জ্যৈষ্ঠ মাসে ফলের সমাহার
বাংলাদেশের বাজারে এখন ফলের সমারোহ। চারিদিকে নানা রকম ফলের সুবাস। গ্রামবাংলার এসব ফলে ছেয়ে গেছে শহরের অলিগলি ও বাজার। বছরের আর কোনো মাসে এত ফলের আগমন ঘটে না। তাই তো ভুল করে অনেকে জ্যৈষ্ঠ মাসকেই 'মধুমাস' বলে ফেলেন।
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ৬১৬৭টি প্রতিবেদন
বাংলাদেশের বাজারে এখন ফলের সমারোহ। চারিদিকে নানা রকম ফলের সুবাস। গ্রামবাংলার এসব ফলে ছেয়ে গেছে শহরের অলিগলি ও বাজার। বছরের আর কোনো মাসে এত ফলের আগমন ঘটে না। তাই তো ভুল করে অনেকে জ্যৈষ্ঠ মাসকেই 'মধুমাস' বলে ফেলেন।
কোরবানির বাজার ধরতে প্রস্তুত বিশালদেহী 'রাজাবাবু'। ৩০ মণ (১২০০ কেজি) ওজনের এই ষাঁড়টিকে আসন্ন কোরবানির ঈদে বিক্রি করা হবে। মালিক এর দাম হাঁকছেন ১৫ লাখ টাকা।
গাছ মানুষের বন্ধু। গাছ নানাভাবে আমাদের উপকার করে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, অক্সিজেন, ওষুধ ইত্যাদি আমরা গাছ থেকে পাই। গাছের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। প্রাণী জগতের অস্তিত্ব রক্ষায় উদ্ভিদের বিকল্প নেই। গাছ আছে বলেই পৃথিবী আজও বসবাসের যোগ্য।
পাকা আমের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে অনেকেই ঠান্ডা স্মুদি তৈরি করে খান গরমে। এক গ্লাস ঠান্ডা ঠান্ডা স্মুদি মুহূর্তেই শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয়। এছাড়া এই মধুমাসে অনেকেই পাকা আমের সঙ্গে ভাত ও দুধ মেখেও খেতে পছন্দ করেন।
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ার সীমান্তে পাহাড় থেকে খাবারের সন্ধানে নেমে আসা বন্যহাতির সঙ্গে চলছে মানুষের দ্বন্দ্ব। মাসের ব্যবধানে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, হাতির পাল নষ্ট করেছে কয়েক হেক্টর জমির ধান, ভাঙচুর করেছে অন্তত ৫০টি ঘর। প্রাণে বাঁচতে গরু-ছাগল নিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিলুপ্ত প্রজাতির রাজধনেশ পাখি পাচারের দায়ে দুজনকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (২৬ মে) দুপুরে বাঁশখালী থানার সামনে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসান তাদের এ দণ্ড দেন।
বাজারে এখন পাকা আম বেশ সহজলভ্য। চলছে মধুমাস। এখনই সময় তৃপ্তি করে আম, কাঁঠাল, লিচুসহ মৌসুমী ফল খাওয়ার। তবে এ মৌসুমে সব ধরনের ফলের মধ্যে আম বেশি জনপ্রিয়। এজন্যই তো একে ফলের রাজা বলা হয়।
এমন যদি হতো, আমাদের বাসা-বাড়িটা ঘাড়ে করে সব জায়গায় বয়ে নিয়ে বেড়াতে পারতাম! তাহলে ভারী মজাই হতো। সারাদিনের পরিশ্রমে ক্লান্ত শরীর নিয়ে দিনের শেষে পথের জ্যামে, ভিড়ে কষ্ট করে ঘরে ফেরার আর দরকার হতো না। আত্মরক্ষার দরকার হলে টুক্ করে ঢুকে পড়া যেত ঘরে।
নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা এলাকার কৃষক সামছুল ইসলাম। ধান, ভুট্টা, আলুসহ অন্য সবজি চাষ করেন। এসব ফসল উৎপাদনের পর উপার্জিত অর্থ দিয়েই চলে তার সংসার। তবে কয়েক বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ভালো ফলন পাননি সামছুল। কিছু ভেবে না পেয়ে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করেন হলুদ বর্ণের নত
পরিবেশ অনুকূলে থাকায় বান্দরবানে এ মৌসুমে আমের ব্যাপক ফলন হয়েছে। ফলে আমচাষিদের মনে বইছে খুশির জোয়ার। তবে যেভাবে চোখে পড়ার মতো গাছে মুকুল এসেছিল সেভাবে আমের গুটি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। এছাড়া অনাবৃষ্টির কারণে গুটি হওয়ার পরও ঝরে পড়েছে অনেক আম।
চলতি বছর আম রপ্তানি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।
'শরীরের ব্যথা দূর হয়, তাই একটি রান্না করে খেয়েছি, আরেকটি আটকে রেখেছি।' কথাগুলো বলছিলেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের নবীনপুরের বাসিন্দা হারুন হাওলাদার (৪০)। তবে তিনি কোনো গরু, ছাগল কিংবা মুরগি রান্না করে খাননি। বন থেকে শিকার করে শিয়ালের মাংস রান্না করে খেয়েছেন তিনি।
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের (জিআই) আম উৎপাদনকারী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪০ জন খিরসাপাত আম চাষি।