যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হুইট ফাউন্ডেশন (National Wheat Foundation) তাদের ১১তম জাতীয় গম ফলন প্রতিযোগিতার ২৮ জন জাতীয় বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে। টানা দ্বিতীয় বছর এবং গত পাঁচ মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন আইডাহোর টুইন ফলসের রাইলি রেনল্ডস (Rylee Reynolds)। তাঁর সেচের শীতকালীন গমের ফলন একরে ২১৪.১৬ বুশেল, হেক্টরে প্রায় ১৪.৪ টন। ২০২২ সালে তিনি একরে ২৩১.৩৭ বুশেল ফলিয়ে প্রতিযোগিতার রেকর্ড গড়েছিলেন।
আরও দুজন তাঁদের শিরোপা ধরে রেখেছেন। আইডাহোর রেক্সবার্গের ডালিন উইলকক্স সেচের বসন্তকালীন গমে একরে ১৭৫.৩৫ বুশেল এবং অরেগনের অ্যামিটির হেলে ও ব্রুস রুডেনক্লাউ সেচবিহীন বসন্তকালীন গমে ১৪৪.৩৪ বুশেল ফলিয়েছেন। ওয়াশিংটনের কোল্টনের জেক ড্রাফেল সেচবিহীন শীতকালীন গমে একরে ১৯৬.১২ বুশেল ফলিয়ে প্রথমবার শীর্ষ পুরস্কার পেয়েছেন।
ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অ্যান অসবর্ন বলেন, এবার গমের আবাদ কম হওয়া আর অনেক অঞ্চলে খরার কারণে অংশগ্রহণ কমেছে। তবু ২৮ জাতীয় বিজয়ীর ১৫ জন প্রথমবার এ স্বীকৃতি পেয়েছেন, অনেকে প্রথমবারই অংশ নিয়েছেন। তাঁর মতে, এটা কপালের জোর নয়: আগের বিজয়ীরা ভালো ফলনের যে কৌশল জানিয়েছেন, নতুনরা তা কাজে লাগিয়েছেন।
নিজ জেলার পাঁচ বছরের গড় ফলনকে সবচেয়ে বেশি ছাড়ানো সেচবিহীন চাষিরাও পুরস্কার পেয়েছেন। ওকলাহোমার ম্যাট ডরনান একরে ১১০.৩৩ বুশেল ফলিয়েছেন, যা তাঁর জেলার গড় ২৯.৩৪ বুশেলের চেয়ে ২৭৬.০৩ শতাংশ বেশি। মন্টানার মাইকেল উডের ফলন ৯০.৫২ বুশেল, জেলার গড়ের চেয়ে ২১৯.১৮ শতাংশ বেশি। ১০টি অঙ্গরাজ্যের ২৪ জন প্রচলিত বিভাগের বিজয়ীর গড় ফলন ১৪৬.৪০ বুশেল, গত বছরের ১৪৭.০১ বুশেলের চেয়ে সামান্য কম। তবে সেচবিহীন শীতকালীন গমের বিজয়ীদের গড় ১৭৬.১০ বুশেল, যা রেকর্ড।
পরীক্ষামূলক ডিজিটাল ফলন বিভাগে কৃষকেরা জন ডিয়ার অপারেশনস সেন্টার, ক্লাইমেট ফিল্ডভিউ বা বুশেলের মতো ডিজিটাল সরঞ্জাম আর মাপা শস্য-গাড়ির ওজনের তথ্য দিয়ে ২০ একর অংশের ফলন জমা দেন। জাতীয় বিজয়ীদের ১০ পাউন্ড গমের নমুনা আটা ও রুটির মান পরীক্ষায় যাবে, মানের ফল জানা যাবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি।
২০২৭ সাল থেকে জাতীয় বিজয়ী হবেন ৩০ জন। শীতকালীন গম জাত অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ হবে, আর ডুরাম গমের জন্য সেচ ও সেচবিহীন দুটি নতুন বিভাগ যোগ হবে।
ছবি: JF Hobbs / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্ক





মন্তব্য
(০)