সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

মতামত: বিশ শতকের সম্প্রসারণ দিয়ে ২০৪৭ সালের কৃষি গড়া যাবে না ভারতে

ভুবনা নারায়ণরাও ও রবি নন্দী লিখেছেন, ওপর থেকে চাপানো প্রযুক্তি হস্তান্তরের বদলে দরকার মানুষনিয়ন্ত্রিত এআইসহ চার স্তম্ভের কৃষি সুযোগ ব্যবস্থা।

মতামত: বিশ শতকের সম্প্রসারণ দিয়ে ২০৪৭ সালের কৃষি গড়া যাবে না ভারতে
মতামত

২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হতে হলে ভারতের কৃষিকে রক্ষণশীল হিসাবেও বছরে প্রকৃত অর্থে ৪ শতাংশ হারে বাড়তে হবে। ডাউন টু আর্থে এক লেখায় ভুবনা নারায়ণরাও (Bhuvana Narayanarao) ও রবি নন্দী (Ravi Nandi) বলছেন, বিশ শতকের ওপর থেকে নিচে প্রযুক্তি হস্তান্তরের সম্প্রসারণ ব্যবস্থা দিয়ে তা সম্ভব নয়। মতামত লেখকদের নিজস্ব।

লেখকেরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সবুজ বিপ্লব সফল হয়েছিল কারণ নতুন জাতের সঙ্গে ছিল জোরালো সম্প্রসারণ সেবা, সেচকূপে ভর্তুকি, সস্তা বিদ্যুৎ ও ন্যূনতম সহায়ক মূল্য। তারপর থেকে আশাজাগানো অনেক উদ্ভাবন মাঠে টেকেনি। তাঁদের মতে, সম্প্রসারণ ব্যবস্থা প্রযুক্তিকে স্থির বস্তু ভেবে গবেষণাগার থেকে খামারে পৌঁছে দেয়।

কৃষক বেশি ফলনের প্রতিশ্রুতি দেখলেই প্রযুক্তি নেবেন, এই ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করেছেন তাঁরা। বাস্তব বাধা, শেখার খরচ ও ঝুঁকি পথ আটকায়; উৎপাদনের সহজতা বা স্বাদও ফলনের মতোই গুরুত্ব পায়।

তাঁদের প্রস্তাব "কৃষি সুযোগ ব্যবস্থা", যেখানে মাঠকর্মীরা হবেন সুযোগের সংযোগকারী। এর চার স্তম্ভের প্রথমটি হলো সামগ্রিক দৃষ্টি, যা কৃষকের আকাঙ্ক্ষা ও স্থানীয় সীমাবদ্ধতা থেকে শুরু হবে এবং রপ্তানির মান ও সনদ পর্যন্ত যাবে। দ্বিতীয়টি আবহাওয়া কেন্দ্র, স্যাটেলাইট ছবি ও পোকার স্থানীয় মডেল দিয়ে সচল পরামর্শ।

তৃতীয় স্তম্ভ, রাজ্যজুড়ে ছড়ানোর আগে কড়া মূল্যায়ন করে শুধু প্রস্তুত প্রযুক্তিই বড় করা। চতুর্থটি, বিচ্ছিন্ন নীতির বদলে নানা ধরনের সেবাদাতা নিয়ে সমন্বিত ব্যবস্থা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে তাঁরা সতর্ক। দায়বদ্ধতার প্রশ্নে পুরোপুরি এআইনির্ভর সম্প্রসারণ ব্যবস্থা এখন ভালো ধারণা নয় বলে লিখেছেন তাঁরা। এআই দেবে তথ্য ও দ্রুত বিশ্লেষণ, আর মানুষ দেবে প্রেক্ষাপট ও আস্থা। তাই তাঁরা চান মানুষের তদারকিতে চলা এআই-সমর্থিত ব্যবস্থা।

ছবি: Yann / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: ডাউন টু আর্থ

ডাউন টু আর্থসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: দুই মাসে সিলিন্ডারে ৪৭৫ টাকা বাড়তি, রান্নার জ্বালানি এখন সংসারের দুশ্চিন্তা

আজকের পত্রিকার কলামে বাপ্পাদিত্য চৌধুরী প্রবাল লিখেছেন, ১২ কেজি এলপিজি প্রথমবার দুই হাজার টাকা ছাড়িয়েছে; তাঁর মতে আন্তর্জাতিক দামের পাশাপাশি বাজার তদারকির ফাঁকও ভোক্তাকে চাপে ফেলছে।

আজকের পত্রিকা৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: সরকারি সহায়তা খামারে থাকছে না, চলে যাচ্ছে উপকরণ বিক্রেতার হাতে

মন্টানার গম চাষিদের সংগঠনের নীতি উপদেষ্টা কেরা বার্কল্যান্ডের মতে, উপকরণের বাজারে প্রতিযোগিতা না বাড়লে সহায়তা কৃষককে শক্ত করবে না।

নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্ক৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: জৈব কৃষি উপকরণের বাজারে সম্ভাব্য চার ভবিষ্যৎ দেখছেন গুস্তাভো মামাও

এজিফান্ডনিউজে স্বাক্ষরিত লেখায় গুস্তাভো মামাওর যুক্তি, পণ্যের কার্যকারিতা আর প্রচলিত উপকরণব্যবস্থায় মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই ঠিক করবে আগামী ১০ বছর।

এজিফান্ডনিউজ৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)