ইউরোপীয় ইউনিয়নে গরু জবাই ২০২৬ সালে প্রায় ২.৫ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে আরও ০.৩৮ শতাংশ কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবা (ইউএসডিএ এফএএস)। ইইউর প্রাণিসম্পদ নিয়ে সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে আনুষ্ঠানিক জবাই ৩.৮৫১ শতাংশ কমেছে; পশুর সরবরাহ কম থাকা এবং খামারিরা গরু ধরে রাখায় জবাইখানায় পশু কম এসেছে। সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে বেশি কমেছে ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম ও অস্ট্রিয়ায়। প্রতিবেদন বলছে, সারা বছর জবাই এই নিচু স্তরে থাকলে দশ বছরে প্রথমবারের মতো ইইউর গরুর পাল বড় হতো।
জুলাইয়ে ইইউতে ঢোকা দাবদাহ ও খরা সেই চিত্র বদলে দিয়েছে। এতে পরের মৌসুম পর্যন্ত পশুখাদ্যের সরবরাহ কমবে বলে ধারণা, সবচেয়ে বেশি হাঙ্গেরি ও ফ্রান্সে, যেখানে দাবদাহ আরও ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে। পশুখাদ্যের ঘাটতি ও নিম্নমান, সঙ্গে ভুট্টা ও সাইলেজে আফলাটক্সিন দূষণের বাড়তি ঝুঁকি গরুর প্রজনন, খাদ্যগ্রহণ ও বেঁচে থাকার হারে প্রভাব ফেলতে পারে; খাদ্যের টানে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে জবাই এগিয়ে আসবে বলে ধারণা।
ফলে বছরের শেষ ভাগে খরার কারণে জবাই বাড়লেও ২০২৬ সালে সামগ্রিকভাবে তা কমবে, আর বছর শেষে খামারে গরুর সংখ্যা সামান্য কম থাকবে।
দুধের দাম তুলনামূলক কম আর গরুর মাংসের দাম বেশি থাকায় প্রতিবেদনটি মনে করছে, মাংসের জন্য পালিত গাভির চেয়ে দুগ্ধ গাভির পাল বেশি ছোট হবে। গাভি কমলে ২০২৭ সালে বাছুরও কম হবে; পশুর সরবরাহ কম এবং মাংসের পাল বাড়ানোর আগ্রহ বাড়ায় আগামী বছরও জবাই কমবে বলে পূর্বাভাস।
ছবি: Urban / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)