশটির বেশ কয়েকটি প্রধান কৃষিপণ্যশ্রেণিতে উৎপাদনমূল্যের সিংহভাগ এসেছে বড় আকারের পারিবারিক খামার থেকে। ইআরএসের ক্যাথরিন লেসি ও ক্যাথরিন লিমের তৈরি এই চার্টের তথ্য নেওয়া হয়েছে ‘আমেরিকাজ ফার্মস অ্যান্ড র‌্যাঞ্চেস অ্যাট আ গ্লান্স: ২০২৫ এডিশন’ প্রতিবেদন থেকে, যা প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তবে সব পণ্যে চিত্রটা এক ছিল না: খড় এবং পোলট্রি ও ডিমে ছোট খামারগুলো তখনো বড় অংশীদার ছিল।

যেসব পণ্যে বড় পারিবারিক খামার এগিয়ে


বড় পারিবারিক খামারের সবচেয়ে শক্ত অবস্থান ছিল দুগ্ধে, যেখানে উৎপাদনমূল্যের ৭৩ শতাংশ এসেছে তাদের কাছ থেকে। উদ্যানফসলে (স্পেশালটি ক্রপ) তাদের হিস্যা ছিল ৫৮ শতাংশ, তুলা ও গরুর মাংসে ৫২ শতাংশ করে এবং নগদ দানাদার শস্য ও সয়াবিনে ৫১ শতাংশ। ইআরএসের ব্যাখ্যা, এসব খামার প্রায়ই মাত্রাগত সুবিধা (ইকোনমিজ অব স্কেল) পায়, ফলে উচ্চমূল্যের, বেশি জমির বা বেশি পুঁজির খাতে তারা প্রাধান্য বিস্তার করতে পারে।

বছরের ব্যবধানে কিছু হিস্যা বদলেছে। ২০২৩ সালের তুলনায় বড় পারিবারিক খামার পোলট্রি ও ডিম উৎপাদনে নিজেদের ভূমিকা বাড়িয়েছে, কিন্তু তুলায় জায়গা হারিয়েছে; তুলায় এগিয়েছে মাঝারি পারিবারিক খামার।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের লাবকের কাছে সাউথ প্লেইনসে তুলা তোলার মৌসুম; ২০২৪ সালে তুলার উৎপাদনমূল্যের ৫২ শতাংশ ছিল বড় পারিবারিক খামারের। ছবি: USDA NRCS Texas / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের লাবকের কাছে সাউথ প্লেইনসে তুলা তোলার মৌসুম; ২০২৪ সালে তুলার উৎপাদনমূল্যের ৫২ শতাংশ ছিল বড় পারিবারিক খামারের। ছবি: USDA NRCS Texas / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

খড় আর পোলট্রিতে ছোট খামারের জায়গা


যেখানে আকারের সুবিধা কম, সেখানে ছোট পারিবারিক খামার নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছিল। ২০২৪ সালে খড়ের উৎপাদনমূল্যের ৫১ শতাংশ এবং পোলট্রি ও ডিমের ৩৫ শতাংশ এসেছে ছোট পারিবারিক খামার থেকে। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদনটি নিয়ে আয়োজিত ইআরএসের ওয়েবিনারে বলা হয়, অল্প জমিতে চাষযোগ্য বলে খড় ছোট খামারের নাগালে বেশি থাকতে পারে। আর পোলট্রি খাতে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের প্রাধান্য রয়েছে, যা বাজারঝুঁকি কমিয়ে ছোট খামারের পক্ষে অংশ নেওয়া ও টিকে থাকা সহজ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি মাঠে সারি করে রাখা চৌকো খড়ের আঁটি; ২০২৪ সালে খড়ের উৎপাদনমূল্যের ৫১ শতাংশ এসেছে ছোট পারিবারিক খামার থেকে। ছবি: Nate Grigg / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
যুক্তরাষ্ট্রের একটি মাঠে সারি করে রাখা চৌকো খড়ের আঁটি; ২০২৪ সালে খড়ের উৎপাদনমূল্যের ৫১ শতাংশ এসেছে ছোট পারিবারিক খামার থেকে। ছবি: Nate Grigg / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
টেক্সাসের লুলিংয়ে নিজের একটি মুরগির ঘরে ব্রয়লার পরীক্ষা করছেন খামারি ববি মরগান। ছবি: USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
টেক্সাসের লুলিংয়ে নিজের একটি মুরগির ঘরে ব্রয়লার পরীক্ষা করছেন খামারি ববি মরগান। ছবি: USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

