সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°মেঘলাআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পশ্চিম রাজস্থানে বৃষ্টির ঘাটতি: খেত অনাবাদি, অর্ধেক দামে ছাগল-ভেড়া বেচছেন পশুপালকেরা

জয়সলমিরে স্বাভাবিকের অর্ধেক বর্ষা, পশুখাদ্যের দাম দ্বিগুণের বেশি; রাজ্যের ৬৯৩টি বাঁধের ২১৬টি শুকনো, যোধপুর অঞ্চলের জলাধারে পানি ধারণক্ষমতার মাত্র ১৫.৭২ শতাংশ, তবু খরা ঘোষণা হয়নি।

পশ্চিম রাজস্থানে বৃষ্টির ঘাটতি: খেত অনাবাদি, অর্ধেক দামে ছাগল-ভেড়া বেচছেন পশুপালকেরা
ফসল

পশ্চিম রাজস্থানের জয়সলমিরের কৃষক ছতর সিং জাম প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে প্রতি খরিফ মৌসুমে গুয়ার, মথ ডাল, বাজরা ও কাচরিয়া চাষ করেন; এতে পরিবারের আহার জোটে, পশুরও খাবার হয়। এ বছর তিনি কিছুই বুনতে পারেননি। ডাউন টু আর্থের রাজু সাজওয়ানকে (Raju Sajwan) তিনি বলেন, "সব খেত ফাঁকা।" রবি ফসলের জন্য খেতে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার প্রচলিত খাদিন পদ্ধতিও এবার কাজে আসেনি, কারণ মাটিতে আর্দ্রতাই নেই।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের হিসাবে ১ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর রাজস্থানে বৃষ্টি হয়েছে ৩৪০.২ মিলিমিটার, স্বাভাবিক ৪৩৫.৬ মিলিমিটার; ঘাটতি ২২ শতাংশ। পশ্চিম রাজস্থানে হয়েছে ১৯৮.৮ মিলিমিটার, স্বাভাবিক ২৮৩.৬; ঘাটতি ৩০ শতাংশ। জয়সলমিরে ৮৯.১ মিলিমিটার, স্বাভাবিকের অর্ধেক; জালোরে ঘাটতি ৫৯ শতাংশ, পালিতে ৫৪ শতাংশ। অক্টোবরেও প্রায় বৃষ্টি নেই: ১ থেকে ২৩ অক্টোবর বারমের, জালোর, নাগৌর ও পালিতে এক ফোঁটাও হয়নি, জয়সলমির ও যোধপুরে মাত্র ০.৩ মিলিমিটার করে।

এই অঞ্চলে ফসল আর পশুপালন একসূত্রে গাঁথা, কারণ বাজরা ও মথ ডালের খেত থেকেই পশুখাদ্য আসে। জাম জানান, পশুখাদ্যের দাম কেজিতে ৬-৭ রুপি থেকে বেড়ে ১৫-১৬ রুপি হয়েছে। তাঁর হিসাবে পশুপালকেরা এর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ ছাগল-ভেড়া বিক্রি করেছেন; আগে যে পশু ৮ থেকে ১০ হাজার রুপিতে বিকোত, এখন যাচ্ছে ৪ থেকে ৫ হাজারে। ২০২৭ সালের জুলাইয়ে পরের বর্ষা আসতে আসতে এই হার ৬০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা; এটি তাঁর স্থানীয় অনুমান, সরকারি হিসাব নয়। ২০১৯ সালের প্রাণিশুমারিতে রাজ্যে ৫ কোটি ৬৮ লাখ পশু ছিল, শুধু বারমেরেই প্রায় ৫০ লাখ ৯০ হাজার।

জলাধারেও পানি কমছে। রাজ্যের পানিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ৬৯৩টি বাঁধের ২১৬টি পুরো শুকনো, ৩৭৮টি আংশিক ভরা, পূর্ণ মাত্র ৯৯টি। ৮ অক্টোবর বাঁধগুলোতে পানি ছিল ধারণক্ষমতার ৬১.৮০ শতাংশ, আগের বছর একই দিনে ৯০.৩৮ শতাংশ; যোধপুর অঞ্চলের ১১৭টি বাঁধে ছিল মাত্র ১৫.৭২ শতাংশ, গত বছর ছিল ৮০.২৫ শতাংশ।

রাজ্য সরকার এখনো খরা ঘোষণা করেনি; এর জন্য বৃষ্টির পাশাপাশি বপন, মাটির আর্দ্রতা ও পানির প্রাপ্যতা যাচাই করতে হয়। মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্র প্রদেশের মতো রাজস্থানেও খরা ঘোষণার দাবি তুলেছে বিরোধী দলগুলো।

ছবি: Ji-Elle (a goat pen in the Thar desert, Rajasthan) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: ডাউন টু আর্থ

ডাউন টু আর্থসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

মাটির মানচিত্রে জমি ১০ ভাগ, ভাগ বুঝে বীজ, সার ও স্প্রের মাত্রা

কানাডার অন্টারিওতে ফলন পরিদর্শনের এক প্রদর্শনীতে শস্য পরামর্শকেরা দেখালেন, মাটির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ও উচ্চতার তথ্যে তৈরি অঞ্চলভিত্তিক মানচিত্র কীভাবে বীজ, সার ও ছত্রাকনাশকের পরিমাণ ঠিক করে দেয়।

Farms.com২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

প্রোটিন নিজে ফলালেও সারে আমদানিনির্ভর ভারত, বলছে নতুন সূচক

প্রোটিন সার্বভৌমত্ব সূচকে ৪৩টির মধ্যে ১৭তম ভারত, স্কোর ৬২.১, অবস্থা "ঝুঁকিপূর্ণ"; সারের ৬৮.৬ শতাংশ আমদানিনির্ভর, ডাল আমদানি রেকর্ড ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টন, আর ৫২ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই।

ডাউন টু আর্থ২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ভারতে ছয় মাসে সব ধরনের সারের বিক্রি কমেছে, ইউরিয়া আমদানি বেড়েছে ৪০.৫ শতাংশ

এপ্রিল-সেপ্টেম্বরে ইউরিয়া বিক্রি ৪.১ শতাংশ কমে ১ কোটি ৮৫ লাখ টনে নেমেছে, এনপিকে কমেছে ২২.২ শতাংশ; দেশে ইউরিয়া উৎপাদন বেড়েছে, এনপিকে উৎপাদন কমেছে ৩৫.৫ শতাংশ।

Rural Voice২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)