মাঝারি ও অ-পারিবারিক খামারের হিস্যা


মাঝারি পারিবারিক খামারের হিস্যা পণ্যভেদে ছিল ৬ থেকে ৩২ শতাংশ। তাদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল শূকরে, ৩২ শতাংশ; এরপর পোলট্রি ও ডিমে ২৭ শতাংশ এবং নগদ দানাদার শস্য ও সয়াবিনে ২৫ শতাংশ। অ-পারিবারিক খামারের সর্বোচ্চ হিস্যা ছিল উদ্যানফসলে, ৩০ শতাংশ; অন্যান্য খাতে তাদের অংশ ছিল ৬ থেকে ১৮ শতাংশ। ২০২৩ সালের তুলনায় গরু ও শূকর উৎপাদনে অ-পারিবারিক খামারের হিস্যা কমেছে।

ইআরএস কীভাবে খামার ভাগ করে


ইআরএসের সংজ্ঞায় পারিবারিক খামার হলো সেই খামার, যার ব্যবসার সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা পরিচালক ও তাঁর আত্মীয়দের হাতে। আকার মাপা হয় মোট নগদ খামার আয় (জিসিএফআই) দিয়ে, যার মধ্যে আছে নগদ বিক্রি, সরকারি অর্থ ও খামার-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আয়। বছরে জিসিএফআই ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারের কম হলে ছোট, ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১০ লাখ ডলারের কম হলে মাঝারি এবং ১০ লাখ ডলার বা তার বেশি হলে বড় পারিবারিক খামার। যেসব খামারের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা পরিচালক বা তাঁর আত্মীয়দের নয়, যেমন ভিন্ন পরিবারের একাধিক মূল পরিচালক থাকা খামার, পাবলিক কোম্পানির বড় খামার বা ভাড়া করা ব্যবস্থাপকের চালানো খামার, সেগুলো অ-পারিবারিক।

প্রতিবেদনের তথ্য এসেছে ইআরএস ও ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিসের (এনএএসএস) বার্ষিক জরিপ ‘এগ্রিকালচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সার্ভে’ (এআরএমএস) থেকে; এতে প্রায় ১৯ লাখ মার্কিন খামারের ২০২৪ সালের চিত্র রয়েছে। ইআরএসের ২০২৬ সালের মে মাসের আরেক চার্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালে মোট খামারের প্রায় ৮৬ শতাংশ ছিল ছোট পারিবারিক খামার; তারা কৃষিজমির ৪০ শতাংশ চালালেও উৎপাদনমূল্যে তাদের অংশ ছিল ১৭ শতাংশ। বড় পারিবারিক খামার ছিল মোট খামারের ৫ শতাংশ, কিন্তু জমির ৩৩ শতাংশ ও উৎপাদনমূল্যের ৫০ শতাংশ তাদের। মাঝারি খামার ছিল ৬ শতাংশ, জমি ও উৎপাদনমূল্য দুটোতেই ১৮ শতাংশ। অ-পারিবারিক খামার ছিল ৩ শতাংশ, উৎপাদনমূল্যে ১৪ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে ছিল ১৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে পারিবারিক খামার ছিল মোট খামারের প্রায় ৯৭ শতাংশ, কৃষিজমির ৯১ শতাংশ ও উৎপাদনমূল্যের ৮৫ শতাংশ।

তুলনার জন্য, ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ের ফার্ম পলিসি নিউজ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আগের সংস্করণের বরাতে জানিয়েছিল, ২০২৩ সালে বড় পারিবারিক খামারের হাতে ছিল উৎপাদনমূল্যের ৪৮ শতাংশ ও কৃষিজমির ৩১ শতাংশ।

ছবি: Corey Coyle / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (চার্টস অব নোট, জুলাই ও মে ২০২৬; ‘আমেরিকাজ ফার্মস অ্যান্ড র‌্যাঞ্চেস অ্যাট আ গ্লান্স: ২০২৫ এডিশন’ ওয়েবিনার), ফার্ম পলিসি নিউজ (ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

হরমুজ প্রণালী ও কানাডা-বাণিজ্যের ঝুঁকিতে চাপে নাইট্রোজেন, ফসফেট ও পটাশ সার

স্টোনএক্সের সার বিশ্লেষক জশ লিনভিল বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্নে ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ফসফেট ও সালফারের সরবরাহ ঝুঁকিতে; আর যুক্তরাষ্ট্রের পটাশ আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশ নির্ভর করে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর।

মিশিগান এজি টুডে১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)